ঢাকা , মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাবতলীতে অভিযানের আহ্বান

  • ডেস্ক :
  • আপডেট সময় ৩ ঘন্টা আগে
  • ০ বার পড়া হয়েছে

সোজাসাপটা রিপোর্ট
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানাধীন এনায়েতনগর ৯নং ওয়ার্ডের গাবতলী এলাকায় মাদকের হাট বসেছে। বিভিন্ন অলি-গলিতে মাদক কেনাবেচা চললেও প্রশাসনের জোরালো ভূমিকা না থাকায় চরম ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে এলাকাবাসী। যুবসমাজ ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে এখন নামমাত্র অভিযান নয়, বরং চিরুনি অভিযানের দাবি তুলেছে গাবতলী এলাকার ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ।
এলাকার এই ভয়াবহ মাদক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরব হয়েছেন স্থানীয় বিএনপি নেতা এস এম আব্দুল্লাহ খান। তার দাবি অনুযায়ী, এলাকার মাদক সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের নেপথ্যে রয়েছেন মুকুল এবং কিশোর গ্যাং লিডার হৃদয়। তাদের সরাসরি মদত ও ছত্রছায়ায় গাবতলী এলাকায় মাদক ব্যবসায়ীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে। বিএনপি নেতার এই স্ট্যাটাস এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে এবং সাধারণ মানুষের অভিযোগের পালে হাওয়া দিয়েছে। অনেকের অভিযোগ, রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থাকার কারণে এই চক্রটি কোনো নিয়মনীতির তোয়াক্কা করছে না।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকায় মাদক ব্যবসার আসল কারিগর ও ‘মাদক সম্রাট’ হলো উৎস। এলাকাবাসীর দাবি, উৎস প্রায়ই পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়, কিন্তু আইনের ফাঁক গলে খুব দ্রুতই সে জামিনে বেরিয়ে আসে। তার এই বারবার ফিরে আসা এলাকাবাসীর জন্য নতুন আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। স্থানীয়রা ক্ষোভের সাথে জানান, উৎস গ্রেফতার হওয়ার পর এলাকা কয়েকদিন শান্ত থাকলেও জামিনে বের হওয়া মানেই এলাকায় পুনরায় মাদকের জোয়ার আসা।
বর্তমানে গাবতলীর ‘ফাইন ট্যাক্স’ গার্মেন্টস গলি, মাদ্রাসা গলি এবং দোহার ভিলার পেছনে আম গাছতলার এই মাদকের আখড়া চিরতরে নির্মূল করা এখন সময়ের দাবি। এলাকাবাসীর দাবি, এই নির্দিষ্ট স্পটগুলোতে পুলিশের নিয়মিত টহল না থাকায় মাদক সেবীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে এলাকাটি। উৎস, মুকুল ও হৃদয় সহ মাদক সিন্ডিকেটের হাত থেকে স্থায়ী মুক্তি পেতে প্রশাসনের উচ্চমহলের সরাসরি এবং কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করছে গাবতলী এলাকাবাসী। তাদের দাবি—শুধুমাত্র গ্রেফতার নয়, এমন ব্যবস্থা নেওয়া হোক যেন এই মাদক সম্রাটরা আর কখনও এলাকায় ফিরে বিষ ছড়াতে না পারে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

গাবতলীতে অভিযানের আহ্বান

আপডেট সময় ৩ ঘন্টা আগে

সোজাসাপটা রিপোর্ট
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানাধীন এনায়েতনগর ৯নং ওয়ার্ডের গাবতলী এলাকায় মাদকের হাট বসেছে। বিভিন্ন অলি-গলিতে মাদক কেনাবেচা চললেও প্রশাসনের জোরালো ভূমিকা না থাকায় চরম ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে এলাকাবাসী। যুবসমাজ ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে এখন নামমাত্র অভিযান নয়, বরং চিরুনি অভিযানের দাবি তুলেছে গাবতলী এলাকার ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ।
এলাকার এই ভয়াবহ মাদক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরব হয়েছেন স্থানীয় বিএনপি নেতা এস এম আব্দুল্লাহ খান। তার দাবি অনুযায়ী, এলাকার মাদক সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের নেপথ্যে রয়েছেন মুকুল এবং কিশোর গ্যাং লিডার হৃদয়। তাদের সরাসরি মদত ও ছত্রছায়ায় গাবতলী এলাকায় মাদক ব্যবসায়ীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে। বিএনপি নেতার এই স্ট্যাটাস এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে এবং সাধারণ মানুষের অভিযোগের পালে হাওয়া দিয়েছে। অনেকের অভিযোগ, রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থাকার কারণে এই চক্রটি কোনো নিয়মনীতির তোয়াক্কা করছে না।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকায় মাদক ব্যবসার আসল কারিগর ও ‘মাদক সম্রাট’ হলো উৎস। এলাকাবাসীর দাবি, উৎস প্রায়ই পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়, কিন্তু আইনের ফাঁক গলে খুব দ্রুতই সে জামিনে বেরিয়ে আসে। তার এই বারবার ফিরে আসা এলাকাবাসীর জন্য নতুন আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। স্থানীয়রা ক্ষোভের সাথে জানান, উৎস গ্রেফতার হওয়ার পর এলাকা কয়েকদিন শান্ত থাকলেও জামিনে বের হওয়া মানেই এলাকায় পুনরায় মাদকের জোয়ার আসা।
বর্তমানে গাবতলীর ‘ফাইন ট্যাক্স’ গার্মেন্টস গলি, মাদ্রাসা গলি এবং দোহার ভিলার পেছনে আম গাছতলার এই মাদকের আখড়া চিরতরে নির্মূল করা এখন সময়ের দাবি। এলাকাবাসীর দাবি, এই নির্দিষ্ট স্পটগুলোতে পুলিশের নিয়মিত টহল না থাকায় মাদক সেবীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে এলাকাটি। উৎস, মুকুল ও হৃদয় সহ মাদক সিন্ডিকেটের হাত থেকে স্থায়ী মুক্তি পেতে প্রশাসনের উচ্চমহলের সরাসরি এবং কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করছে গাবতলী এলাকাবাসী। তাদের দাবি—শুধুমাত্র গ্রেফতার নয়, এমন ব্যবস্থা নেওয়া হোক যেন এই মাদক সম্রাটরা আর কখনও এলাকায় ফিরে বিষ ছড়াতে না পারে।