ঢাকা , রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ২০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘শিক্ষার্থীরাই দেশকে নেতৃত্ব দেবে’

  • ডেস্ক :
  • আপডেট সময় ০২:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
  • ১০ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার
নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ বলেছেন, “আমি একজন শিক্ষক, সব সময় নিজেকে শিক্ষকই মনে করি। দীর্ঘ ২৮ বছর শিক্ষকতা করেছি। শিক্ষার্থীদের দেখলে আমার মনটা ভরে যায়। শিক্ষার্থীদের কাছেই আমার সব প্রত্যাশা।”
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সকালে জালকুড়ি এলাকার মিজমিজি পাইনদী রেকমত আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, “শিক্ষার্থীরাই একদিন বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেবে। তাদের নিয়েই আমার জীবন। আমি সবসময় তাদের সঙ্গেই থাকতে ভালোবাসি। আমার জীবন শুরু হয়েছে ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে, শেষও হবে তাদের মধ্যে। জেলা পরিষদের দায়িত্ব আমি আংশিক সময়ের জন্য পালন করছি।”
বিদায় অনুষ্ঠানের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “বিদায় মানেই বেদনার বিষয়। তবে এই বিদায় আনন্দেরও, কারণ শিক্ষার্থীরা এই স্কুল থেকে বিদায় নিয়ে বৃহত্তর পরিসরে প্রবেশ করে। এটি আসলে ক্ষুদ্র পরিসর থেকে বড় পরিসরে যাওয়ার একটি ধাপ।”
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, “আমরা আশা করি, তারা ভবিষ্যতে বাংলাদেশ গঠন ও সমৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে। সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে এবং তাদের জ্ঞান ও মেধা দেশের উন্নয়নে কাজে লাগাবে।”
তিনি শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন এবং দেশ ও জাতি গঠনে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

‘শিক্ষার্থীরাই দেশকে নেতৃত্ব দেবে’

আপডেট সময় ০২:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার
নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ বলেছেন, “আমি একজন শিক্ষক, সব সময় নিজেকে শিক্ষকই মনে করি। দীর্ঘ ২৮ বছর শিক্ষকতা করেছি। শিক্ষার্থীদের দেখলে আমার মনটা ভরে যায়। শিক্ষার্থীদের কাছেই আমার সব প্রত্যাশা।”
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সকালে জালকুড়ি এলাকার মিজমিজি পাইনদী রেকমত আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, “শিক্ষার্থীরাই একদিন বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেবে। তাদের নিয়েই আমার জীবন। আমি সবসময় তাদের সঙ্গেই থাকতে ভালোবাসি। আমার জীবন শুরু হয়েছে ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে, শেষও হবে তাদের মধ্যে। জেলা পরিষদের দায়িত্ব আমি আংশিক সময়ের জন্য পালন করছি।”
বিদায় অনুষ্ঠানের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “বিদায় মানেই বেদনার বিষয়। তবে এই বিদায় আনন্দেরও, কারণ শিক্ষার্থীরা এই স্কুল থেকে বিদায় নিয়ে বৃহত্তর পরিসরে প্রবেশ করে। এটি আসলে ক্ষুদ্র পরিসর থেকে বড় পরিসরে যাওয়ার একটি ধাপ।”
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, “আমরা আশা করি, তারা ভবিষ্যতে বাংলাদেশ গঠন ও সমৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে। সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে এবং তাদের জ্ঞান ও মেধা দেশের উন্নয়নে কাজে লাগাবে।”
তিনি শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন এবং দেশ ও জাতি গঠনে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।