ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লোডশেডিংয়ের তথ্য লুকাচ্ছে বিদ্যুৎ সংস্থা

  • ডেস্ক :
  • আপডেট সময় ১১:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

সোজাসাপটা রিপোর্ট
গরমের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বিদ্যুতের লোডশেডিং। চাহিদার তুলনায় বিদ্যুতের উৎপাদন কম হওয়ায় ভোগান্তি বাড়ছে। শহরাঞ্চলে কিছুটা সহনীয় হলেও গ্রামে গড়ে ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকছে না। কিন্তু সরকারি তথ্যে এই ভোগান্তির চিত্র উঠে আসছে না। বরং লোডশেডিং নিয়ে কারচুপি করছে বিদ্যুতের সংস্থাগুলো। চাহিদা কমিয়ে লোডশেডিং কম দেখানো হচ্ছে।
এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত এই তিন মাস দেশে গরম যেমন বাড়ে, তেমনি বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ে। তবে এবার জ্বালানি সংকটসহ নানা কারণে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে। তাপমাত্রা না কমলে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার তেমন কোনো আশা নেই। তবে আবহাওয়াবিদরা ইঙ্গিত দিয়েছেন, এপ্রিল থেকে জুন মাসের মাঝে মোট ছয় থেকে আটটি তাপপ্রবাহ হতে পারে এবং এর মাঝে তিন থেকে চারটি হতে পারে তীব্র তাপপ্রবাহ।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সংকট তৈরি হওয়ার পর বিদ্যুৎ ও জ্বালানির সাশ্রয় রোধে অফিস সময় কমানো, শপিংমল দ্রুত বন্ধ করাসহ নানা প্রচেষ্টা শুরু করেছে সরকার। কিন্তু লোডশেডিং পরিস্থিতির কারণে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে– সেসব ব্যবস্থা কতটা কাজে লাগছে। যদিও এ সংকট কাটাতে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড। সংস্থাটি বলছে, জ্বালানি সংকটের পাশাপাশি যান্ত্রিক ত্রুটি ও রক্ষণাবেক্ষণের কারণে কয়েকটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন কমেছে। কয়লা সরবরাহ বাড়িয়ে এবং কেন্দ্রগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ শেষে দ্রুতই পুরোদমে উৎপাদন শুরুর চেষ্টা করছে সরকার।
এদিকে বিগত সময়ের বকেয়া আদায়ে সরকারকে চাপ দিচ্ছে বেসরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মালিকরা। একই সঙ্গে ভারতীয় প্রতিষ্ঠান আদানি তাদের পুরোনো পাওনা পরিশোধে তাগিদ দিয়ে পিডিবিকে চিঠি দিয়েছে। সময়মতো বকেয়া পরিশোধ করা না হলে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্নিত হতে পারে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছে তারা।
দেশে অবস্থিত ১৩৯টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মোট উৎপাদন ক্ষমতা ২৯ হাজার ২৬৯ মেগাওয়াট। যদিও বছরের পুরোটা সময় এ সক্ষমতার অর্ধেক অলস বসে থাকে। দেশে অবস্থিত বিদ্যুৎকেন্দ্রের ৮৮ শতাংশ তেল, গ্যাস ও কয়লানির্ভর। তবে বর্তমানে জ্বালানি সংকটে ১৮টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন সম্পূর্ণ বন্ধ। এর মধ্যে গ্যাসভিত্তিক কেন্দ্র ১০টি ও তেলভিত্তিক কেন্দ্র ৮টি। এ ছাড়া ১৩৯টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মধ্যে উৎপাদন কমে গেছে ৩৫টি কেন্দ্রের। এর মধ্যে গ্যাসভিত্তিক ৯টি, তেলভিত্তিক ২৪টি ও কয়লাচালিত কেন্দ্র ২টি।
এবারের গ্রীষ্মে দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ১৮ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে পিডিবি প্রক্ষেপণ করেছে। বর্তমানে গড়ে চাহিদা ১৫ থেকে সাড়ে ১৬ হাজার মেগাওয়াট। এই চাহিদার বিপরীতে গড়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে ১৪-১৫ হাজার মেগাওয়াট।
লোডশেডিংয়ে লুকোচুরি
পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি (পিজিসিবি) প্রতি ঘণ্টায় বিদ্যুতের চাহিদা, উৎপাদন, সরবরাহ চিত্র তুলে ধরে। সংস্থার ওয়েবসাইটের তথ্য অনুসারে গত সোমবার সর্বোচ্চ লোডশেডিং ছিল এক হাজার ৯১২ মেগাওয়াট। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) তথ্য অনুসারে সোমবার রাত ৯টায় লোডশেডিং ছিল ১ হাজার ১৯৬ মেগাওয়াট। কিন্তু বিতরণ কোম্পানির তথ্য বলেছে ভিন্ন কথা। দেশের সবচেয়ে বেশি গ্রাহক পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (আরইবি)। সোমবার সন্ধ্যা ৭টায় সংস্থাটি চাহিদার চেয়ে ২ হাজার ৮৯৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কম পেয়েছিল। এর বাইরে আরও ৬টি বিতরণ সংস্থা রয়েছে। তবে ঢাকার দুই বিতরণ কোম্পানি ডেসকো এবং ডিপিডিসিকে চাহিদা অনুসারে বেশি বরাদ্দ দেওয়া হয়, যাতে লোডশেডিং কম হয়।
যদিও আরইবির তথ্য ওয়েবসাইটে থাকে না। তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, আরইবির সোমবার দুপুর ১২টায় লোডশেডিং ছিল ১ হাজার ৫১০ মেগাওয়াট, সেখানে পিজিসিবির তথ্যমতে, ঘাটতি ৯৮৯ মেগাওয়াট। বিকেল ৩টায় আরইবি বিদ্যুৎ কম পেয়েছে ২ হাজার ২১৮ মেগাওয়াট। সেখানে পিজিসিবির মতে লোডশেডিং ছিল এক হাজার ৪০২ মেগাওয়াট। সন্ধ্যা ৬টায় আরইবিকে ২ হাজার ৩৯ মেগাওয়াট লোডশেডিং করতে হয়। পিজিসিবির তথ্য বলছে, তখন বিদ্যুতের ঘাটতি ছিল ১ হাজার ৩৩৯ মেগাওয়াট। রাত ৮টায় পল্লী বিদ্যুতের লোডশেডিং ছিল ২৩ হাজার ৪১৪ মেগাওয়াট। একই সময়ে পিজিসিবি ঘাটতি দেখিয়েছে ১ হাজার ২১০ মেগাওয়াট। রাত ৯টায় আরইবির মতে, লোডশেডিং হয়েছে ২ হাজার ২৬৫ মেগাওয়াট। পিজিসিবি দেখিয়েছে ১ হাজার ১৯৬ মেগাওয়াট।
পিডিবির সদস্য (উৎপাদন) মো. জহুরুল ইসলাম বলেন, জ্বালানি সংকটের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রভাব পড়ছে। তবে আমরা আশা করছি, লোডশেডিং বড় আকারে হবে না। গ্যাস ও কয়লাভিত্তিক কেন্দ্রের উৎপাদন বাড়ানো হচ্ছে। তবে ফার্নেস অয়েলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় তেলভিত্তিক উৎপাদন খরচ বেড়ে গেছে। তাই আপাতত সেখান থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন নির্দিষ্ট পরিমাণে করা হচ্ছে। লোডশেডিংয়ের তথ্যে গরমিল বিষয়ে তিনি মন্তব্য করতে চাননি।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. ম. তামিম বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য ফার্নেস অয়েল প্রয়োজন। সেটির একটি সংকট আছে। এ ছাড়াও গ্যাসসহ জ্বালানি সংকট রয়ছে। যার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। এবার যদি গরম বাড়ে, তাহলে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি বেশি খারাপের দিকে যেতে পারে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

