ঢাকা , বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার

  • ডেস্ক :
  • আপডেট সময় ৫ ঘন্টা আগে
  • ১ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কায়েতপাড়া-ডেমড়া সড়কের নগরপাড়া অংশে সড়ক নির্মাণে ব্যাপক অনিয়ম ও নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। বালুর সাথে কাদাযুক্ত মাটি ও পুরোনো পিচ ঢালাইয়ের খোয়া মিশিয়ে কাজ করায় সড়কটির স্থায়িত্ব নিয়ে শঙ্কিত স্থানীয় বাসিন্দারা। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদারকির অভাবে সরকারের বরাদ্দকৃত লাখ লাখ টাকা বিফলে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা।
এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কের নগরপাড়ার দেইলপাড়া ব্রিজ থেকে নগরপাড়া বাজার পর্যন্ত প্রায় ৩০০ মিটার অংশ দীর্ঘদিন ধরে বেহাল ছিল। বৃষ্টির দিনে হাঁটু সমান কাদা আর বড় বড় গর্তে জনভোগান্তি চরমে পৌঁছালে এলজিইডি ইউনি-ব্লক রাস্তা নির্মাণের জন্য ৫০ লাখ ৮২ হাজার ৭১১ টাকা বরাদ্দ দেয়। ‘বাইতুল আল মামুর এজেন্সি’র মালিক সালাউদ্দিন কাজটি পেলেও সাব-ঠিকাদার হিসেবে নুর উদ্দিন কাজটি পরিচালনা করছেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সড়কটি খুঁড়ে প্রায় ২০ দিন কাজ বন্ধ রাখা হয়েছিল, যাতে এলাকাবাসীর চলাচলের ভোগান্তি কয়েকগুণ বেড়ে যায়। বর্তমানে কাজ শুরু হলেও সেখানে চরম অনিয়ম চলছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মামুন মিয়া, আনোয়ার হোসেন ও রাসেল আহমেদসহ অনেকেই জানান, সড়ক খুঁড়ে নিচ থেকে তোলা পুরোনো পিচের খোয়া ও কাদা মেশানো বালু ব্যবহার করা হচ্ছে। এসব নিম্নমানের মালামাল দিয়ে কাজ করলে সড়কটি আগের মতোই বেহাল হতে সময় লাগবে না।
এ বিষয়ে সাব-ঠিকাদার নুর উদ্দিন অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি নিয়ম মেনেই কাজ করছি। পুরোনো কিছু মালামালের পর নতুন মালামাল ব্যবহার করা হবে। এলাকার মানুষ না বুঝে দোষারোপ করছেন।
রূপগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী আক্তার হোসেন জানান, ওই অংশে পানি জমে বিধায় জিওভি মেইনটেন্যান্সের আওতায় ইউনি-ব্লক দিয়ে কাজ করা হচ্ছে। এ কাজে কিছু পুরোনো মালামাল ব্যবহারের নিয়ম সিডিউলে ধরা আছে। তবে নিম্নমানের মালামাল ব্যবহারের সুযোগ নেই এবং কাজটি নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার

আপডেট সময় ৫ ঘন্টা আগে

স্টাফ রিপোর্টার
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কায়েতপাড়া-ডেমড়া সড়কের নগরপাড়া অংশে সড়ক নির্মাণে ব্যাপক অনিয়ম ও নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। বালুর সাথে কাদাযুক্ত মাটি ও পুরোনো পিচ ঢালাইয়ের খোয়া মিশিয়ে কাজ করায় সড়কটির স্থায়িত্ব নিয়ে শঙ্কিত স্থানীয় বাসিন্দারা। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদারকির অভাবে সরকারের বরাদ্দকৃত লাখ লাখ টাকা বিফলে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা।
এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কের নগরপাড়ার দেইলপাড়া ব্রিজ থেকে নগরপাড়া বাজার পর্যন্ত প্রায় ৩০০ মিটার অংশ দীর্ঘদিন ধরে বেহাল ছিল। বৃষ্টির দিনে হাঁটু সমান কাদা আর বড় বড় গর্তে জনভোগান্তি চরমে পৌঁছালে এলজিইডি ইউনি-ব্লক রাস্তা নির্মাণের জন্য ৫০ লাখ ৮২ হাজার ৭১১ টাকা বরাদ্দ দেয়। ‘বাইতুল আল মামুর এজেন্সি’র মালিক সালাউদ্দিন কাজটি পেলেও সাব-ঠিকাদার হিসেবে নুর উদ্দিন কাজটি পরিচালনা করছেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সড়কটি খুঁড়ে প্রায় ২০ দিন কাজ বন্ধ রাখা হয়েছিল, যাতে এলাকাবাসীর চলাচলের ভোগান্তি কয়েকগুণ বেড়ে যায়। বর্তমানে কাজ শুরু হলেও সেখানে চরম অনিয়ম চলছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মামুন মিয়া, আনোয়ার হোসেন ও রাসেল আহমেদসহ অনেকেই জানান, সড়ক খুঁড়ে নিচ থেকে তোলা পুরোনো পিচের খোয়া ও কাদা মেশানো বালু ব্যবহার করা হচ্ছে। এসব নিম্নমানের মালামাল দিয়ে কাজ করলে সড়কটি আগের মতোই বেহাল হতে সময় লাগবে না।
এ বিষয়ে সাব-ঠিকাদার নুর উদ্দিন অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি নিয়ম মেনেই কাজ করছি। পুরোনো কিছু মালামালের পর নতুন মালামাল ব্যবহার করা হবে। এলাকার মানুষ না বুঝে দোষারোপ করছেন।
রূপগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী আক্তার হোসেন জানান, ওই অংশে পানি জমে বিধায় জিওভি মেইনটেন্যান্সের আওতায় ইউনি-ব্লক দিয়ে কাজ করা হচ্ছে। এ কাজে কিছু পুরোনো মালামাল ব্যবহারের নিয়ম সিডিউলে ধরা আছে। তবে নিম্নমানের মালামাল ব্যবহারের সুযোগ নেই এবং কাজটি নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে।