ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শুভ হত্যাকান্ডে নিলফামারি থেকে লাল শুভ গ্রেফতার

ফতুল্লার চাঞ্চল্যকর শুভ  অপহরণ ও হত্যাকন্ডের ঘটনার মামলার এজাহার নামীয় আসামী শুভ ওরফে লাল শুভ কে নিলফামারি থেকে র‍্যাব-১৩ ও ১১’র সহায়তায় গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
রোববার রাতে তাকে নিলফামারী থেকে গ্রেফতার করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক সার্কেল) হাসিনুজ্জামান জানান,শুভ অপহরনের ঘটনার সময় উপস্থিত লাল ও মামলার এজাহার নামীয় আসামী লাল শুভ কে নীলফামারী  থেকে ফতুল্লা থানা পুলিশের দেওয়া তথ্য মতে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব সদস্যরা। ইতিমধ্যেই ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ নীলফামারীর উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে। লাল শুভ গ্রেফতারের মাধ্যমে প্রথমে অপহরন ও পরে হত্যাকান্ডের ঘটনায় মূল রহস্য সহ জড়িতদের বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ পাবে বলে তিনি জানান।
জানা যায়,২৯ মার্চ সন্ধ্যায়  ইসদাইর এলাকা থেকে মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক সাখাওয়াত ইসলাম রানার নেতৃত্বে শুভ কে অপহরণ করা হয়।
এ ঘটনায় শুভর মা মাকসুদা বেগম বাদী হয়ে ২ এপ্রিল ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় নারায়ণগঞ্জ মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সাখাওয়াত ইসলাম রানাকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এছাড়া কাশেম (৪৫), সাব্বির (২১), মো. শাকিল (২৮), পাপ্পু (৪০), সাংবাদিক আলী মিয়া (৩৮), জাহিদ (৩৫), আব্দুর রাজ্জাক (৫০), ওয়াসিম (২৩), লাল শুভ (২০) অজ্ঞাতাহ ১২ জনকে   আসামি করেন। তাদের সবার বাড়ি ফতুল্লার ইসদাইর বস্তি এলাকায় বলে উল্লেখ রয়েছে।
উল্লেখ্য যে, গত ৩১ মার্চ রূপগঞ্জের কাঞ্চন ব্রিজের নিচ থেকে অজ্ঞাত পরিচয়ে উদ্ধার হওয়া মরদেহটি ৫ এপ্রিল নিখোঁজ শুভর বলে দাবি করেছেন তার মা মাকসুদা বেগম।
শুভ গুমের অভিযোগের দায়ের কৃত মামলার অভিযোগ সূত্র জানা যায়, গত ২৯ মার্চ সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টার দিকে মো. শাকিল (২৫) ও লাল শুভ (২২) মুঠোফোনে জরুরি কাজের কথা বলে শুভকে ফতুল্লা থানাধীন চানমারী বস্তি এলাকায় ডেকে নেয়। পূর্ব শত্রুতার জেরে সেখানে তাকে মারধর করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায় তারা। এরপর থেকে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায় এবং তিনি নিখোঁজ থাকেন। পরে তাকে চাষাড়া রেললাইন সংলগ্ন একটি অটোরিকশা গ্যারেজে নিয়ে নির্যাতন করে গুম করা হয়। এরপর থেকে শুভ কোন সন্ধান পায়নি পরিবারের সদস্যরা।
 গত ৩১ মার্চ রূপগঞ্জের কাঞ্চন ব্রিজের নিচ থেকে অজ্ঞাত পরিচয়ে উদ্ধার হওয়া মরদেহটি ৫ এপ্রিল নিখোঁজ শুভর বলে দাবি করেছেন তার মা মাকসুদা বেগম।
এর আগে পুলিশ  সাব্বির, রাজ্জাক ও ওয়াসিম নামের এজাহার নামীয়  তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

