ঢাকা , সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘খানপুরে ছেলে-মেয়েরা বসে থাকে’

  • ডেস্ক :
  • আপডেট সময় ৩ ঘন্টা আগে
  • ০ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার
নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট আবুল কালাম বলেছেন, তোমাদের ভাল ফলাফল করতে হবে। লেখাপড়ার দিকে মনোযোগ দিতে হবে। তোমাদের দ্বারা আগামীতে দেশ ও সমাজ কী সেবা পাবে। আগামী দশ বছর পরে তোমাদের ওপর যে দায়িত্ব আসবে সেই দায়িত্ব পালনে তোমরা কীভাবে প্রস্তুত করবে নিজেদের তা এখনকার সময়ের ওপরেই নির্ভর করবে।
রোববার (১৯ এপ্রিল) ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ, বিজ্ঞান মেলা এবং ১০ম জাতীয় বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, আমার বাবাসহ এ এলাকার গণ্যমান্য ব্যাক্তিরা এ স্কুলটি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়। জাতীয় সঙ্গীতের পরে আমাদের ক্লাস শুরু হত। প্রতিদিনই আমাদের স্বাস্থ্য সেবার অংশ হিসেবে টিফিনে এক গ্লাস করে দুধ প্রদান করা হত। মাসে দুইবার ডাক্তার আসতো। দাঁতের চিকিৎসা থেকে শুরু করে সকল চিকিৎসার ব্যাবস্থা করা হত। এই ব্যাবস্থাগুলো এখনও চালু আছে কীনা জানি না।
শিক্ষার্থীরা কেন স্কুলের সময়ে বাইরে ঘুরবে। সন্ধ্যা সাতটার পরে আমাদের এই এলাকার হাসপাতালের সামনে স্ট্রিট ফুড বিক্রি হয়। অনেক স্কুলের ছেলেমেয়েরাও এখানে বসে থাকে। তারা লেখাপড়া করবে কখন? আমরা সন্ধ্যার পরে পড়তে বসতাম আটটা নয়টা পর্যন্ত পড়তাম। খানপুরে হাজার হাজার ছেলেমেয়ে বসে থাকে চিত্তবিনোদনের জন্য। চিত্তবিনোদনের অবশ্যই প্রয়োজন রয়েছে। তবে এতে আসক্ত হওয়া যাবে না।
আমাদের আধুনিক বিশ্বে বিজ্ঞানের ভাল চর্চা চলছে। আগামী দশ পনেরো বছর পরে আমাদের কর্মজীবী মানুষগুলো কর্মহীন হয়ে পড়বে কীনা এটা একটা দুশ্চিন্তার বিষয়। আমাদের শিক্ষক ও অভিভাবকদের প্রতি আমি আহ্বান জানাবো। তারা যেন মোবাইলে আসক্ত হয়ে না যায়।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

‘খানপুরে ছেলে-মেয়েরা বসে থাকে’

আপডেট সময় ৩ ঘন্টা আগে

স্টাফ রিপোর্টার
নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট আবুল কালাম বলেছেন, তোমাদের ভাল ফলাফল করতে হবে। লেখাপড়ার দিকে মনোযোগ দিতে হবে। তোমাদের দ্বারা আগামীতে দেশ ও সমাজ কী সেবা পাবে। আগামী দশ বছর পরে তোমাদের ওপর যে দায়িত্ব আসবে সেই দায়িত্ব পালনে তোমরা কীভাবে প্রস্তুত করবে নিজেদের তা এখনকার সময়ের ওপরেই নির্ভর করবে।
রোববার (১৯ এপ্রিল) ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ, বিজ্ঞান মেলা এবং ১০ম জাতীয় বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, আমার বাবাসহ এ এলাকার গণ্যমান্য ব্যাক্তিরা এ স্কুলটি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়। জাতীয় সঙ্গীতের পরে আমাদের ক্লাস শুরু হত। প্রতিদিনই আমাদের স্বাস্থ্য সেবার অংশ হিসেবে টিফিনে এক গ্লাস করে দুধ প্রদান করা হত। মাসে দুইবার ডাক্তার আসতো। দাঁতের চিকিৎসা থেকে শুরু করে সকল চিকিৎসার ব্যাবস্থা করা হত। এই ব্যাবস্থাগুলো এখনও চালু আছে কীনা জানি না।
শিক্ষার্থীরা কেন স্কুলের সময়ে বাইরে ঘুরবে। সন্ধ্যা সাতটার পরে আমাদের এই এলাকার হাসপাতালের সামনে স্ট্রিট ফুড বিক্রি হয়। অনেক স্কুলের ছেলেমেয়েরাও এখানে বসে থাকে। তারা লেখাপড়া করবে কখন? আমরা সন্ধ্যার পরে পড়তে বসতাম আটটা নয়টা পর্যন্ত পড়তাম। খানপুরে হাজার হাজার ছেলেমেয়ে বসে থাকে চিত্তবিনোদনের জন্য। চিত্তবিনোদনের অবশ্যই প্রয়োজন রয়েছে। তবে এতে আসক্ত হওয়া যাবে না।
আমাদের আধুনিক বিশ্বে বিজ্ঞানের ভাল চর্চা চলছে। আগামী দশ পনেরো বছর পরে আমাদের কর্মজীবী মানুষগুলো কর্মহীন হয়ে পড়বে কীনা এটা একটা দুশ্চিন্তার বিষয়। আমাদের শিক্ষক ও অভিভাবকদের প্রতি আমি আহ্বান জানাবো। তারা যেন মোবাইলে আসক্ত হয়ে না যায়।