ঢাকা , শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এক সেতুর আশায় দশক পার

  • ডেস্ক :
  • আপডেট সময় ৫ ঘন্টা আগে
  • ১ বার পড়া হয়েছে

সোজাসাপটা রিপোর্ট
বাজেট পাস হয়ে যাওয়ার পরও নানা জটিলতায় নির্মাণ কাজ আটকে ছিল অন্তত ৬ বছর। দীর্ঘ সময় পর কাজ শুরু হলেও তা এগোচ্ছে ঢিমেতালে। ফলে স্থানীয় লোকজনের ভোগান্তি কমেনি, বেড়েছে হতাশাও।
বলছিলাম, নারায়ণগঞ্জ শহর ও বন্দরের বাসিন্দাদের বহুল প্রতিক্ষিত শীতলক্ষ্যা নদীর উপর কদমরসুল সেতু প্রকল্পের কথা।
প্রাচ্যের ডান্ডিখ্যাত নারায়ণগঞ্জ জেলার সদর ও বন্দর উপজেলাকে বিভক্ত করেছে শীতলক্ষ্যা নদী। এ দুই জনপদকে যুক্ত করতে ২০১৬ সালে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের তৎকালীন মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী শীতলক্ষ্যার উপর ১৩৮৫ মিটার দীর্ঘ একটি সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেন। বন্দর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী কদমরসুল দরগাহের নামে এ সেতুটির নামকরণও করা হয়। ২০১৮ সালে ৫৯০ কোটি টাকা বাজেটও পাস হয়।
এটি সদর উপজেলার ৫ নম্বর গুদারাঘাট থেকে বন্দর উপজেলার একরামপুর পর্যন্ত সংযোগ স্থাপন করবে, যেখানে যাতায়াতে সময় লাগবে মাত্র দুই মিনিট। কিন্তু সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জমি সংক্রান্ত জটিলতা কাটিয়ে এ সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে। ততদিনে প্রকল্প ব্যয় বেড়ে দাঁড়ায় ৭৩৫ কোটি ১৮ লাখ টাকায়।
কিন্তু কাজ শুরু হলেও তা মন্থর গতিতে চলছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
সদর উপজেলার ৫ নম্বর ঘাট এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, সেতুর পশ্চিমাংশে পাইলিংয়ের কাজ করছিলেন কয়েকজন শ্রমিক। পাশে সারিবদ্ধভাবে রাখা লোহার রডের তৈরি যন্ত্রাংশ ও স্টিলের খুটিতে মরিচা পড়ে গেছে। নির্মাণকাজের জন্য আনা ভারী ক্রেনগুলোও অলস পড়ে থাকতে দেখা যায়।
একই চিত্র প্রকল্প এলাকার পূর্বাংশেও। সেখানে পাইলিংয়ের মেশিনটি ছিল বন্ধ, শ্রমিকদের মধ্যেও ছিল না কর্মব্যস্ত কোনো অভিব্যক্তি।
তবে কর্মরত শ্রমিকরা জানিয়েছেন, প্রথমদিকে কাজের গতি ভালো ছিল, কিছু সমস্যা থাকার কারণে কয়েকদিন বন্ধ থাকার পর আবার পুনরায় চালু হয়েছে। তবে এখন দুপুরের খাবারের সময় হওয়াতে কাজ বন্ধ আছে।
যদিও স্থানীয়দের অভিযোগ, এটি নিয়মিত চিত্র। কাজ কখনো চলে, আবার দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকে।
বন্দর এলাকার বাসিন্দা ফিরোজা বেগম বলেন, “এই চলে, এই বন্ধ থাকে। প্রায় দুই মাস বন্ধ ছিল এই কাজ।”
একই এলাকার মুদি দোকানি নাজিম উদ্দীন ভূইয়া বলেন, “শুরুর দিকে কাজের গতি ঠিকই ছিল, কিন্তু ঈদের পর কাজ বন্ধ হয়ে যায়। পরে আবার অনেক দিন পর চালু হয়েছে।”
গত মার্চ মাস থেকে চলতি মাসের ২ তারিখ পর্যন্ত এক মাসেরও বেশি সময় নির্মাণকাজ বন্ধ থাকতে দেখতে পান নাজিম। কৌতুহল থেকে শ্রমিকদের কাছে জানতে চাইলে তারা মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেলের সংকটের অজুহাত দেন বলেও জানান বন্দরের এ বাসিন্দা।