লোডশেডিংয়ের তথ্য লুকাচ্ছে বিদ্যুৎ সংস্থা

আপডেট সময় ১১:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

সোজাসাপটা রিপোর্ট
গরমের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বিদ্যুতের লোডশেডিং। চাহিদার তুলনায় বিদ্যুতের উৎপাদন কম হওয়ায় ভোগান্তি বাড়ছে। শহরাঞ্চলে কিছুটা সহনীয় হলেও গ্রামে গড়ে ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকছে না। কিন্তু সরকারি তথ্যে এই ভোগান্তির চিত্র উঠে আসছে না। বরং লোডশেডিং নিয়ে কারচুপি করছে বিদ্যুতের সংস্থাগুলো। চাহিদা কমিয়ে লোডশেডিং কম দেখানো হচ্ছে।
এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত এই তিন মাস দেশে গরম যেমন বাড়ে, তেমনি বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ে। তবে এবার জ্বালানি সংকটসহ নানা কারণে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে। তাপমাত্রা না কমলে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার তেমন কোনো আশা নেই। তবে আবহাওয়াবিদরা ইঙ্গিত দিয়েছেন, এপ্রিল থেকে জুন মাসের মাঝে মোট ছয় থেকে আটটি তাপপ্রবাহ হতে পারে এবং এর মাঝে তিন থেকে চারটি হতে পারে তীব্র তাপপ্রবাহ।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সংকট তৈরি হওয়ার পর বিদ্যুৎ ও জ্বালানির সাশ্রয় রোধে অফিস সময় কমানো, শপিংমল দ্রুত বন্ধ করাসহ নানা প্রচেষ্টা শুরু করেছে সরকার। কিন্তু লোডশেডিং পরিস্থিতির কারণে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে– সেসব ব্যবস্থা কতটা কাজে লাগছে। যদিও এ সংকট কাটাতে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড। সংস্থাটি বলছে, জ্বালানি সংকটের পাশাপাশি যান্ত্রিক ত্রুটি ও রক্ষণাবেক্ষণের কারণে কয়েকটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন কমেছে। কয়লা সরবরাহ বাড়িয়ে এবং কেন্দ্রগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ শেষে দ্রুতই পুরোদমে উৎপাদন শুরুর চেষ্টা করছে সরকার।
এদিকে বিগত সময়ের বকেয়া আদায়ে সরকারকে চাপ দিচ্ছে বেসরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মালিকরা। একই সঙ্গে ভারতীয় প্রতিষ্ঠান আদানি তাদের পুরোনো পাওনা পরিশোধে তাগিদ দিয়ে পিডিবিকে চিঠি দিয়েছে। সময়মতো বকেয়া পরিশোধ করা না হলে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্নিত হতে পারে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছে তারা।
দেশে অবস্থিত ১৩৯টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মোট উৎপাদন ক্ষমতা ২৯ হাজার ২৬৯ মেগাওয়াট। যদিও বছরের পুরোটা সময় এ সক্ষমতার অর্ধেক অলস বসে থাকে। দেশে অবস্থিত বিদ্যুৎকেন্দ্রের ৮৮ শতাংশ তেল, গ্যাস ও কয়লানির্ভর। তবে বর্তমানে জ্বালানি সংকটে ১৮টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন সম্পূর্ণ বন্ধ। এর মধ্যে গ্যাসভিত্তিক কেন্দ্র ১০টি ও তেলভিত্তিক কেন্দ্র ৮টি। এ ছাড়া ১৩৯টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মধ্যে উৎপাদন কমে গেছে ৩৫টি কেন্দ্রের। এর মধ্যে গ্যাসভিত্তিক ৯টি, তেলভিত্তিক ২৪টি ও কয়লাচালিত কেন্দ্র ২টি।
