ঢাকা , বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘আবারো মুরাদ’ সমালোচনা কর্মকান্ডে

  • ডেস্ক :
  • আপডেট সময় ৮ ঘন্টা আগে
  • ১ বার পড়া হয়েছে

সোজাসাপটা রিপোর্ট
নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ২০নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হওয়ার খায়েশ উঠেছে গোলাম নবী মুরাদ। এক সময় এমপি আবুল কালামের আস্থাভাজন হওয়ার সুবাদে ২০নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি হয়েছিলেন তিনি। ২০১১ সালের নাসিকের নির্বাচনে পরাজিত হয়ে ২০১৬ সালের দ্বিতীয় নির্বাচনে জয়ী হলেও বির্তকে ছড়িয়ে ছিলেন তিনি। ওই সময়ে এমপি সেলিম ওসমানের নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত হওয়ায় বিএনপি সকল পদ থেকে বহিস্কার হয়েছিলেন মুরাদ। এর আগে ২০১৮ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সোনাকান্দা মাঠে বিএনপি প্রচারণায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের অনুষ্ঠানে নেতা-কর্মীদের না যেতে হুমকি ধমকি দেয়ার অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বিএনপি নেতা-কর্মীরা। নির্বাচনে বিএনপির জোট প্রার্থী এস এম আকরামের পক্ষে গোলাম নবী মুরাদ স্থানীয় পর্যায়ে নেতা-কর্মীদের প্রচারণা না থাকার নিদের্শনা দেন এবং হুমকি ধমকি দিয়েছিলেন। ওই নির্বাচনে সেলিম ওসমানের মার্কায় কেন্দ্রে একাধিক ভোট দেয়ার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে মুরাদের।
আবুল কালামকে ছাড়াই সেলিম ওসমানের আস্থাভাজন হওয়ার দৌড়ে মুরাদ ছিলেন সক্রিয়। এলাকার সূত্রে জানা গেছে, সেলিম ওসমান নিজ তহবিল অর্থ সোনাকান্দা স্কুল ও মসজিদের জন্য দেয়া হলে হিসাব দেয়া হয়নি। যার কারণে তার প্রতিপক্ষের কাছে রোষানলে পড়েছিলেন মুরাদ এবং সোনাকান্দা মসজিদে কয়েক বার মুসল্লিদের জেরা মুখে পড়েন। যার কারণে পরবর্তিতে মসজিদ ও পঞ্চায়েত কমিটিতে সভাপতি পদ বাদ দিয়ে উপদেষ্টা নিয়ে রাখেন এলাকাবাসী। এবার আবোরা মুরাদ স্লোগান চালিয়ে সোনাকান্দা মসজিদ ও পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি হওয়ার জন্য উঠে পড়ে লেগেছেন।
বিগত আওয়ামীলীগ সরকার আমলে সেলিম ওসমানরে নির্বাচনে প্রচারণা গোলাম নবী মুরাদকে দাড়ঁ করানো হয়। ওই সময় সেলিম ওসমান ও আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুর রশিদের আঙ্গুরের ইশারায় মুরাদ মঞ্চে চেয়ার থেকে উঠানো বসানো হয়। ওই নির্বাচনী প্রচারণায় মুরাদকে গ্রেপ্তার না করতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে নিদের্শ দেন সেলিম ওসমান। একই সাথে নির্বাচন চলাকালে বিএনপি এই নেতা সেলিম ওসমানের লাঙ্গল মার্কা ভোট চেয়ে মিছিল ও সমাবেশে করেছিলেন গোলাম নবী মুরাদ। যার কারণে মুরাদকে বিএনপি থেকে বহিস্কার করা হয়।
দীর্ঘ মাস বহিস্কার হওয়ার কারণে সেই মুরাদ বিএনপিতে ফেরার লক্ষ্যে আবুল কালামকে ছেড়ে নব্য বিএনপি নেতা মাসুদুজ্জামান মাসুদের দরবারে ছুটেন। ওই সময়ে হোসিয়ারি সমিতিতে মাসুদের কাছে মাথানত করে করমর্দন করেন। যার বদৌলতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চলাকালে আতাউর রহমান মুকুলের জোরালো তদবিরে মাসুদুজ্জামানের সুপারিশে বহিস্কাদেশ প্রত্যাহার হন মুরাদের। এরপর মাসুদুজ্জামান ও মুকুলের নির্বাচনী মঞ্চে এক হাজার লোকজন নেয়ার তথ্য দিয়েছিলেন তিনি। যার কারণে মাসুদুজ্জামান পরবর্তিতে প্রশংসা করেছিলেন মুরাদকে। এদিকে মনোনয়ন বঞ্চিত হওয়ার পরপরই আবুল কালামের মুরাদ পল্টি দেয়া তার সমালোচনা করা হয়। মাসুদুজ্জামানের অনুসারীরা জানান, বিএনপি থেকে বহিস্কারদেশ উঠানো দুই সপ্তাহ ব্যবধানে মাসুদুজ্জামান মাসুদকে ছেড়ে আবুল কালামের ছায়াতলে চলে যান। আবুল কাউসার আশা’র কাছে ২০নং ওয়ার্ডের নির্বাচনী দায়িত্ব নেন যার ফলে মাত্র মুরাদের কেন্দ্র সোনাকান্দা প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে মাত্র ৮২ ভোটে জয়ী হন আবুল কালাম। এলাকার সূত্রে জানা গেছে, গোলাম নবী মুরাদে আস্থাভাজন আক্তারুজ্জামান, জুয়েল, গাজী ও মামুন ছিলেন প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী পক্ষে। যার কারণে ওয়ার্ড বিএনপি নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি হয়।
এদিকে আবুল কালাম এমপি হওয়ায় পরই আস্থাভাজন হয়ে ‘আবারো মুরাদ’ স্লোগান নিয়ে মাঠে নেমেছে গোলাম নবী মুরাদ। এলাকায় ফেষ্টুন সাটিয়ে নতুন অফিস উদ্বোধন করেন ইতোমধ্যে আলোচনা সমালোচনা সৃষ্টি করেছেন। মুরাদের পাশে দেখা গেছে মাদক ব্যবসায়ী ও তাদের স্বজনদের। যাদের বিরুদ্ধে মসজিদে মুরাদ নিজেই মাদকের অভিযোগ তুলে ছিলেন।
গোলাম নবী মুরাদের অভিযোগের শেষ নেই। তার একমাত্র ছেলে অপকর্ম করে ডাকতে ১০ লাখ টাকা দিয়ে রফাদফা অভিযোগ পাওয়া গেছে। তৎকালীন ওসি তরিকুল ইসলামের মাধ্যমে রফদফা মুরাদ তার ছেলে অপকর্ম থেকে রেহাই করে ছিলেন।
অন্যদিকে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালাম ও তার রাজনৈতিক সচিব মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আবুল কাউসার আশা’র ছবি সম্বলিত ফেষ্টুন দেখা গেছে মুরাদে। আবারো মুরাদের স্লোগান চালিয়ে তার এমন প্রচারণা ইতোমধ্যে এমপি ও তার রাজনৈতিক সচিবের সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে। জানা গেছে, ২০১১ সালের নাসিকের নির্বাচনে মোহাম্মাদ হোসেনের কাছে হেরে যান মুরাদ। তার জের ধরে ২০১৬ সালের নাসিকের নির্বাচনে মুরাদ জয়ী হলেও বির্তকির্ত কর্মকান্ডে ২০২২ সালের নাসিকের নির্বাচনে ১৬ শত ভোটে ব্যবধানে শাহেনশাহ আহম্মেদের কাছে পরাজিত হন তিনি।
এলাকার সূত্রে জানা গেছে, গোলাম নবী মুরাদ এলাকার কোটিপতি সেজে সাধারণ মানুষদের অসম্মানিত করেন। কাউন্সিলর দায়িত্ব পালন করে তার বাড়িতে কখনো পাওয়া যেত না। ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকার বিচার সালিশে ব্যস্ত থাকতেন। এমনকি বিচার নামে অবিচার করার একাধিক অভিযোগ পাওয়া গেছে। যার কারণে গোলাম নবী মুরাদ পঞ্চায়েত কমিটি থেকে বাদ পড়েছেন। এবার এমপি আবুল কালাম ও তার ছেলে উপর ভর করে সমালোচিত ব্যক্তিদের নিয়ে ‘আবারো মুরাদ’ স্লোগান নিয়ে নির্বাচন করার মাঠে নেমেছেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

