সোজাসাপটা রিপোর্ট
রৌদ্র ঝলমলে বৈশাখের আকাশ। ঘড়ির কাঁটায় তখন সকাল ১০টা বাজে। ক্রিসেন্ট জুটমিলের সামনের সড়কে ইজিবাইক নিয়ে যাত্রীর অপেক্ষায় জাকির খান। যাত্রী মিলছে না বলে খোশগল্প করছেন পাশে দাঁড়িয়ে থাকা আরেকটি ইজিবাইক চালকের সাথে। আলোচনার প্রসঙ্গ আবারও বন্ধ পাটকলগুলো খুলবে। তখন কর্মে ফিরবে বন্ধ ক্রিসেন্ট জুটমিলের তাঁতি জাকির।
এ সময় কথা হয় জাকিরের সাথে। অনেকটা ফুরফুরে মেজাজে জাকির বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কইছেন, দেশে বন্ধ থাকা সব কারখানা চালু করা হবে। আল্লাহ চাইলে আমাগো আবারও সুদিন আইতে পারে।
আবেগ তাড়িত হয়ে জাকির বলেন, হাসিনা সরকার আমাগো প্লেটের ভাত কাইড়া নিছে। ২০২০ সালে হঠাৎ কইরা পাটকল বন্ধ কইরা দিছে। তহন ১৫ বছর চাকরি কইরা বেকার হয়ে গেছি। দুই সন্তান স্ত্রী নিয়া কি করমু কোথায় যামু। পাটকল বন্ধ ওয়াই (হওয়ায়) সব ওলট-পালট হইয়া গেছে। অভাব-অনটনে পইরা যাই। গ্রামের বাড়ি বরিশালে না যাইয়া এই শহরেই থাইক্কা গেছি। ইজি বাইক চালাইয়া সংসার চালাচ্ছি। ক্রিসেন্ট জুটমিলের মায়া ছাড়তে না পেরে মিলের সামনেই বাসাভাড়া নিয়ে থাহি।
জাকির জানায়, পাটকাল যখন বন্ধ হয় তখনই এই মিলে স্থায়ী প্রায় ৪ হাজার শ্রমিক ছিল আর অস্থায়ী ছিল প্রায় ১০ হাজার। বর্তমানে এসব বেকার শ্রমিকরা অনেক কষ্টে আছে। অনেকে রোগে শোকে মারাও গেছেন।
স্টার জুটমিলের শ্রমিক জসিম গাজী বলেন, মিল বন্ধ হওয়ার পর জীবন জীবিকার তাগিদে নাইট গার্ডের চাকরি বেছে নিয়েছি। কি করবো জীবনটা তো বাঁচাতে হবে। হঠাৎ করে সরকার মিল বন্ধ করে দেওয়ায় স্থায়ী ৮ হাজার ৭৩৬ জন অস্থায়ী প্রায় নয় হাজার শ্রমিক বেকার হয়ে যান। অনেকে অর্থের অভাবে বিনা চিকিৎসায় রোগে শোকে মারা গিয়েছে। অনেক শ্রমিকের সন্তানরা স্কুল ছেড়েছে। শত শত শ্রমিক রিক্সা ও ইজিবাইকচালিয়ে বেঁচে আছে। তারা আশায় আছে, যদি একদিন মিল খুলে। তবে যেহেতু সরকার ঘোষণা দিয়েছেন বন্ধ কলকারখানা খুলবে সেহেতু এখন আশা করি আমাদের স্বপ্ন পূরণ হবে।
জসিমের দাবি, বিজিএমসি বিলুপ্ত করে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে সরকারিভাবে মিলগুলো যেন চালু করা হয়। লিজ প্রথায় মিল চালু করলে শ্রমিকরা তার ন্যায্যঅধিকার পায় না।
যশোরের জেজেআই জুটমিলের শ্রমিক রোমিজুল ইসলাম বলেন, আমি নতুন রাস্তা রাজঘাট এলাকায় থাকি। আমি জুটমিলে দীর্ঘ ২২ বছর ধরে কাজ করেছি। মিলটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আমি বর্তমানে দিনমজুর হিসেবে কাজ করছি। আমার তিন ছেলে-মেয়ে। আমাদের মিলে স্থায়ী ও অস্থায়ী মিলে প্রায় পাঁচ হাজার শ্রমিক কাজ করতো। মিলটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে বর্তমানে তারা রিকশা চালায় কেউ ঠেলাগাড়ি চালায় ইজি বাইক চালায় কেউ বাদাম বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। অনেকেই আছে বিনা চিকিৎসায়। আমার কেউ কেউ মারাও গেছে। আমরা আশাবাদী প্রধানমন্ত্রীর মিল চালু করার নির্দেশনা দ্রুতই বাস্তবায়ন হবে।
চোখে মুখে ক্লান্তির ছাপ নিয়ে একাধিক শ্রমিক বলেন, বন্ধ কলকারখানা চালু করবেন প্রধানমন্ত্রীর এমন ঘোষণায় চোখে আশার আলো দেখছি। তারা চান, সরকার দ্রুত এবং ইজারার মাধ্যমে না দিয়ে রাষ্ট্রীয় মিলগুলো রাষ্ট্রীয়ভাবে আবার চালু করার, যাতে পুনরায় কর্মমুখর হয়ে ওঠে এই জনপদ।