আবু সাউদ মাসুদ

হ্যালো আমি আবু সাউদ মাসুদ। সম্পাদক হিসেবে কাজ করছি।

শুভ হত্যাকান্ডে নিলফামারি থেকে লাল শুভ গ্রেফতার

আপডেট সময় ৭ ঘন্টা আগে
ফতুল্লার চাঞ্চল্যকর শুভ  অপহরণ ও হত্যাকন্ডের ঘটনার মামলার এজাহার নামীয় আসামী শুভ ওরফে লাল শুভ কে নিলফামারি থেকে র‍্যাব-১৩ ও ১১’র সহায়তায় গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
রোববার রাতে তাকে নিলফামারী থেকে গ্রেফতার করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক সার্কেল) হাসিনুজ্জামান জানান,শুভ অপহরনের ঘটনার সময় উপস্থিত লাল ও মামলার এজাহার নামীয় আসামী লাল শুভ কে নীলফামারী  থেকে ফতুল্লা থানা পুলিশের দেওয়া তথ্য মতে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব সদস্যরা। ইতিমধ্যেই ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ নীলফামারীর উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে। লাল শুভ গ্রেফতারের মাধ্যমে প্রথমে অপহরন ও পরে হত্যাকান্ডের ঘটনায় মূল রহস্য সহ জড়িতদের বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ পাবে বলে তিনি জানান।
জানা যায়,২৯ মার্চ সন্ধ্যায়  ইসদাইর এলাকা থেকে মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক সাখাওয়াত ইসলাম রানার নেতৃত্বে শুভ কে অপহরণ করা হয়।
এ ঘটনায় শুভর মা মাকসুদা বেগম বাদী হয়ে ২ এপ্রিল ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় নারায়ণগঞ্জ মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সাখাওয়াত ইসলাম রানাকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এছাড়া কাশেম (৪৫), সাব্বির (২১), মো. শাকিল (২৮), পাপ্পু (৪০), সাংবাদিক আলী মিয়া (৩৮), জাহিদ (৩৫), আব্দুর রাজ্জাক (৫০), ওয়াসিম (২৩), লাল শুভ (২০) অজ্ঞাতাহ ১২ জনকে   আসামি করেন। তাদের সবার বাড়ি ফতুল্লার ইসদাইর বস্তি এলাকায় বলে উল্লেখ রয়েছে।
উল্লেখ্য যে, গত ৩১ মার্চ রূপগঞ্জের কাঞ্চন ব্রিজের নিচ থেকে অজ্ঞাত পরিচয়ে উদ্ধার হওয়া মরদেহটি ৫ এপ্রিল নিখোঁজ শুভর বলে দাবি করেছেন তার মা মাকসুদা বেগম।
শুভ গুমের অভিযোগের দায়ের কৃত মামলার অভিযোগ সূত্র জানা যায়, গত ২৯ মার্চ সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টার দিকে মো. শাকিল (২৫) ও লাল শুভ (২২) মুঠোফোনে জরুরি কাজের কথা বলে শুভকে ফতুল্লা থানাধীন চানমারী বস্তি এলাকায় ডেকে নেয়। পূর্ব শত্রুতার জেরে সেখানে তাকে মারধর করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায় তারা। এরপর থেকে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায় এবং তিনি নিখোঁজ থাকেন। পরে তাকে চাষাড়া রেললাইন সংলগ্ন একটি অটোরিকশা গ্যারেজে নিয়ে নির্যাতন করে গুম করা হয়। এরপর থেকে শুভ কোন সন্ধান পায়নি পরিবারের সদস্যরা।
 গত ৩১ মার্চ রূপগঞ্জের কাঞ্চন ব্রিজের নিচ থেকে অজ্ঞাত পরিচয়ে উদ্ধার হওয়া মরদেহটি ৫ এপ্রিল নিখোঁজ শুভর বলে দাবি করেছেন তার মা মাকসুদা বেগম।
এর আগে পুলিশ  সাব্বির, রাজ্জাক ও ওয়াসিম নামের এজাহার নামীয়  তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে।