স্টাফ রিপোর্টার
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ বাবা আব্দুল কাদেরের মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ছেলে রাকিবও (১৬) মারা গেছে। শরীরের ২৫ শতাংশ পুড়ে যাওয়া রাকিব রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন ছিল।
শুক্রবার (১৫ মে) দুপুর দুইটার দিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন আবাসিক সার্জন সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান।
চিকিৎসকরা জানান, দগ্ধ হওয়ার কারণে রাকিবের শ্বাসকষ্টজনিত জটিলতা চরম আকার ধারণ করেছিল। শ্বাসনালী পুড়ে যাওয়ায় তার অবস্থা আগে থেকেই সংকটাপন্ন ছিল।
এর আগে একই দিন সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে এই হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে মারা যান রাকিবের বাবা আব্দুল কাদের (৫০)। তার শরীরের ৫৭ শতাংশ দগ্ধ ছিল।
গত সোমবার (১১ মে) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ফতুল্লার শিবু মার্কেট সংলগ্ন কুতুবপুর লাকিবাজার এলাকার একটি বাড়িতে এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে একই পরিবারের বাবা ও তিন ছেলে দগ্ধ হন। বর্তমানে আব্দুল কাদেরের বাকি দুই ছেলে মেহেদী (১৭) ও সাকিব (১৬) আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাদের মধ্যে মেহেদীর ১৮ শতাংশ ও সাকিবের ১৭ শতাংশ শরীর পুড়ে গেছে।
নিহত রাকিব পেশায় একজন চটপটি বিক্রেতা ছিল। তার বাবা আব্দুল কাদের ছিলেন অটোরিকশাচালক। তাদের গ্রামের বাড়ি চাঁদপুরের মতলব উপজেলায়।
ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের ধারণা, রান্নার গ্যাসের লাইনের লিকেজ থেকে ঘরে গ্যাস জমা হয়ে এই বিস্ফোরণ ঘটেছে। বিস্ফোরণের সময় ঘরের দরজা ও জানালা ভেঙে চুরমার হয়ে যায়। ঘটনার সময় আব্দুল কাদেরের স্ত্রী রান্নার পানি আনতে ঘরের বাইরে থাকায় তিনি প্রাণে বেঁচে যান।
বাবার পর চলে গেল ছেলে রাকিবও
-
ডেস্ক : - আপডেট সময় এক ঘন্টা আগে
- ০ বার পড়া হয়েছে
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ





















