ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জমির মালিককে পিটিয়েছে বিএনপি নেতারা

বন্দরে পলাতক আওয়ামী লীগ নেতার ইট ভাটার জন্য এক ব্যবসায়ীর জমি থেকে মাটি কেটে নেওয়ায় বাধা দেওয়ায় জমির মালিককে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে।

‎এ ঘটনায় মারধরের শিকার আহত জমির মালিক আনোয়ার হোসেন স্বপন (৫০) বাদী হয়ে বন্দর থানায় ৪ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ১২জনকে আসামি করা হয়েছে।

‎উল্লেখিত আসামিরা হলো হযরত আলী, মো. মামুন ও ধামগড় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জাহিদ খন্দকার ও মুছাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য তাওলাদ মাহমুদ।

‎এদের মধ্যে মো. মামুন পলাতক সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সোহাগ রনির সহযোগি এবং হযরত আলী ভূমিদস্যু হিসেবে পরিচিত বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

‎অভিযোগে আনোয়ার হোসেন স্বপন উল্লেখ করেন, তিনি পেশায় একজন ব্যবসায়ী। ধামগড় ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও বন্দর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ আহম্মেদ এর পার্কের সাথে তার ব্যক্তিগত মালিকানাধীন জমি রয়েছে। উল্লেখিতরা ১৩ মার্চ ভোর ৩টায় তার জমি থেকে ভেকু দিয়ে মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে এমন সংবাদ পেয়ে তার ফুফাত ভাই শাহআলমকে নিয়ে ঘটনাস্থরে গিয়ে মাটি কাটতে বাধা দিলে উল্লেখিতরা সহ অজ্ঞাত আর ১০/১২ জন দেশীয় ধারালো অস্ত্র সন্ত্র, রাম দা, চাপাতি, ছোরা, চাইনিজ কুড়াল ও বাঁশের লাঠি, কাঠের ফালি, এবং লোহার রড় নিয়ে তাদের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় তার মাথা এবং ডান পায়ের হাটুর নিচে ধারালো রামদা দিয়া কোপ দিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। তাকে বাঁচাতে তার ফুফাত ভাই শাহআলম এগিয়ে গেলে তাকেও মারধর করা হয়। এসময় উল্লেখিতরা তার জিপ গাড়িটি ভাঙচুর চালায়। এ সময় তাদের আত্মচিৎকারে আশে পাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখান থেকে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

‎স্থানীয়রা জানান, উক্ত স্থানে বেশ কিছুদিন যাবত আওয়ামী লীগে পলাতক নেতা মাসুদ আহম্মেদ এর ইট ভাটার জন্য জোরপূর্বক অন্যের জমি থেকে মাটি কেটে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তার এই অবৈধ কাজে সহযোগিতা করছে ধামগড় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জাহিদ খন্দকার। কেউ বাধা দিলেই তাকে এভাবে মারধর করা হয়। তাই এখন ভয়ে কেউ কথা বলতে সাহস করছে না। এ ব্যাপারে স্থানীয় প্রশাসনকে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

আবু সাউদ মাসুদ

হ্যালো আমি আবু সাউদ মাসুদ। সম্পাদক হিসেবে কাজ করছি।

জমির মালিককে পিটিয়েছে বিএনপি নেতারা

আপডেট সময় ১০ ঘন্টা আগে

বন্দরে পলাতক আওয়ামী লীগ নেতার ইট ভাটার জন্য এক ব্যবসায়ীর জমি থেকে মাটি কেটে নেওয়ায় বাধা দেওয়ায় জমির মালিককে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে।

‎এ ঘটনায় মারধরের শিকার আহত জমির মালিক আনোয়ার হোসেন স্বপন (৫০) বাদী হয়ে বন্দর থানায় ৪ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ১২জনকে আসামি করা হয়েছে।

‎উল্লেখিত আসামিরা হলো হযরত আলী, মো. মামুন ও ধামগড় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জাহিদ খন্দকার ও মুছাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য তাওলাদ মাহমুদ।

‎এদের মধ্যে মো. মামুন পলাতক সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সোহাগ রনির সহযোগি এবং হযরত আলী ভূমিদস্যু হিসেবে পরিচিত বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

‎অভিযোগে আনোয়ার হোসেন স্বপন উল্লেখ করেন, তিনি পেশায় একজন ব্যবসায়ী। ধামগড় ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও বন্দর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ আহম্মেদ এর পার্কের সাথে তার ব্যক্তিগত মালিকানাধীন জমি রয়েছে। উল্লেখিতরা ১৩ মার্চ ভোর ৩টায় তার জমি থেকে ভেকু দিয়ে মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে এমন সংবাদ পেয়ে তার ফুফাত ভাই শাহআলমকে নিয়ে ঘটনাস্থরে গিয়ে মাটি কাটতে বাধা দিলে উল্লেখিতরা সহ অজ্ঞাত আর ১০/১২ জন দেশীয় ধারালো অস্ত্র সন্ত্র, রাম দা, চাপাতি, ছোরা, চাইনিজ কুড়াল ও বাঁশের লাঠি, কাঠের ফালি, এবং লোহার রড় নিয়ে তাদের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় তার মাথা এবং ডান পায়ের হাটুর নিচে ধারালো রামদা দিয়া কোপ দিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। তাকে বাঁচাতে তার ফুফাত ভাই শাহআলম এগিয়ে গেলে তাকেও মারধর করা হয়। এসময় উল্লেখিতরা তার জিপ গাড়িটি ভাঙচুর চালায়। এ সময় তাদের আত্মচিৎকারে আশে পাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখান থেকে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

‎স্থানীয়রা জানান, উক্ত স্থানে বেশ কিছুদিন যাবত আওয়ামী লীগে পলাতক নেতা মাসুদ আহম্মেদ এর ইট ভাটার জন্য জোরপূর্বক অন্যের জমি থেকে মাটি কেটে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তার এই অবৈধ কাজে সহযোগিতা করছে ধামগড় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জাহিদ খন্দকার। কেউ বাধা দিলেই তাকে এভাবে মারধর করা হয়। তাই এখন ভয়ে কেউ কথা বলতে সাহস করছে না। এ ব্যাপারে স্থানীয় প্রশাসনকে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন স্থানীয়রা।