ঢাকা , সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

১১ দলীয় ঐক্য জোটের বিক্ষোভ মিছিল

  • ডেস্ক :
  • আপডেট সময় এক ঘন্টা আগে
  • ০ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ জেলা আমীর মুহাম্মদ মমিনুল হক সরকার বলেছেন, জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে অর্জিত গণতান্ত্রিক অভিযাত্রাকে অস্বীকার করে সরকার এক দলীয় দুঃশাসনের দিকে ধাবিত হচ্ছে। দেশের সত্তর ভাগ মানুষ গণভোটের মাধ্যমে জুলাই সনদের পক্ষে রায় দিয়েছে, অথচ ক্ষমতাসীন বি এন পি সরকার জনগণের ইচ্ছা আকাঙ্খার বিপরীতে অবস্থান নিয়েছে।
১২ এপ্রিল রোববার বিকালে ১১ দলীয় ঐক্য জোট নারায়ণগঞ্জ জেলার উদ্যোগে আয়োজিত দেশব্যাপী বিক্ষোভ সমাবেশে এ কথা বলেন।
নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁয়ের কাঁচপুরে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশ অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জাতীয় নাগরিক পার্টি এন সিপির নারায়ণগঞ্জ জেলা আহ্বায়ক জুবায়ের সরদার, এ বি পার্টির নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর আহ্বায়ক মো. শাহজাহান বেপারী, জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ জেলা সেক্রেটারী মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস নারায়ণগঞ্জ জেলা সেক্রেটারী মাওলানা এমদাদুল্লাহ, এন সিপি নারায়ণগঞ্জ জেলার সদস্য সচিব জুবায়ের আহমদ তামজিদ, খেলাফত মজলিস নারায়ণগঞ্জ জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতী আবদুল গণি, জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ জেলার সহকারী সেক্রেটারী আবু সাঈদ মুন্না প্রমূখ।
সমাবেশে ১১ দলীয় নেতৃবৃন্দ বলেন, দীর্ঘ সতেরো বছরের ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের নিগর ভেঙে জনতার যে তুমুল আন্দোলন তৈরী হয়েছিল তার সমাপ্তি হয়েছিল জুলাই বিপ্লবের মাধমে। জুলাই বিপ্লব কোনো দল বা ব্যক্তির এজেন্ডা ছিলো না। এটা ছিল বাংলাদেশের বাংলাদেশর আপামর জনতার মুক্তির আন্দোলন। যে আন্দোলনের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষ এক নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে। প্রায় দুই হাজার শহীদ আর ত্রিশ হাজার মানুষের অঙ্গাহানির বিনিময়ে আমরা জুলাই পেয়েছি। জুলাইয়ের চেতনা ছিল আর কোনো ফ্যাসিবাদী দুঃশাসন বাংলাদেশে কায়েম হবে না। সংবিধানের দোহাই দিয়ে কেউ ব্যক্তিতন্ত্র, পরিবারতন্ত্র আর ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে পারবে না। কিন্তু ক্ষমতাসীন বিএনপি অতীতের ফ্যাসিবাদী আমলের মতো সংবিধানের দোহাই দিয়ে বাংলাদেশকে আবার পেছনের দিকে ফিরিয়ে নিতে চায়।
বক্তাগণ বলেন, আমরা জান দেবো তবু জুলাই দেবো না। জুলাইয়ের চেতনাকে সমুন্নত রেখে ফ্যাসিবাদী কাঠামো ভেঙে নতুন বাংলাদেশ গড়তে প্রয়োজনে জনতা আবার রাজপথে নামতে বাধ্য হবে। বাহাত্তরের সংবিধান সংস্কারের জন্য সংবিধান সংস্কার পরিষদের সভা আহ্বান, দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ চালুসহ গুম প্রতিরোধ অধ্যাদেশ, মানবাধিকার অধ্যাদেশসহ জুলাই সনদের সব অধ্যাদেশ অবিলমম্বে কার্যকর করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বা জানান।
তারা বলেন, জ্বালানী তেল নিয়ে সরকার একদিকে বলছে কোনো সংকট নেই, অপরদিকে তেল সংকটে যাতায়াত, যোগাযোগ ব্যবস্থা, শিল্প এবং বাণিজ্য ক্ষেত্রে যে অস্থিরতা তৈরী হয়েছে তা দূর করতে সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলোকে নিয়ে কমিটি করে অতি দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
সমাবেশ শেষে এক বিশাল মিছিল বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