২০২০ সালের ১ জুলাই খুলনা-যশোর অঞ্চলের নয়টিসহ দেশের ২৫টি পাটকলের উৎপাদন বন্ধ করে দেওয়া হয়। পাটকলগুলো, খুলনার রাষ্ট্রায়ত্ত আলিম জুটমিল, ক্রিসেন্ট, ইস্টার্ন, প্লাটিনাম, স্টার, দৌলতপুর ও খালিশপুর জুট মিল, যশোরের কার্পেটিং ও যশোর জুট ইন্ডাস্ট্রিজ (জেজেআই) জুটমিল। খুলনার নয়টি পাটকলের জমির পরিমাণ ৫১৬ একর।
জানা গেছে, শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করা এবং বন্ধ হয়ে যাওয়া কলকারখানা আবার চালুর মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার (১ মে) বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদল আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
৪ মে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বন্ধ কল-কারখানার বিষয়ে মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এমন উদ্যোগে স্বপ্নে বিভোর হয়ে নড়ে চড়ে বসছেন খুলনাঞ্চলের বন্ধ পাটকলের শ্রমিকরা। সাইরেনের অপেক্ষায় রয়েছেন তারা।
খুলনার শিল্প অঞ্চলখ্যাত খালিশপুর দৌলতপুর সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, খুলনার পাটকলগুলোতে এক সময় শ্রমিকদের আনাগোনায় ব্যস্ত আর কোলাহলে পূর্ণ থাকা জুটমিলে সুনসান নীরবতা। শ্রমিক কলোনীগুলোতে হতাশায় ভরা। পলেস্তারা খসে পড়ছে। ধুলার পুরু আস্তরণ জানান দিচ্ছে, কতকাল কোনো পদচিহ্ন পড়েনি, বসেনি কোনো ক্লান্ত শ্রমিক। একসময়ের কর্মচাঞ্চল্যমুখর আঙিনা এখন খাঁ খাঁ করছে। পাটকলের যন্ত্রপাতি-মেশিনগুলোতে মরিচা ধরে যাচ্ছে। শ্রমিকরা এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ায় অনেক ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা তাদের ব্যবসা গুটিয়ে নিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রীর অনন্য উদ্যোগ
খুলনা শিল্পাঞ্চলের বাসিন্দা মহানগর বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম বলেন, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণের অংশ হিসেবে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারসহ বিভিন্ন সময়ে বন্ধ হওয়া শিল্প-কারখানা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অনন্য উদ্যোগ। সরকারের এই পরিকল্পনা ও উদ্যোগকে আমরা সাধুবাদ জানাই। আশা করি, দ্রুত তা আলোর মুখ দেখবে। মিলগুলোকে চালু করলে যেমন অর্থনীতি সম্মৃদ্ধ হবে, তেমনি বেকার শ্রমিকরা কর্মসংস্থান ফিরে পাবে।
অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলামের মতে, পুরোনো মান্ধাতা আমলের যন্ত্রপাতি দিয়ে উৎপাদনে গেলে এই পরিকল্পনা বাদ দিতে হবে, মিলগুলেকে আধুনিকায়ন জরুরি। না হলে প্রতিযোগিতার বাজারে টিকে থাকা যাবে না। এক্ষেত্রে যন্ত্রপাতিগুলোকে আধুনিক করতে হবে। একইসঙ্গে শ্রমিকবান্ধব ম্যানেজমেন্ট ও সিজনে কম মূল্যে কাঁচামাল কিনতে হবে।
পাট শ্রমিকদলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল রক্ষায় খুলনা-যশোর আঞ্চলিক কমিটির আহ্বায়ক মো. সমশের আলম বলেন, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকার সরকারি পাটকলগুলো বন্ধ করে দিয়ে প্রায় ৭০ হাজার স্থায়ী শ্রমিককে স্বেচ্ছা অবসরে (গোল্ডেন হ্যান্ডশেক) পাঠায়। যাদের মধ্যে অনেকেই টাকা পয়সা পায়নি। আমরা তখন তুমুল আন্দোলন গড়ে তুলি। রাজপথে থালা-বাসন হাতে ভুখা মিছিল কর্মসূচিও করেছি। পুলিশের বন্দুকের নলের সামনে আমরা আমাদের অধিকারের কথা তুলে ধরি। এসময় আমাদের অনেককে গ্রেপ্তার হতে হয়। তখন শেখ হাসিনা ঘোষণা দিয়ে ছিলেন যে, ছয় মাসের মধ্যে মিলগুলো আবারও উৎপাদনে ফিরিয়ে আনা হবে। কিন্তু বন্ধ করা মিলগুলো চালু করতে পারেননি তিনি। সেই থেকে কর্ম হারিয়ে শ্রমিকরা পরিবার-পরিজন নিয়ে অর্ধাহারে অনাহারে দিন কাটাচ্ছে হাজার হাজার শ্রমিক।
তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রীয় ২৫টি পাটকলের উৎপাদন বন্ধের প্রজ্ঞাপন জারির কারণে পাটকলের শ্রমিক, পাট চাষী, পাট কল অঞ্চলের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে তিন কোটি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাষ্ট্রীয় পাটকলগুলো বন্ধ করার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বাংলাদেশের পাট শিল্প, পাট পণ্যের বাজার ধ্বংস ও রাষ্ট্রীয় পাট কলের সম্পদ ও সম্পত্তি চিরতরে নিজেদের আইত্তে সারাজীবনের জন্য ভোগ দখল করা।
পাটকলগুলোতে কেন লোকসান হয় এমন প্রশ্নের জবাবে শমসের বলেন, পটকলগুলোতে লোকসানের বড় কারণ বিজিএমসির কর্মকর্তাদের দুর্নীতি। কাঁচা পাট কেনায় অব্যবস্থাপনা। তারা পাট কেনে দেরিতে ও বেশি দামে। এ কারণে প্রধানত লোকসান হয়।
পাটকাল চালুর উদ্যোগকে তিনি স্বাগত জানান। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকেও তিনি আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
বন্ধ থাকা রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলগুলো লিজের মাধ্যমে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পুনরায় চালুর প্রক্রিয়া থেকে সরকারকে সরে আসার দাবি জানান এই শ্রমিক নেতা।
লোকসানের অজুহাতে বন্ধ পাটকল
আর্থিক ক্ষতির কারণ দেখিয়ে ২০২০ সালের ২ জুলাই খুলনা অঞ্চলের নয়টিসহ দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত ২৫ জুটমিল বন্ধ করে দেওয়া হয়। এতে চাকরি হারান খুলনা অঞ্চলের পাটকলগুলোর স্থায়ী-অস্থায়ী প্রায় ৩৪ হাজার শ্রমিক। ২০২১ সালের এপ্রিলে সরকার এ ২৫টি পাটকলের মধ্যে ১৭টিকে বেসরকারি খাতে পাঁচ থেকে ২০ বছরের জন্য ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। ইজারা নিয়ে ২০২৩ সালের ৩ ডিসেম্বর দৌলতপুর জুট মিল দায়সারাভাবে চালু করেছে ফরচুন গ্রুপ।
বেকার হন ৩৪ হাজার
খুলনা-যশোর অঞ্চলে নয়টি পাটকল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে চারটি বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় সীমিত উৎপাদন শুরু করেছে। বাংলাদেশ জুটমিলস করপোরেশনের (বিজেএমসি) তথ্য বলছে, এসব পাটকলে তিন হাজার ১৭০ জন শ্রমিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। অথচ একসময় এসব পাটকলের ওপর নির্ভরশীল ছিল ৩৪ হাজারের বেশি শ্রমিক ও তাদের পরিবার।
বিজেএমসি সূত্রে জানা গেছে, খুলনা অঞ্চলের রাষ্ট্রায়ত্ত নয়টি পাটকলের পাঁচটি ইজারা সম্পন্ন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) বিকেলে বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশনের (বিজেএমসি) খুলনা আঞ্চলিক কার্যালয়ের ডিজিএম ড. জুলফিকার বাংলানিউজকে বলেন, খুলনা অঞ্চলের রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলগুলোর মধ্যে কার্পেটিং, জেজেআই, ইস্টার্ন, দৌলতপুর ও খালিশপুর জুটমিল ইজারা দেওয়া আছে। ক্রিসেন্ট জুটমিল ইজারা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে হস্তান্তর করার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। এ ছাড়া প্লাটিনাম, আলিম ও স্টার ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়াধীন।
বন্ধ পাটকল চালু প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সংবাদপত্র ও টেলিভিশনে দেখেছি বন্ধ কলকারখানা আবারও চালু হবে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে আমরা কোনো চিঠি পায়নি।
রাষ্ট্রীয় পাটকল রাষ্ট্রীয়ভাবে চালুর দাবি
পাটকল রক্ষায় সম্মিলিত নাগরিক পরিষদের সদস্য মুনীর চৌধুরী সোহেল বলেন, বর্তমান সরকার কর্তৃক বন্ধকৃত পাটকল চালুর প্রতিশ্রুতি ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ ও অন্তর্বর্তী সরকারের অনুসৃত নীতির অংশের ধারাবাহিকতা। রাষ্ট্রীয় পাটকল বন্ধের মধ্য দিয়ে সোনালি আঁশের দেশ বাংলাদেশের মর্যাদা অনেকটাই ম্লান হয়েছে। সোনালি আঁশ রপ্তানি করে যে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতো তা’ পুরোটাই বন্ধ হয়ে গেছে। এখন শুরু হয়েছে ইজারার মাধ্যমে বন্ধকৃত পাটকল ও তার সম্পদ-স্থাপনা দখল-লুণ্ঠনের আয়োজন। বন্ধকৃত খুলনা ও যশোর অঞ্চলের নয়টি পাটকল লিজ প্রদান প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এই লিজ প্রক্রিয়া শুধু বিগত আওয়ামী সরকারের সময় নয়, অন্তর্বর্তী সরকারও বহাল রেখেছিল। দেশি-বিদেশি কায়েমী স্বার্থবাদী গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষায় এ পাটকলগুলো বন্ধ করা হয়েছে। ফলে নয়টি পাটকলের শ্রমিকরা তাদের পরিবার নিয়ে পথে বসেছে। শুধু তাই নয়, ইজারার নামে রাষ্ট্রীয় সম্পদ ধ্বংস করা হচ্ছে।
মুনীর চৌধুরী সোহেল আরও বলেন, ইজারার মাধ্যমে যে পাটকল লাভের মুখ দেখে না, বরং ইজারা নিয়ে লুটপাট চলে তার উৎকৃষ্ট উদাহরণ হলো বিগত বছরে জেজেআই মিলে মূল্যবান যন্ত্রাংশ পাচারের ঘটনা যা সাধারণ শ্রমিকরা পাচারের সময় হাতেনাতে ধরে ফেলে। শুধু জেজেআই নয়, খালিশপুরের পাটকলেও এই পাচার প্রকাশ্য রূপ নিয়েছে যা’ সাধারণ শ্রমিকরাও জানেন। এছাড়াও খালিশপুরে অবস্থিত ইজারাকৃত দৌলতপুর জুটমিল কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের ন্যূনতম বেতন দিতে পারছে না। এমনকি ইজরাকৃত খালিশপুর জুটমিল বন্ধ করে দিয়েছে। এসমস্ত অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে শ্রমিকনেতা ও সাধারণ শ্রমিকরা যথাসম্ভব আন্দোলন-সংগ্রাম করছেন। আমরা চাই, ব্যক্তি মালিকানায় নয়, রাষ্ট্রীয় পাটকল রাষ্ট্রীয়ভাবে চালু করতে হবে। নতুবা আবারও শ্রমিকদের সংগঠিত করে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
সংবাদ শিরোনাম ::
আরাফাত হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ৩
আলীগঞ্জে ইনসাফ ফাউন্ডেশনের উদ্বোধন
কারাগারে মাছ ও হাঁস ধরা প্রতিযোগিতা
পুলিশের ওপর হামলা ও অস্ত্র লুট ৩ আসামী রিমান্ড শেষে আদালতে
ওষুধ প্রতিনিধিদের মানববন্ধন
নিত্যপণ্যের দামে হাঁসফাঁস
নেতাকর্মীদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী
চাঁদার দাবিতে বিয়ের অনুষ্ঠানে হামলা
আবাসিক এলাকায় সিটি কর্পোরেশনের হাট
অপেক্ষায় ৩৪ হাজার পাটকল শ্রমিক
অপেক্ষায় ৩৪ হাজার পাটকল শ্রমিক
-
ডেস্ক : - আপডেট সময় ১৫ ঘন্টা আগে
- ২ বার পড়া হয়েছে
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ




