নাজিমের এ ভাষ্যের সত্যতা মেলে প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলার পর। কদমরসুল সেতু নির্মাণ প্রকল্পের সমন্বয়ক (কো-অর্ডিনেটর) রাকিবুল হাসান বলেন, “ঈদের আগে আমরা বন্দর অংশে ৩২টি পাইলের কাজ শেষ করেছি। ঈদের ছুটির পর দ্রুত কাজ শুরু করার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু তেলের সংকটের কারণে কাজ চালিয়ে যেতে পারিনি। আমাদের কাজ মূলত জ্বালানিনির্ভর- মেশিনগুলো তেলের মাধ্যমে চলে।”
“তেল না থাকলে কাজ করা সম্ভব নয়। তবে এখন তেলের সংকট কেটে গেছে, দ্রুতগতিতে কাজ এগিয়ে নেওয়া হবে,” যোগ করেন তিনি।
সেতুর কাজে আর কোনো প্রতিবন্ধকতা আছে কিনা জানতে চাইলে রাকিবুল বলেন, “যেকোনো বড় প্রকল্পেই কিছু সমস্যা থাকে। আশা করি, আমরা সফলভাবে কাজটি সম্পন্ন করতে পারবো।”
তবে, এ প্রকল্পের বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের নারায়ণগঞ্জ কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আহসানুজ্জামান বলছেন, প্রকল্পের কাজ অর্ধেক ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়ে গেছে। এক বছরের মধ্যে এ সেতুর দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যাবে বলেও দাবি তার।
আহসানুজ্জামান বলেন, “নির্মাণসামগ্রী আনা-নেওয়া, তেলের সংকট এবং রড সরবরাহে কিছু সমস্যা ছিল। প্রায় ১০-১৫ দিনের মতো সাময়িক বিঘ্ন ঘটেছিল। কিন্তু সেতুর প্রায় ১৫ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং দুই প্রান্তে মোট ৩৫টি পাইল বসানো হয়েছে। আগামী বছর সেতুটির দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যাবে।”
সেতুটি নির্মিত হলে এর সুফল নিয়ে আশাবাদী স্থানীয়রা। কাঁচামাল ব্যবসায়ী মো. সিরাজ বলেন, “এই সেতু হলে আমরা খুব সহজে ও দ্রুত সময়ের মধ্যে শহর থেকে মালামাল আনতে পারবো। এতে খরচ ও ভোগান্তি কমবে।”
একই এলাকার আবুল হাশেম মৃধা বলেন, “কাঁচপুর ও কয়লাঘাট সেতু আমাদের তেমন কাজে আসে না। কদমরসুল সেতু হলে ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ হবে এবং দুই পাড়ের মানুষের দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষা পূরণ হবে।”
স্থানীয় বাসিন্দারা আশা করছেন, আগামী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে সেতুর কাজ শেষ হবে। তাদের মতে, সেতুটি চালু হলে দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘব হবে। বর্তমানে বর্ষা মৌসুমে ঝড়-বৃষ্টি ও তুফানের মধ্যে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নদী পারাপার করতে হয়। নৌ-দুর্ঘটনাও একটি বড় উদ্বেগের বিষয়।
প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের তথ্যমতে, এটি একটি আধুনিক ক্যাবল-স্টেইড সেতু হিসেবে নির্মিত হবে। এর মধ্যবর্তী একক স্প্যান হবে ২২০ মিটার, যা দেশে নির্মিত সর্বোচ্চ দৈর্ঘ্যের সিঙ্গেল স্প্যান হিসেবে বিবেচিত হবে। স্টিল ও কংক্রিটের সমন্বয়ে নির্মিত এ সেতুটি হবে দৃষ্টিনন্দন ও আধুনিক স্থাপত্যশৈলীর একটি নিদর্শন।
সব মিলিয়ে, কদমরসুল সেতু শুধু একটি অবকাঠামো নয়, এটি দুই পাড়ের মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন। তাই স্থানীয়দের একটাই দাবি- কাজের গতি বাড়িয়ে দ্রুত সেতুটির নির্মাণ সম্পন্ন করা হোক।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

