ঢাকা , শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চাঁদাবাজির তথ্য জানাতে বললেন সাখাওয়াত

  • ডেস্ক :
  • আপডেট সময় ৫০ মিনিট আগে
  • ০ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান বলেছেন, “নারায়ণগঞ্জ একটি পুরান ঐতিহ্যবাহী শহর প্রাচ্যের ডান্ডি হিসেবে পরিচিত। এই নারায়ণগঞ্জ যেভাবে পরিকল্পিতভাবে তৈরি হওয়ার কথা ছিল সেটি হয়নি। যার কারণে নাগরিক সমস্যায় জর্জরিত এ শহরের মানুষ।”
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সকালে সিটি করপোরেশনের ৮ নাম্বার ওয়ার্ড এনায়েতনগরে সড়ক ও ড্রেন সংস্কার কাজ পরিদর্শনে তিনি একথা বলেন।
তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমাকে নিয়োগ দিয়েছেন যে, আপনাদের সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধান করার জন্য। তারই অংশ হিসেবে আজকে-এই আপনাদের এই ভাঙ্গা-চুড়া রাস্তাকে সুন্দরভাবে করার জন্য এখানে পরিদর্শনে এসেছি। এবং আমরা প্রত্যাশা করছি রাস্তারটির কাজ আশা করি খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে শেষ হবে। এতে কওে এই এলাকার মানুষের চলাফেরার ক্ষেত্রে কিছুটা হলে উন্নতি হবে।”
তিনি আরও বলেন, “আপনার এলাকার মানুষ সবাই মিলে মিশে থাকবেন। এবং আপনারা কাউকে চাঁদা দিবেন না। চাঁদা চাইলে এই এলাকায় যারা আছে সাগর প্রধান, মোফাজ্জল হোসেন, আনোয়ার, দেলোয়ার, বাদশাহ, নুরুজ্জামান ও স্থানীয় বিএনপির মাধ্যমে আমাকে জানাবেন। আমি পুলিশের মাধ্যমে সে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
মাদক ও কিশোর গ্যাং প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “একটি পরিবারের মধ্যে যদি একজন মাদকাশক্ত ব্যক্তি থাকে সেই পরিবারটি ধ্বংস হতে বাধ্য। সুতরাং আপনারা সামাজিকভাবে এই মাদক, কিশোর গ্যাং ও চাঁদাবাজের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলবেন। যাতে আমাদের সমাজের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা হয়। তবে কোনো বিচার আপনারা নিজের হাতে তুলে নিবেন না। নিজেরা বিচার করবেন না। আমাদেরকে বলবেন আমরা পুলিশের হাতে তুলে দিব। যেন মবজাস্টিস তৈরি না হয় সেবিষয়ে আপনারও সতর্ক থাকবেন।”
ডেঙ্গু রোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এলাকাটি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন যদি না রাখেন তাহলে তার ফলাফল আপনাদের ভোগ করতে হবে। সামনে ডেঙ্গু মশার প্রকোপ আসছে এতে বহু মানুষ মারা যায়। ডেঙ্গু মশা এবং ডেঙ্গু হলে অনেক টাকা খরচও হয় রোগটির চিকিৎসার জন্য। সেটা যাতে না হয় প্রত্যেকে প্রত্যেকের বাড়ি-ঘড় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। এবং যে সকল জায়গায় এই ডেঙ্গুম মশা উৎপন্ন হয়, সেই উৎসগুলো আমরা যাতে নষ্ট করে দেই। এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখি। পানি যেন তিন দিনের বেশি জমাট না থাকে সেবিষয়ও লক্ষ্য রাখার আহ্বান করেন।”
তিনি আরও বলেন, “এলাকা ভিত্তিক পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা বাসাবাড়ির ময়লা নির্টিষ্ট স্থান থেকে নিয়ে যাবে। এবং তাদেরকে তদারুকী করার জন্য একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে। তিনি আরও জানান এদের পাশাপাশি আরও কিছু সদস্য বৃদ্ধি করা হবে। আমরা চাই এলাকার সবাই মিলেমিশে এই এলাকায় একটি শান্তির সুবাতাস বয়ে উঠুক।”

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

চাঁদাবাজির তথ্য জানাতে বললেন সাখাওয়াত

আপডেট সময় ৫০ মিনিট আগে

স্টাফ রিপোর্টার
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান বলেছেন, “নারায়ণগঞ্জ একটি পুরান ঐতিহ্যবাহী শহর প্রাচ্যের ডান্ডি হিসেবে পরিচিত। এই নারায়ণগঞ্জ যেভাবে পরিকল্পিতভাবে তৈরি হওয়ার কথা ছিল সেটি হয়নি। যার কারণে নাগরিক সমস্যায় জর্জরিত এ শহরের মানুষ।”
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সকালে সিটি করপোরেশনের ৮ নাম্বার ওয়ার্ড এনায়েতনগরে সড়ক ও ড্রেন সংস্কার কাজ পরিদর্শনে তিনি একথা বলেন।
তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমাকে নিয়োগ দিয়েছেন যে, আপনাদের সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধান করার জন্য। তারই অংশ হিসেবে আজকে-এই আপনাদের এই ভাঙ্গা-চুড়া রাস্তাকে সুন্দরভাবে করার জন্য এখানে পরিদর্শনে এসেছি। এবং আমরা প্রত্যাশা করছি রাস্তারটির কাজ আশা করি খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে শেষ হবে। এতে কওে এই এলাকার মানুষের চলাফেরার ক্ষেত্রে কিছুটা হলে উন্নতি হবে।”
তিনি আরও বলেন, “আপনার এলাকার মানুষ সবাই মিলে মিশে থাকবেন। এবং আপনারা কাউকে চাঁদা দিবেন না। চাঁদা চাইলে এই এলাকায় যারা আছে সাগর প্রধান, মোফাজ্জল হোসেন, আনোয়ার, দেলোয়ার, বাদশাহ, নুরুজ্জামান ও স্থানীয় বিএনপির মাধ্যমে আমাকে জানাবেন। আমি পুলিশের মাধ্যমে সে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
মাদক ও কিশোর গ্যাং প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “একটি পরিবারের মধ্যে যদি একজন মাদকাশক্ত ব্যক্তি থাকে সেই পরিবারটি ধ্বংস হতে বাধ্য। সুতরাং আপনারা সামাজিকভাবে এই মাদক, কিশোর গ্যাং ও চাঁদাবাজের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলবেন। যাতে আমাদের সমাজের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা হয়। তবে কোনো বিচার আপনারা নিজের হাতে তুলে নিবেন না। নিজেরা বিচার করবেন না। আমাদেরকে বলবেন আমরা পুলিশের হাতে তুলে দিব। যেন মবজাস্টিস তৈরি না হয় সেবিষয়ে আপনারও সতর্ক থাকবেন।”
ডেঙ্গু রোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এলাকাটি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন যদি না রাখেন তাহলে তার ফলাফল আপনাদের ভোগ করতে হবে। সামনে ডেঙ্গু মশার প্রকোপ আসছে এতে বহু মানুষ মারা যায়। ডেঙ্গু মশা এবং ডেঙ্গু হলে অনেক টাকা খরচও হয় রোগটির চিকিৎসার জন্য। সেটা যাতে না হয় প্রত্যেকে প্রত্যেকের বাড়ি-ঘড় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। এবং যে সকল জায়গায় এই ডেঙ্গুম মশা উৎপন্ন হয়, সেই উৎসগুলো আমরা যাতে নষ্ট করে দেই। এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখি। পানি যেন তিন দিনের বেশি জমাট না থাকে সেবিষয়ও লক্ষ্য রাখার আহ্বান করেন।”
তিনি আরও বলেন, “এলাকা ভিত্তিক পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা বাসাবাড়ির ময়লা নির্টিষ্ট স্থান থেকে নিয়ে যাবে। এবং তাদেরকে তদারুকী করার জন্য একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে। তিনি আরও জানান এদের পাশাপাশি আরও কিছু সদস্য বৃদ্ধি করা হবে। আমরা চাই এলাকার সবাই মিলেমিশে এই এলাকায় একটি শান্তির সুবাতাস বয়ে উঠুক।”