এবারের গ্রীষ্মে দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ১৮ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে পিডিবি প্রক্ষেপণ করেছে। বর্তমানে গড়ে চাহিদা ১৫ থেকে সাড়ে ১৬ হাজার মেগাওয়াট। এই চাহিদার বিপরীতে গড়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে ১৪-১৫ হাজার মেগাওয়াট।
লোডশেডিংয়ে লুকোচুরি
পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি (পিজিসিবি) প্রতি ঘণ্টায় বিদ্যুতের চাহিদা, উৎপাদন, সরবরাহ চিত্র তুলে ধরে। সংস্থার ওয়েবসাইটের তথ্য অনুসারে গত সোমবার সর্বোচ্চ লোডশেডিং ছিল এক হাজার ৯১২ মেগাওয়াট। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) তথ্য অনুসারে সোমবার রাত ৯টায় লোডশেডিং ছিল ১ হাজার ১৯৬ মেগাওয়াট। কিন্তু বিতরণ কোম্পানির তথ্য বলেছে ভিন্ন কথা। দেশের সবচেয়ে বেশি গ্রাহক পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (আরইবি)। সোমবার সন্ধ্যা ৭টায় সংস্থাটি চাহিদার চেয়ে ২ হাজার ৮৯৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কম পেয়েছিল। এর বাইরে আরও ৬টি বিতরণ সংস্থা রয়েছে। তবে ঢাকার দুই বিতরণ কোম্পানি ডেসকো এবং ডিপিডিসিকে চাহিদা অনুসারে বেশি বরাদ্দ দেওয়া হয়, যাতে লোডশেডিং কম হয়।
যদিও আরইবির তথ্য ওয়েবসাইটে থাকে না। তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, আরইবির সোমবার দুপুর ১২টায় লোডশেডিং ছিল ১ হাজার ৫১০ মেগাওয়াট, সেখানে পিজিসিবির তথ্যমতে, ঘাটতি ৯৮৯ মেগাওয়াট। বিকেল ৩টায় আরইবি বিদ্যুৎ কম পেয়েছে ২ হাজার ২১৮ মেগাওয়াট। সেখানে পিজিসিবির মতে লোডশেডিং ছিল এক হাজার ৪০২ মেগাওয়াট। সন্ধ্যা ৬টায় আরইবিকে ২ হাজার ৩৯ মেগাওয়াট লোডশেডিং করতে হয়। পিজিসিবির তথ্য বলছে, তখন বিদ্যুতের ঘাটতি ছিল ১ হাজার ৩৩৯ মেগাওয়াট। রাত ৮টায় পল্লী বিদ্যুতের লোডশেডিং ছিল ২৩ হাজার ৪১৪ মেগাওয়াট। একই সময়ে পিজিসিবি ঘাটতি দেখিয়েছে ১ হাজার ২১০ মেগাওয়াট। রাত ৯টায় আরইবির মতে, লোডশেডিং হয়েছে ২ হাজার ২৬৫ মেগাওয়াট। পিজিসিবি দেখিয়েছে ১ হাজার ১৯৬ মেগাওয়াট।
পিডিবির সদস্য (উৎপাদন) মো. জহুরুল ইসলাম বলেন, জ্বালানি সংকটের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রভাব পড়ছে। তবে আমরা আশা করছি, লোডশেডিং বড় আকারে হবে না। গ্যাস ও কয়লাভিত্তিক কেন্দ্রের উৎপাদন বাড়ানো হচ্ছে। তবে ফার্নেস অয়েলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় তেলভিত্তিক উৎপাদন খরচ বেড়ে গেছে। তাই আপাতত সেখান থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন নির্দিষ্ট পরিমাণে করা হচ্ছে। লোডশেডিংয়ের তথ্যে গরমিল বিষয়ে তিনি মন্তব্য করতে চাননি।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. ম. তামিম বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য ফার্নেস অয়েল প্রয়োজন। সেটির একটি সংকট আছে। এ ছাড়াও গ্যাসসহ জ্বালানি সংকট রয়ছে। যার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। এবার যদি গরম বাড়ে, তাহলে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি বেশি খারাপের দিকে যেতে পারে।