ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আনন্দধামের উন্মুক্ত আলোচনা সভা

  • ডেস্ক :
  • আপডেট সময় ০২:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার‎
‎নারায়ণগঞ্জে বাংলা নববর্ষ উদযাপনকে কেন্দ্র করে আনন্দধাম নির্বাহী কমিটির উদ্যোগে এক উন্মুক্ত আলোচনা সভা ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
‎মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সন্ধ্যায় আনন্দধামের নির্বাহী চেয়ারম্যান হাসিনা রহমান শিমুর সভাপতিত্বে নগরীর চাষাড়া এলাকার বালুর মাঠে গ্রীন আপেল রেস্টুরেন্টে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
‎বাঙালি জাতিসত্তার স্বকীয়তা সংরক্ষণে বাংলা নববর্ষ উদযাপনের গুরুত্ব” শীর্ষক এই আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন হাসিনা রহমান সিমু। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিলো নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সীর তবে বিশেষ প্রশাসনিক কাজ থাকার তার জায়গায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন নারায়ণগঞ্জ জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইব্রাহিম হোসেন।
‎আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন শাহরিয়ার মো. মারুফ, লোকমান আহমেদ এবং আবদুল কাইয়ুম আল আমিন। বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, বাংলা নববর্ষ শুধু একটি উৎসব নয়, এটি বাঙালির হাজার বছরের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার প্রতীক। বর্তমান প্রজন্মের মাঝে এই চেতনা ছড়িয়ে দিতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
‎তারা আরও বলেন, বিশ্বায়নের এই যুগে নিজেদের সাংস্কৃতিক পরিচয় ধরে রাখা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। বাংলা নববর্ষ উদযাপনের মাধ্যমে সেই পরিচয়কে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা সম্ভব। একই সঙ্গে সামাজিক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদার করতেও এ ধরনের আয়োজন সহায়ক।
‎প্রধান অতিথির বক্তব্যে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইব্রাহিম বলেন, সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের গুরুত্ব অপরিসীম। বাংলা নববর্ষের মতো উৎসব মানুষকে একত্রিত করে এবং ভেদাভেদ ভুলে একসঙ্গে পথ চলার অনুপ্রেরণা জোগায়। তিনি এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
‎অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে একে অপরের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
‎আয়োজকরা জানান, বাংলা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে ধারণ করে সমাজে সম্প্রীতি গড়ে তোলাই তাদের মূল লক্ষ্য। ভবিষ্যতেও তারা এ ধরনের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
‎অনুষ্ঠানটি অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে এবং উপস্থিত সকলেই এমন আয়োজনকে ইতিবাচক হিসেবে দেখেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আনন্দধামের উন্মুক্ত আলোচনা সভা

আপডেট সময় ০২:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার‎
‎নারায়ণগঞ্জে বাংলা নববর্ষ উদযাপনকে কেন্দ্র করে আনন্দধাম নির্বাহী কমিটির উদ্যোগে এক উন্মুক্ত আলোচনা সভা ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
‎মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সন্ধ্যায় আনন্দধামের নির্বাহী চেয়ারম্যান হাসিনা রহমান শিমুর সভাপতিত্বে নগরীর চাষাড়া এলাকার বালুর মাঠে গ্রীন আপেল রেস্টুরেন্টে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
‎বাঙালি জাতিসত্তার স্বকীয়তা সংরক্ষণে বাংলা নববর্ষ উদযাপনের গুরুত্ব” শীর্ষক এই আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন হাসিনা রহমান সিমু। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিলো নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সীর তবে বিশেষ প্রশাসনিক কাজ থাকার তার জায়গায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন নারায়ণগঞ্জ জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইব্রাহিম হোসেন।
‎আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন শাহরিয়ার মো. মারুফ, লোকমান আহমেদ এবং আবদুল কাইয়ুম আল আমিন। বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, বাংলা নববর্ষ শুধু একটি উৎসব নয়, এটি বাঙালির হাজার বছরের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার প্রতীক। বর্তমান প্রজন্মের মাঝে এই চেতনা ছড়িয়ে দিতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
‎তারা আরও বলেন, বিশ্বায়নের এই যুগে নিজেদের সাংস্কৃতিক পরিচয় ধরে রাখা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। বাংলা নববর্ষ উদযাপনের মাধ্যমে সেই পরিচয়কে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা সম্ভব। একই সঙ্গে সামাজিক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদার করতেও এ ধরনের আয়োজন সহায়ক।
‎প্রধান অতিথির বক্তব্যে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইব্রাহিম বলেন, সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের গুরুত্ব অপরিসীম। বাংলা নববর্ষের মতো উৎসব মানুষকে একত্রিত করে এবং ভেদাভেদ ভুলে একসঙ্গে পথ চলার অনুপ্রেরণা জোগায়। তিনি এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
‎অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে একে অপরের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
‎আয়োজকরা জানান, বাংলা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে ধারণ করে সমাজে সম্প্রীতি গড়ে তোলাই তাদের মূল লক্ষ্য। ভবিষ্যতেও তারা এ ধরনের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
‎অনুষ্ঠানটি অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে এবং উপস্থিত সকলেই এমন আয়োজনকে ইতিবাচক হিসেবে দেখেন।