১১ দলীয় ঐক্য জোটের বিক্ষোভ মিছিল

আপডেট সময় এক ঘন্টা আগে

স্টাফ রিপোর্টার
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ জেলা আমীর মুহাম্মদ মমিনুল হক সরকার বলেছেন, জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে অর্জিত গণতান্ত্রিক অভিযাত্রাকে অস্বীকার করে সরকার এক দলীয় দুঃশাসনের দিকে ধাবিত হচ্ছে। দেশের সত্তর ভাগ মানুষ গণভোটের মাধ্যমে জুলাই সনদের পক্ষে রায় দিয়েছে, অথচ ক্ষমতাসীন বি এন পি সরকার জনগণের ইচ্ছা আকাঙ্খার বিপরীতে অবস্থান নিয়েছে।
১২ এপ্রিল রোববার বিকালে ১১ দলীয় ঐক্য জোট নারায়ণগঞ্জ জেলার উদ্যোগে আয়োজিত দেশব্যাপী বিক্ষোভ সমাবেশে এ কথা বলেন।
নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁয়ের কাঁচপুরে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশ অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জাতীয় নাগরিক পার্টি এন সিপির নারায়ণগঞ্জ জেলা আহ্বায়ক জুবায়ের সরদার, এ বি পার্টির নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর আহ্বায়ক মো. শাহজাহান বেপারী, জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ জেলা সেক্রেটারী মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস নারায়ণগঞ্জ জেলা সেক্রেটারী মাওলানা এমদাদুল্লাহ, এন সিপি নারায়ণগঞ্জ জেলার সদস্য সচিব জুবায়ের আহমদ তামজিদ, খেলাফত মজলিস নারায়ণগঞ্জ জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতী আবদুল গণি, জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ জেলার সহকারী সেক্রেটারী আবু সাঈদ মুন্না প্রমূখ।
সমাবেশে ১১ দলীয় নেতৃবৃন্দ বলেন, দীর্ঘ সতেরো বছরের ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের নিগর ভেঙে জনতার যে তুমুল আন্দোলন তৈরী হয়েছিল তার সমাপ্তি হয়েছিল জুলাই বিপ্লবের মাধমে। জুলাই বিপ্লব কোনো দল বা ব্যক্তির এজেন্ডা ছিলো না। এটা ছিল বাংলাদেশের বাংলাদেশর আপামর জনতার মুক্তির আন্দোলন। যে আন্দোলনের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষ এক নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে। প্রায় দুই হাজার শহীদ আর ত্রিশ হাজার মানুষের অঙ্গাহানির বিনিময়ে আমরা জুলাই পেয়েছি। জুলাইয়ের চেতনা ছিল আর কোনো ফ্যাসিবাদী দুঃশাসন বাংলাদেশে কায়েম হবে না। সংবিধানের দোহাই দিয়ে কেউ ব্যক্তিতন্ত্র, পরিবারতন্ত্র আর ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে পারবে না। কিন্তু ক্ষমতাসীন বিএনপি অতীতের ফ্যাসিবাদী আমলের মতো সংবিধানের দোহাই দিয়ে বাংলাদেশকে আবার পেছনের দিকে ফিরিয়ে নিতে চায়।
বক্তাগণ বলেন, আমরা জান দেবো তবু জুলাই দেবো না। জুলাইয়ের চেতনাকে সমুন্নত রেখে ফ্যাসিবাদী কাঠামো ভেঙে নতুন বাংলাদেশ গড়তে প্রয়োজনে জনতা আবার রাজপথে নামতে বাধ্য হবে। বাহাত্তরের সংবিধান সংস্কারের জন্য সংবিধান সংস্কার পরিষদের সভা আহ্বান, দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ চালুসহ গুম প্রতিরোধ অধ্যাদেশ, মানবাধিকার অধ্যাদেশসহ জুলাই সনদের সব অধ্যাদেশ অবিলমম্বে কার্যকর করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বা জানান।
তারা বলেন, জ্বালানী তেল নিয়ে সরকার একদিকে বলছে কোনো সংকট নেই, অপরদিকে তেল সংকটে যাতায়াত, যোগাযোগ ব্যবস্থা, শিল্প এবং বাণিজ্য ক্ষেত্রে যে অস্থিরতা তৈরী হয়েছে তা দূর করতে সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলোকে নিয়ে কমিটি করে অতি দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
সমাবেশ শেষে এক বিশাল মিছিল বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।