এক সেতুর আশায় দশক পার

আপডেট সময় ৫ ঘন্টা আগে

সোজাসাপটা রিপোর্ট
বাজেট পাস হয়ে যাওয়ার পরও নানা জটিলতায় নির্মাণ কাজ আটকে ছিল অন্তত ৬ বছর। দীর্ঘ সময় পর কাজ শুরু হলেও তা এগোচ্ছে ঢিমেতালে। ফলে স্থানীয় লোকজনের ভোগান্তি কমেনি, বেড়েছে হতাশাও।
বলছিলাম, নারায়ণগঞ্জ শহর ও বন্দরের বাসিন্দাদের বহুল প্রতিক্ষিত শীতলক্ষ্যা নদীর উপর কদমরসুল সেতু প্রকল্পের কথা।
প্রাচ্যের ডান্ডিখ্যাত নারায়ণগঞ্জ জেলার সদর ও বন্দর উপজেলাকে বিভক্ত করেছে শীতলক্ষ্যা নদী। এ দুই জনপদকে যুক্ত করতে ২০১৬ সালে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের তৎকালীন মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী শীতলক্ষ্যার উপর ১৩৮৫ মিটার দীর্ঘ একটি সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেন। বন্দর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী কদমরসুল দরগাহের নামে এ সেতুটির নামকরণও করা হয়। ২০১৮ সালে ৫৯০ কোটি টাকা বাজেটও পাস হয়।
এটি সদর উপজেলার ৫ নম্বর গুদারাঘাট থেকে বন্দর উপজেলার একরামপুর পর্যন্ত সংযোগ স্থাপন করবে, যেখানে যাতায়াতে সময় লাগবে মাত্র দুই মিনিট। কিন্তু সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জমি সংক্রান্ত জটিলতা কাটিয়ে এ সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে। ততদিনে প্রকল্প ব্যয় বেড়ে দাঁড়ায় ৭৩৫ কোটি ১৮ লাখ টাকায়।
কিন্তু কাজ শুরু হলেও তা মন্থর গতিতে চলছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
সদর উপজেলার ৫ নম্বর ঘাট এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, সেতুর পশ্চিমাংশে পাইলিংয়ের কাজ করছিলেন কয়েকজন শ্রমিক। পাশে সারিবদ্ধভাবে রাখা লোহার রডের তৈরি যন্ত্রাংশ ও স্টিলের খুটিতে মরিচা পড়ে গেছে। নির্মাণকাজের জন্য আনা ভারী ক্রেনগুলোও অলস পড়ে থাকতে দেখা যায়।
একই চিত্র প্রকল্প এলাকার পূর্বাংশেও। সেখানে পাইলিংয়ের মেশিনটি ছিল বন্ধ, শ্রমিকদের মধ্যেও ছিল না কর্মব্যস্ত কোনো অভিব্যক্তি।
তবে কর্মরত শ্রমিকরা জানিয়েছেন, প্রথমদিকে কাজের গতি ভালো ছিল, কিছু সমস্যা থাকার কারণে কয়েকদিন বন্ধ থাকার পর আবার পুনরায় চালু হয়েছে। তবে এখন দুপুরের খাবারের সময় হওয়াতে কাজ বন্ধ আছে।
যদিও স্থানীয়দের অভিযোগ, এটি নিয়মিত চিত্র। কাজ কখনো চলে, আবার দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকে।
বন্দর এলাকার বাসিন্দা ফিরোজা বেগম বলেন, “এই চলে, এই বন্ধ থাকে। প্রায় দুই মাস বন্ধ ছিল এই কাজ।”
একই এলাকার মুদি দোকানি নাজিম উদ্দীন ভূইয়া বলেন, “শুরুর দিকে কাজের গতি ঠিকই ছিল, কিন্তু ঈদের পর কাজ বন্ধ হয়ে যায়। পরে আবার অনেক দিন পর চালু হয়েছে।”
গত মার্চ মাস থেকে চলতি মাসের ২ তারিখ পর্যন্ত এক মাসেরও বেশি সময় নির্মাণকাজ বন্ধ থাকতে দেখতে পান নাজিম। কৌতুহল থেকে শ্রমিকদের কাছে জানতে চাইলে তারা মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেলের সংকটের অজুহাত দেন বলেও জানান বন্দরের এ বাসিন্দা।
