ঢাকা , রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হারিয়েছে ঈদ কার্ড

এক সময় ঈদ এলেই প্রিয়জনদের কাছে শুভেচ্ছা জানাতে পাঠানো হতো রঙিন ঈদ কার্ড। কিন্তু সময়ের সঙ্গে বদলে গেছে সেই চিত্র। এখন নারায়ণগঞ্জ শহরের আগের মত ঈদ কার্ডের পসরা সাজানো দোকানের দেখা মেলে না। ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়ের প্রধান মাধ্যম এখন মোবাইল ফোন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।
একসময় ঈদ উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জের বইয়ের দোকান ও স্টেশনারি শপগুলোতে ঈদ কার্ডের বেশ চাহিদা ছিল। বিশেষ করে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া তরুণ তরুণীরা বন্ধু ও স্বজনদের কাছে কার্ড পাঠাতেন। কিন্তু প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে সেই ঐতিহ্য এখন হারিয়ে গেছে।
শহরের চাষাঢ়া এলাকার একটি স্টেশনারি দোকানের মালিক আলমগীর জানান, কয়েক বছর আগেও ঈদের আগ মুহুর্তে দোকানে বিভিন্ন ধরনের ঈদ কার্ড রাখা হতো।
কিন্তু এখন আর তেমন বিক্রি নেই বললেই চলে। তাই অনেক দোকানেই ঈদ কার্ড রাখে না।
তিনি বলেন, একটা সময় ছিল যখন ঈদের এক-দুই সপ্তাহ আগে থেকেই কার্ড কিনতে অনেকেই আসতেন। এখন মানুষ মোবাইলেই শুভেচ্ছা পাঠিয়ে দেন। তাই কার্ডের চাহিদা একেবারেই কমে গেছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সহজলভ্যতার কারণে এখন মুহূর্তের মধ্যেই দূরে থাকা প্রিয়জনদের কাছে ঈদের শুভেচ্ছা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। মেসেজ, ছবি, ভিডিও কিংবা ডিজিটাল কার্ডের মাধ্যমে শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন সবাই।
সাংবাদিক মেহেদী হাসান সজীব জানান, ঈদ কার্ডের সেই আলাদা আবেগ এখন আর আগের মতো অনুভূত হয় না। হাতে লেখা কিছু কথায় ভরা একটি কার্ড পাওয়ার আনন্দ ছিল ভিন্ন ধরনের।
তিনি আরও বলেন, সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম বদলে গেলেও ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়ের ঐতিহ্য এখনও আছে শুধু মাধ্যমটাই বদলে গেছে। এখন নারায়ণগঞ্জেও বেশিরভাগ মানুষই প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করছেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

আবু সাউদ মাসুদ

হ্যালো আমি আবু সাউদ মাসুদ। সম্পাদক হিসেবে কাজ করছি।

হারিয়েছে ঈদ কার্ড

আপডেট সময় ০৪:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬

এক সময় ঈদ এলেই প্রিয়জনদের কাছে শুভেচ্ছা জানাতে পাঠানো হতো রঙিন ঈদ কার্ড। কিন্তু সময়ের সঙ্গে বদলে গেছে সেই চিত্র। এখন নারায়ণগঞ্জ শহরের আগের মত ঈদ কার্ডের পসরা সাজানো দোকানের দেখা মেলে না। ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়ের প্রধান মাধ্যম এখন মোবাইল ফোন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।
একসময় ঈদ উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জের বইয়ের দোকান ও স্টেশনারি শপগুলোতে ঈদ কার্ডের বেশ চাহিদা ছিল। বিশেষ করে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া তরুণ তরুণীরা বন্ধু ও স্বজনদের কাছে কার্ড পাঠাতেন। কিন্তু প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে সেই ঐতিহ্য এখন হারিয়ে গেছে।
শহরের চাষাঢ়া এলাকার একটি স্টেশনারি দোকানের মালিক আলমগীর জানান, কয়েক বছর আগেও ঈদের আগ মুহুর্তে দোকানে বিভিন্ন ধরনের ঈদ কার্ড রাখা হতো।
কিন্তু এখন আর তেমন বিক্রি নেই বললেই চলে। তাই অনেক দোকানেই ঈদ কার্ড রাখে না।
তিনি বলেন, একটা সময় ছিল যখন ঈদের এক-দুই সপ্তাহ আগে থেকেই কার্ড কিনতে অনেকেই আসতেন। এখন মানুষ মোবাইলেই শুভেচ্ছা পাঠিয়ে দেন। তাই কার্ডের চাহিদা একেবারেই কমে গেছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সহজলভ্যতার কারণে এখন মুহূর্তের মধ্যেই দূরে থাকা প্রিয়জনদের কাছে ঈদের শুভেচ্ছা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। মেসেজ, ছবি, ভিডিও কিংবা ডিজিটাল কার্ডের মাধ্যমে শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন সবাই।
সাংবাদিক মেহেদী হাসান সজীব জানান, ঈদ কার্ডের সেই আলাদা আবেগ এখন আর আগের মতো অনুভূত হয় না। হাতে লেখা কিছু কথায় ভরা একটি কার্ড পাওয়ার আনন্দ ছিল ভিন্ন ধরনের।
তিনি আরও বলেন, সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম বদলে গেলেও ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়ের ঐতিহ্য এখনও আছে শুধু মাধ্যমটাই বদলে গেছে। এখন নারায়ণগঞ্জেও বেশিরভাগ মানুষই প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করছেন।