স্টাফ রিপোর্টার
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার নরসিংপুর এলাকায় পরিত্যক্ত একটি ভবন থেকে উদ্ধার হওয়া শিশু সৈকত হত্যা মামলার মূল রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ।
এ ঘটনায় মূল হোতা হিসেবে জীবন (১৫) নামের এক কিশোরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি আদালতে হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।
বুধবার (৮ এপ্রিল) নারায়ণগঞ্জের জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট প্রথম আদালতে সিনিয়র জুডিসিয়াল মাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ ইয়াসির আরাফাতের আদালতে জবানবন্দি দেন আসামি জীবন।
গ্রেফতারকৃত জীবন গাইবান্ধা জেলার সদর থানার উত্তর ধানগড়ার মোঃ মমিন মিয়ার পুত্র। সে পরিবারের সাথে নরসিংপুর সামছুলের মোড়ের গণি মিয়ার বাসায় ভাড়ায় বসবাস করতো।
পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জীবনধ স্বীকার করেছে যে, শিশুটিকে ধর্ষণের পর ঘটনা আড়াল করতেই তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। পরে লাশ গোপন করতে পরিত্যক্ত বিল্ডিংয়ের ভেতরে ফেলে রাখা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত বিচার দাবি করেছেন।
ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মান্নান জানান, শিশুটিকে প্রথমে ঘটনাস্থলে বলৎকার করা হয়। তখন শিশুটি বাসায় বলে দেওয়ার কথা বললে গ্রেফতারকৃত জীবন মাথায় ইট দিয়ে আঘাত করে হত্যা করে ঘটনাস্থলে লাশ ফেলে রেখে চলে যায়। মূলত বলৎকারের ঘটনা আড়াল করতেই এই হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে। ঘটনার সঙ্গে আর কেউ জড়িত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক সামাদ জানান, ফতুল্লায় শিশু ইয়াসিন হত্যার ঘটনায় জীবন নামের কিশোর আসামি আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে। আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ডেস্ক : 



















