ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘ধলেশ্বরীর দুই পাড়ের ইটভাটা বন্ধে উদ্যোগ’

  • ডেস্ক :
  • আপডেট সময় ৬ ঘন্টা আগে
  • ১ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার‎
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, ইটভাটার কারণে সৃষ্ট পরিবেশ দূষণ রোধে ধলেশ্বরী নদীর দুই পাড়ে অবস্থিত ইটভাটাগুলো বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এনসিপি দলীয় সদস্য আব্দুল্লাহ আল আমিনের টেবিলে উত্থাপিত তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে পরিবেশ মন্ত্রী একথা জানান।
পরিবেশ মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তর অবৈধ ইটভাটা বন্ধে নিয়মিত মনিটরিং এবং এনফোর্সমেন্ট কার্যক্রম জোরদার করেছে এবং তা অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে ধলেশ্বরী নদীর দুই পাড়ে দূষণকারী ইটভাটার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
পরিবেশ মন্ত্রী জানান, নারায়ণগঞ্জ-৪ নির্বাচনি এলাকা সদর থানার দুটি ইউনিয়ন এবং ফতুল্লা থানার পাঁচটি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। এ এলাকায় মোট ১১১টি ইটভাটা রয়েছে, যার মধ্যে ৭৮টি ইটভাটা ধলেশ্বরী নদীর দুই পাড়ে অবস্থিত।
মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু আরও জানান, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত সময়ে পরিচালিত মোবাইল কোর্টের অভিযানে নদীর দুই পাড়ের ৩৬টি অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে আটটি ইটভাটা সম্পূর্ণভাবে ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং মোট ৬৮ লাখ ৩০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
পরিবেশ মন্ত্রী বলেন, ইটভাটাজনিত দূষণ কমাতে পরিবেশবান্ধব বিকল্প হিসেবে ব্লকের ব্যবহার বাড়াতে সরকার কাজ করছে। ইতোমধ্যে সরকারি নির্মাণ, মেরামত ও সংস্কার কাজে পোড়ানো ইটের পরিবর্তে ব্লক ব্যবহার বাধ্যতামূলক করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
পরিবেশ মন্ত্রী জানান, এই প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী ১০০ শতাংশ ব্লক ব্যবহারের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর ফলে নারায়ণগঞ্জ-৪ সহ সারা দেশে পোড়ানো ইটের চাহিদা কমবে এবং ধীরে ধীরে ইটভাটার সংখ্যা হ্রাস পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

‘ধলেশ্বরীর দুই পাড়ের ইটভাটা বন্ধে উদ্যোগ’

আপডেট সময় ৬ ঘন্টা আগে

স্টাফ রিপোর্টার‎
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, ইটভাটার কারণে সৃষ্ট পরিবেশ দূষণ রোধে ধলেশ্বরী নদীর দুই পাড়ে অবস্থিত ইটভাটাগুলো বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এনসিপি দলীয় সদস্য আব্দুল্লাহ আল আমিনের টেবিলে উত্থাপিত তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে পরিবেশ মন্ত্রী একথা জানান।
পরিবেশ মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তর অবৈধ ইটভাটা বন্ধে নিয়মিত মনিটরিং এবং এনফোর্সমেন্ট কার্যক্রম জোরদার করেছে এবং তা অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে ধলেশ্বরী নদীর দুই পাড়ে দূষণকারী ইটভাটার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
পরিবেশ মন্ত্রী জানান, নারায়ণগঞ্জ-৪ নির্বাচনি এলাকা সদর থানার দুটি ইউনিয়ন এবং ফতুল্লা থানার পাঁচটি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। এ এলাকায় মোট ১১১টি ইটভাটা রয়েছে, যার মধ্যে ৭৮টি ইটভাটা ধলেশ্বরী নদীর দুই পাড়ে অবস্থিত।
মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু আরও জানান, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত সময়ে পরিচালিত মোবাইল কোর্টের অভিযানে নদীর দুই পাড়ের ৩৬টি অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে আটটি ইটভাটা সম্পূর্ণভাবে ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং মোট ৬৮ লাখ ৩০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
পরিবেশ মন্ত্রী বলেন, ইটভাটাজনিত দূষণ কমাতে পরিবেশবান্ধব বিকল্প হিসেবে ব্লকের ব্যবহার বাড়াতে সরকার কাজ করছে। ইতোমধ্যে সরকারি নির্মাণ, মেরামত ও সংস্কার কাজে পোড়ানো ইটের পরিবর্তে ব্লক ব্যবহার বাধ্যতামূলক করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
পরিবেশ মন্ত্রী জানান, এই প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী ১০০ শতাংশ ব্লক ব্যবহারের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর ফলে নারায়ণগঞ্জ-৪ সহ সারা দেশে পোড়ানো ইটের চাহিদা কমবে এবং ধীরে ধীরে ইটভাটার সংখ্যা হ্রাস পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।