‘আবারো মুরাদ’ সমালোচনা কর্মকান্ডে

আপডেট সময় ৮ ঘন্টা আগে

সোজাসাপটা রিপোর্ট
নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ২০নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হওয়ার খায়েশ উঠেছে গোলাম নবী মুরাদ। এক সময় এমপি আবুল কালামের আস্থাভাজন হওয়ার সুবাদে ২০নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি হয়েছিলেন তিনি। ২০১১ সালের নাসিকের নির্বাচনে পরাজিত হয়ে ২০১৬ সালের দ্বিতীয় নির্বাচনে জয়ী হলেও বির্তকে ছড়িয়ে ছিলেন তিনি। ওই সময়ে এমপি সেলিম ওসমানের নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত হওয়ায় বিএনপি সকল পদ থেকে বহিস্কার হয়েছিলেন মুরাদ। এর আগে ২০১৮ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সোনাকান্দা মাঠে বিএনপি প্রচারণায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের অনুষ্ঠানে নেতা-কর্মীদের না যেতে হুমকি ধমকি দেয়ার অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বিএনপি নেতা-কর্মীরা। নির্বাচনে বিএনপির জোট প্রার্থী এস এম আকরামের পক্ষে গোলাম নবী মুরাদ স্থানীয় পর্যায়ে নেতা-কর্মীদের প্রচারণা না থাকার নিদের্শনা দেন এবং হুমকি ধমকি দিয়েছিলেন। ওই নির্বাচনে সেলিম ওসমানের মার্কায় কেন্দ্রে একাধিক ভোট দেয়ার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে মুরাদের।
আবুল কালামকে ছাড়াই সেলিম ওসমানের আস্থাভাজন হওয়ার দৌড়ে মুরাদ ছিলেন সক্রিয়। এলাকার সূত্রে জানা গেছে, সেলিম ওসমান নিজ তহবিল অর্থ সোনাকান্দা স্কুল ও মসজিদের জন্য দেয়া হলে হিসাব দেয়া হয়নি। যার কারণে তার প্রতিপক্ষের কাছে রোষানলে পড়েছিলেন মুরাদ এবং সোনাকান্দা মসজিদে কয়েক বার মুসল্লিদের জেরা মুখে পড়েন। যার কারণে পরবর্তিতে মসজিদ ও পঞ্চায়েত কমিটিতে সভাপতি পদ বাদ দিয়ে উপদেষ্টা নিয়ে রাখেন এলাকাবাসী। এবার আবোরা মুরাদ স্লোগান চালিয়ে সোনাকান্দা মসজিদ ও পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি হওয়ার জন্য উঠে পড়ে লেগেছেন।
বিগত আওয়ামীলীগ সরকার আমলে সেলিম ওসমানরে নির্বাচনে প্রচারণা গোলাম নবী মুরাদকে দাড়ঁ করানো হয়। ওই সময় সেলিম ওসমান ও আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুর রশিদের আঙ্গুরের ইশারায় মুরাদ মঞ্চে চেয়ার থেকে উঠানো বসানো হয়। ওই নির্বাচনী প্রচারণায় মুরাদকে গ্রেপ্তার না করতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে নিদের্শ দেন সেলিম ওসমান। একই সাথে নির্বাচন চলাকালে বিএনপি এই নেতা সেলিম ওসমানের লাঙ্গল মার্কা ভোট চেয়ে মিছিল ও সমাবেশে করেছিলেন গোলাম নবী মুরাদ। যার কারণে মুরাদকে বিএনপি থেকে বহিস্কার করা হয়।
