ঢাকা , রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সদর থানার ওসির রহস্যজনক আচরণ

না’গঞ্জ ক্লাব ভাঙচুর মামলায় ৪০ নম্বর আসামি জব্বার গ্রেফতার

গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতন-পরবর্তী অস্থিরতার মধ্যে নারায়ণগঞ্জ ক্লাবে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দায়ের করা মামলার ৪০ নম্বর আসামি জব্বারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে এ গ্রেফতারকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) রহস্যজনক নীরবতায়।

‎পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঘটনার পরপরই নারায়ণগঞ্জ সদর থানা-এ একটি মামলা দায়ের করা হয়, যেখানে অজ্ঞাতনামাসহ বেশ কয়েকজনকে আসামি করা হয়। সেই মামলার ধারাবাহিক অভিযানে জব্বার নামে এক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া যায়।

‎তবে গ্রেফতারের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান-এর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে শুরুতে তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন। তিনি জানান, “আমি ১৫ থেকে ২০ মিনিটের মধ্যে আপনাকে বিষয়টি নিশ্চিত করছি।

‎কিন্তু সময় পার হওয়ার পরও তিনি আর কোনো তথ্য দেননি। পরবর্তীতে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি তা রিসিভ করেননি। এতে করে গণমাধ্যমকর্মী ও সচেতন মহলের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে কেন একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রেফতার নিয়ে পুলিশের এমন নীরবতা এটা আসলে কিসের আলামত!

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

আবু সাউদ মাসুদ

হ্যালো আমি আবু সাউদ মাসুদ। সম্পাদক হিসেবে কাজ করছি।

সদর থানার ওসির রহস্যজনক আচরণ

না’গঞ্জ ক্লাব ভাঙচুর মামলায় ৪০ নম্বর আসামি জব্বার গ্রেফতার

আপডেট সময় এক মিনিট আগে

গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতন-পরবর্তী অস্থিরতার মধ্যে নারায়ণগঞ্জ ক্লাবে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দায়ের করা মামলার ৪০ নম্বর আসামি জব্বারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে এ গ্রেফতারকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) রহস্যজনক নীরবতায়।

‎পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঘটনার পরপরই নারায়ণগঞ্জ সদর থানা-এ একটি মামলা দায়ের করা হয়, যেখানে অজ্ঞাতনামাসহ বেশ কয়েকজনকে আসামি করা হয়। সেই মামলার ধারাবাহিক অভিযানে জব্বার নামে এক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া যায়।

‎তবে গ্রেফতারের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান-এর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে শুরুতে তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন। তিনি জানান, “আমি ১৫ থেকে ২০ মিনিটের মধ্যে আপনাকে বিষয়টি নিশ্চিত করছি।

‎কিন্তু সময় পার হওয়ার পরও তিনি আর কোনো তথ্য দেননি। পরবর্তীতে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি তা রিসিভ করেননি। এতে করে গণমাধ্যমকর্মী ও সচেতন মহলের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে কেন একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রেফতার নিয়ে পুলিশের এমন নীরবতা এটা আসলে কিসের আলামত!