ঢাকা , শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

২০ কারখানার বিদ্যুৎ গ্যাস বিচ্ছিন্ন

  • ডেস্ক :
  • আপডেট সময় ২ ঘন্টা আগে
  • ০ বার পড়া হয়েছে

সোজাসাপটা রিপোর্ট
নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে ইটিপি (তরল বর্জ্য পরিশোধনাগার) ছাড়া পরিচালিত ২০ শিল্প কারখানার বৈদ্যুতিক ও গ্যাস লাইন বিচ্ছিন্ন করে হাইকোর্টে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) ওই প্রতিবেদন দাখিল করে।
নারায়ণগঞ্জে শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে বিভিন্ন ২০ শিল্প কারখানা ইটিপি ছাড়াই পরিচালিত হচ্ছে এবং পানি দূষণ করছে—এ সম্পর্কিত রিপোর্ট সংযোজন করে জনস্বার্থে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ দায়েরকৃত রিট পিটিশনে সম্পূরক আবেদন দাখিল করে ওই প্রতিষ্ঠানগুলোর বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার আবেদন জানায়।
গত ৫ মার্চ ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত ২০ প্রতিষ্ঠানের বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার নির্দেশ দেন।
আবেদনকারী পক্ষে আইনজীবী মনজিল মোরসেদ জানান, আদালতের আদেশ প্রতিপালন করে আজ বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ আদালতে রিপোর্ট দাখিল করে ২০ প্রতিষ্ঠানের বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিল করেছে।
উক্ত ২০ প্রতিষ্ঠান হলো—খালেক টেক্সটাইল, লীনা পেপার মিল, আরএসকে ডাইং, খান ব্রাদার্স টেক্সটাইল, এসআরএস নিট ডাইং, মেসার্স রুবেল ডাইং, বাংলাদেশ ডাইং অ্যান্ড প্রসেসিং, মেসার্স সোহেল ডাইং, এশিয়ান ফেব্রিক, জিলানী ডাইং, গাজীপুর বোর্ড মিলস, নিউ আলম ডাইং, মায়ের দোয়া ডাইং, এমআর ডাইং, আব্দুর রব ডাইং, বিসমিল্লাহ নিট ডাইং, শিমুল ডাইং, রাজ্জাক ওয়াশিং, কর্ণফুলী টেক্সটাইল মিল এবং হাজী রাসুল ডাইং।
শুনানিতে এইচআরপিবি পক্ষের সিনিয়র অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ বলেন, পরিবেশ আইন অনুসারে পরিবেশের লাইসেন্স ব্যতীত কোনো শিল্পকারখানা পরিচালনা করা পরিবেশ আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ। কিন্তু শিল্প মালিকরা আইনের তোয়াক্কা না করে দীর্ঘদিন থেকে ইটিপি ছাড়াই তাদের শিল্প প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে শীতলক্ষ্যা নদী দূষণ করে আসলেও আদালতের নির্দেশের আগে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি।
তিনি আদালতে দীর্ঘদিন ওই সকল ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে শীতলক্ষ্যা নদী দূষণের ব্যাপারে ক্ষতিপূরণ আদায়ের ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানান।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

২০ কারখানার বিদ্যুৎ গ্যাস বিচ্ছিন্ন

আপডেট সময় ২ ঘন্টা আগে

সোজাসাপটা রিপোর্ট
নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে ইটিপি (তরল বর্জ্য পরিশোধনাগার) ছাড়া পরিচালিত ২০ শিল্প কারখানার বৈদ্যুতিক ও গ্যাস লাইন বিচ্ছিন্ন করে হাইকোর্টে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) ওই প্রতিবেদন দাখিল করে।
নারায়ণগঞ্জে শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে বিভিন্ন ২০ শিল্প কারখানা ইটিপি ছাড়াই পরিচালিত হচ্ছে এবং পানি দূষণ করছে—এ সম্পর্কিত রিপোর্ট সংযোজন করে জনস্বার্থে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ দায়েরকৃত রিট পিটিশনে সম্পূরক আবেদন দাখিল করে ওই প্রতিষ্ঠানগুলোর বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার আবেদন জানায়।
গত ৫ মার্চ ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত ২০ প্রতিষ্ঠানের বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার নির্দেশ দেন।
আবেদনকারী পক্ষে আইনজীবী মনজিল মোরসেদ জানান, আদালতের আদেশ প্রতিপালন করে আজ বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ আদালতে রিপোর্ট দাখিল করে ২০ প্রতিষ্ঠানের বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিল করেছে।
উক্ত ২০ প্রতিষ্ঠান হলো—খালেক টেক্সটাইল, লীনা পেপার মিল, আরএসকে ডাইং, খান ব্রাদার্স টেক্সটাইল, এসআরএস নিট ডাইং, মেসার্স রুবেল ডাইং, বাংলাদেশ ডাইং অ্যান্ড প্রসেসিং, মেসার্স সোহেল ডাইং, এশিয়ান ফেব্রিক, জিলানী ডাইং, গাজীপুর বোর্ড মিলস, নিউ আলম ডাইং, মায়ের দোয়া ডাইং, এমআর ডাইং, আব্দুর রব ডাইং, বিসমিল্লাহ নিট ডাইং, শিমুল ডাইং, রাজ্জাক ওয়াশিং, কর্ণফুলী টেক্সটাইল মিল এবং হাজী রাসুল ডাইং।
শুনানিতে এইচআরপিবি পক্ষের সিনিয়র অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ বলেন, পরিবেশ আইন অনুসারে পরিবেশের লাইসেন্স ব্যতীত কোনো শিল্পকারখানা পরিচালনা করা পরিবেশ আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ। কিন্তু শিল্প মালিকরা আইনের তোয়াক্কা না করে দীর্ঘদিন থেকে ইটিপি ছাড়াই তাদের শিল্প প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে শীতলক্ষ্যা নদী দূষণ করে আসলেও আদালতের নির্দেশের আগে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি।
তিনি আদালতে দীর্ঘদিন ওই সকল ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে শীতলক্ষ্যা নদী দূষণের ব্যাপারে ক্ষতিপূরণ আদায়ের ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানান।