ঢাকা , রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

থানায় কর্মরত পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যু

  • ডেস্ক :
  • আপডেট সময় ৫৮ মিনিট আগে
  • ০ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় কর্মরত এএসআই (নিরস্ত্র) মোঃ আলমগীর হোসেন সিদ্দিকী (৫৩) আকস্মিকভাবে মারা গেছেন।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) ভোরে থানার ব্যারাকে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়।
পুলিশ জানায়, ভোর আনুমানিক সাড়ে চারটায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানা ব্যারাকের ৩য় তলায় নিজ শয্যায় থাকা অবস্থায় তিনি হঠাৎ অসুস্থতা অনুভব করেন। তাৎক্ষণিকভাবে সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জের খানপুর ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান।
সেখানে ভোর সাড়ে পাঁচটায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
চিকিৎসকদের প্রাথমিক ধারণা, হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ (হার্ট ফেইলিউর) হওয়ার কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে।
পরে বেলা ১০ টায় জেলা পুলিশ লাইনে প্রথম জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। পরে বেলা ১১টায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে আলমগীরের মরদেহ গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইলে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সেখানে স্থানীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

থানায় কর্মরত পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যু

আপডেট সময় ৫৮ মিনিট আগে

স্টাফ রিপোর্টার
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় কর্মরত এএসআই (নিরস্ত্র) মোঃ আলমগীর হোসেন সিদ্দিকী (৫৩) আকস্মিকভাবে মারা গেছেন।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) ভোরে থানার ব্যারাকে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়।
পুলিশ জানায়, ভোর আনুমানিক সাড়ে চারটায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানা ব্যারাকের ৩য় তলায় নিজ শয্যায় থাকা অবস্থায় তিনি হঠাৎ অসুস্থতা অনুভব করেন। তাৎক্ষণিকভাবে সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জের খানপুর ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান।
সেখানে ভোর সাড়ে পাঁচটায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
চিকিৎসকদের প্রাথমিক ধারণা, হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ (হার্ট ফেইলিউর) হওয়ার কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে।
পরে বেলা ১০ টায় জেলা পুলিশ লাইনে প্রথম জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। পরে বেলা ১১টায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে আলমগীরের মরদেহ গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইলে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সেখানে স্থানীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়।