ঢাকা , সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
রাসেলকে নিয়ে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ

আনু হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটিত হয়নি

  • ডেস্ক :
  • আপডেট সময় ২ ঘন্টা আগে
  • ০ বার পড়া হয়েছে

সোজাসাপটা রিপোর্ট
নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেন আনু হত্যাকাণ্ডের রহস্য এখনও উদঘাটিত হয়নি। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ফতুল্লা থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব রাসেল মাহাম্মুদকে আসামি করা হয়েছিল।
‎তবে অভিযোগ উঠেছে, একটি প্রভাবশালী কুচক্রী মহল পরিকল্পিতভাবে তাকে এই মামলায় জড়িয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছে।
‎জানা যায়, রাসেল মাহাম্মুদ বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি জড়িত। দীর্ঘদিন ধরে রাজপথের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় টানা ১৭ বছর বিএনপির ডাকা বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন তিনি। এ সময়ে হামলা, মামলা ও জেল-জুলুমসহ নানা নির্যাতনের শিকার হলেও তিনি রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়াননি।
‎অভিযোগ রয়েছে, গত ৫ আগস্টের আন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বিসিক শিল্পনগরী এলাকায় প্রভাব বিস্তার ও বিভিন্ন সেক্টর দখলকে কেন্দ্র করে একটি প্রভাবশালী মহল সক্রিয় হয়ে ওঠে। বিসিক ২নম্বর গলিতে বসবাস করার কারণে রাসেল মাহাম্মুদকে প্রতিপক্ষ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এরপর থেকেই তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র শুরু হয় বলে দাবি তার।
‎এই প্রেক্ষাপটে আনোয়ার হোসেন আনুর মৃত্যুর ঘটনায় রাসেল মাহাম্মুদকে মিথ্যা মামলা দিয়ে আসামি করা হয় এবং তাকে গ্রেপ্তারও করা হয়। তবে এতে ক্ষান্ত না হয়ে ওই মহল এখনও তার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
‎উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ২৬ আগস্ট মাসদাইর এলাকার একটি ভবনের লিফট থেকে আনোয়ার হোসেন আনুর (৪৮) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি দেওভোগ এলএন রোড এলাকার মৃত হাজী সায়েদ আলীর ছেলে এবং মাসদাইরের হেলেনা কটেজের নবম তলায় বসবাস করতেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে তিনি তার ভাই-বোনদের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িত ছিলেন।এ ঘটনায় নিহতের ভাই বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। এ মামলায় নামীয় ৮জন এবং অজ্ঞাতনামায় ৫-৬ জনকে আসামি করা হয়।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

রাসেলকে নিয়ে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ

আনু হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটিত হয়নি

আপডেট সময় ২ ঘন্টা আগে

সোজাসাপটা রিপোর্ট
নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেন আনু হত্যাকাণ্ডের রহস্য এখনও উদঘাটিত হয়নি। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ফতুল্লা থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব রাসেল মাহাম্মুদকে আসামি করা হয়েছিল।
‎তবে অভিযোগ উঠেছে, একটি প্রভাবশালী কুচক্রী মহল পরিকল্পিতভাবে তাকে এই মামলায় জড়িয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছে।
‎জানা যায়, রাসেল মাহাম্মুদ বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি জড়িত। দীর্ঘদিন ধরে রাজপথের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় টানা ১৭ বছর বিএনপির ডাকা বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন তিনি। এ সময়ে হামলা, মামলা ও জেল-জুলুমসহ নানা নির্যাতনের শিকার হলেও তিনি রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়াননি।
‎অভিযোগ রয়েছে, গত ৫ আগস্টের আন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বিসিক শিল্পনগরী এলাকায় প্রভাব বিস্তার ও বিভিন্ন সেক্টর দখলকে কেন্দ্র করে একটি প্রভাবশালী মহল সক্রিয় হয়ে ওঠে। বিসিক ২নম্বর গলিতে বসবাস করার কারণে রাসেল মাহাম্মুদকে প্রতিপক্ষ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এরপর থেকেই তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র শুরু হয় বলে দাবি তার।
‎এই প্রেক্ষাপটে আনোয়ার হোসেন আনুর মৃত্যুর ঘটনায় রাসেল মাহাম্মুদকে মিথ্যা মামলা দিয়ে আসামি করা হয় এবং তাকে গ্রেপ্তারও করা হয়। তবে এতে ক্ষান্ত না হয়ে ওই মহল এখনও তার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
‎উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ২৬ আগস্ট মাসদাইর এলাকার একটি ভবনের লিফট থেকে আনোয়ার হোসেন আনুর (৪৮) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি দেওভোগ এলএন রোড এলাকার মৃত হাজী সায়েদ আলীর ছেলে এবং মাসদাইরের হেলেনা কটেজের নবম তলায় বসবাস করতেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে তিনি তার ভাই-বোনদের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িত ছিলেন।এ ঘটনায় নিহতের ভাই বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। এ মামলায় নামীয় ৮জন এবং অজ্ঞাতনামায় ৫-৬ জনকে আসামি করা হয়।