দীর্ঘ মাস বহিস্কার হওয়ার কারণে সেই মুরাদ বিএনপিতে ফেরার লক্ষ্যে আবুল কালামকে ছেড়ে নব্য বিএনপি নেতা মাসুদুজ্জামান মাসুদের দরবারে ছুটেন। ওই সময়ে হোসিয়ারি সমিতিতে মাসুদের কাছে মাথানত করে করমর্দন করেন। যার বদৌলতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চলাকালে আতাউর রহমান মুকুলের জোরালো তদবিরে মাসুদুজ্জামানের সুপারিশে বহিস্কাদেশ প্রত্যাহার হন মুরাদের। এরপর মাসুদুজ্জামান ও মুকুলের নির্বাচনী মঞ্চে এক হাজার লোকজন নেয়ার তথ্য দিয়েছিলেন তিনি। যার কারণে মাসুদুজ্জামান পরবর্তিতে প্রশংসা করেছিলেন মুরাদকে। এদিকে মনোনয়ন বঞ্চিত হওয়ার পরপরই আবুল কালামের মুরাদ পল্টি দেয়া তার সমালোচনা করা হয়। মাসুদুজ্জামানের অনুসারীরা জানান, বিএনপি থেকে বহিস্কারদেশ উঠানো দুই সপ্তাহ ব্যবধানে মাসুদুজ্জামান মাসুদকে ছেড়ে আবুল কালামের ছায়াতলে চলে যান। আবুল কাউসার আশা’র কাছে ২০নং ওয়ার্ডের নির্বাচনী দায়িত্ব নেন যার ফলে মাত্র মুরাদের কেন্দ্র সোনাকান্দা প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে মাত্র ৮২ ভোটে জয়ী হন আবুল কালাম। এলাকার সূত্রে জানা গেছে, গোলাম নবী মুরাদে আস্থাভাজন আক্তারুজ্জামান, জুয়েল, গাজী ও মামুন ছিলেন প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী পক্ষে। যার কারণে ওয়ার্ড বিএনপি নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি হয়।
এদিকে আবুল কালাম এমপি হওয়ায় পরই আস্থাভাজন হয়ে ‘আবারো মুরাদ’ স্লোগান নিয়ে মাঠে নেমেছে গোলাম নবী মুরাদ। এলাকায় ফেষ্টুন সাটিয়ে নতুন অফিস উদ্বোধন করেন ইতোমধ্যে আলোচনা সমালোচনা সৃষ্টি করেছেন। মুরাদের পাশে দেখা গেছে মাদক ব্যবসায়ী ও তাদের স্বজনদের। যাদের বিরুদ্ধে মসজিদে মুরাদ নিজেই মাদকের অভিযোগ তুলে ছিলেন।
গোলাম নবী মুরাদের অভিযোগের শেষ নেই। তার একমাত্র ছেলে অপকর্ম করে ডাকতে ১০ লাখ টাকা দিয়ে রফাদফা অভিযোগ পাওয়া গেছে। তৎকালীন ওসি তরিকুল ইসলামের মাধ্যমে রফদফা মুরাদ তার ছেলে অপকর্ম থেকে রেহাই করে ছিলেন।
অন্যদিকে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালাম ও তার রাজনৈতিক সচিব মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আবুল কাউসার আশা’র ছবি সম্বলিত ফেষ্টুন দেখা গেছে মুরাদে। আবারো মুরাদের স্লোগান চালিয়ে তার এমন প্রচারণা ইতোমধ্যে এমপি ও তার রাজনৈতিক সচিবের সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে। জানা গেছে, ২০১১ সালের নাসিকের নির্বাচনে মোহাম্মাদ হোসেনের কাছে হেরে যান মুরাদ। তার জের ধরে ২০১৬ সালের নাসিকের নির্বাচনে মুরাদ জয়ী হলেও বির্তকির্ত কর্মকান্ডে ২০২২ সালের নাসিকের নির্বাচনে ১৬ শত ভোটে ব্যবধানে শাহেনশাহ আহম্মেদের কাছে পরাজিত হন তিনি।
এলাকার সূত্রে জানা গেছে, গোলাম নবী মুরাদ এলাকার কোটিপতি সেজে সাধারণ মানুষদের অসম্মানিত করেন। কাউন্সিলর দায়িত্ব পালন করে তার বাড়িতে কখনো পাওয়া যেত না। ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকার বিচার সালিশে ব্যস্ত থাকতেন। এমনকি বিচার নামে অবিচার করার একাধিক অভিযোগ পাওয়া গেছে। যার কারণে গোলাম নবী মুরাদ পঞ্চায়েত কমিটি থেকে বাদ পড়েছেন। এবার এমপি আবুল কালাম ও তার ছেলে উপর ভর করে সমালোচিত ব্যক্তিদের নিয়ে ‘আবারো মুরাদ’ স্লোগান নিয়ে নির্বাচন করার মাঠে নেমেছেন।