নাজিমের এ ভাষ্যের সত্যতা মেলে প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলার পর। কদমরসুল সেতু নির্মাণ প্রকল্পের সমন্বয়ক (কো-অর্ডিনেটর) রাকিবুল হাসান বলেন, “ঈদের আগে আমরা বন্দর অংশে ৩২টি পাইলের কাজ শেষ করেছি। ঈদের ছুটির পর দ্রুত কাজ শুরু করার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু তেলের সংকটের কারণে কাজ চালিয়ে যেতে পারিনি। আমাদের কাজ মূলত জ্বালানিনির্ভর- মেশিনগুলো তেলের মাধ্যমে চলে।”
“তেল না থাকলে কাজ করা সম্ভব নয়। তবে এখন তেলের সংকট কেটে গেছে, দ্রুতগতিতে কাজ এগিয়ে নেওয়া হবে,” যোগ করেন তিনি।
সেতুর কাজে আর কোনো প্রতিবন্ধকতা আছে কিনা জানতে চাইলে রাকিবুল বলেন, “যেকোনো বড় প্রকল্পেই কিছু সমস্যা থাকে। আশা করি, আমরা সফলভাবে কাজটি সম্পন্ন করতে পারবো।”
তবে, এ প্রকল্পের বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের নারায়ণগঞ্জ কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আহসানুজ্জামান বলছেন, প্রকল্পের কাজ অর্ধেক ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়ে গেছে। এক বছরের মধ্যে এ সেতুর দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যাবে বলেও দাবি তার।
আহসানুজ্জামান বলেন, “নির্মাণসামগ্রী আনা-নেওয়া, তেলের সংকট এবং রড সরবরাহে কিছু সমস্যা ছিল। প্রায় ১০-১৫ দিনের মতো সাময়িক বিঘ্ন ঘটেছিল। কিন্তু সেতুর প্রায় ১৫ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং দুই প্রান্তে মোট ৩৫টি পাইল বসানো হয়েছে। আগামী বছর সেতুটির দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যাবে।”
সেতুটি নির্মিত হলে এর সুফল নিয়ে আশাবাদী স্থানীয়রা। কাঁচামাল ব্যবসায়ী মো. সিরাজ বলেন, “এই সেতু হলে আমরা খুব সহজে ও দ্রুত সময়ের মধ্যে শহর থেকে মালামাল আনতে পারবো। এতে খরচ ও ভোগান্তি কমবে।”
একই এলাকার আবুল হাশেম মৃধা বলেন, “কাঁচপুর ও কয়লাঘাট সেতু আমাদের তেমন কাজে আসে না। কদমরসুল সেতু হলে ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ হবে এবং দুই পাড়ের মানুষের দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষা পূরণ হবে।”
স্থানীয় বাসিন্দারা আশা করছেন, আগামী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে সেতুর কাজ শেষ হবে। তাদের মতে, সেতুটি চালু হলে দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘব হবে। বর্তমানে বর্ষা মৌসুমে ঝড়-বৃষ্টি ও তুফানের মধ্যে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নদী পারাপার করতে হয়। নৌ-দুর্ঘটনাও একটি বড় উদ্বেগের বিষয়।
প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের তথ্যমতে, এটি একটি আধুনিক ক্যাবল-স্টেইড সেতু হিসেবে নির্মিত হবে। এর মধ্যবর্তী একক স্প্যান হবে ২২০ মিটার, যা দেশে নির্মিত সর্বোচ্চ দৈর্ঘ্যের সিঙ্গেল স্প্যান হিসেবে বিবেচিত হবে। স্টিল ও কংক্রিটের সমন্বয়ে নির্মিত এ সেতুটি হবে দৃষ্টিনন্দন ও আধুনিক স্থাপত্যশৈলীর একটি নিদর্শন।
সব মিলিয়ে, কদমরসুল সেতু শুধু একটি অবকাঠামো নয়, এটি দুই পাড়ের মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন। তাই স্থানীয়দের একটাই দাবি- কাজের গতি বাড়িয়ে দ্রুত সেতুটির নির্মাণ সম্পন্ন করা হোক।