ঢাকা , বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঢাকা-না.গঞ্জ পুরাতন সড়কে ভোগান্তি

  • ডেস্ক :
  • আপডেট সময় ৬ ঘন্টা আগে
  • ১ বার পড়া হয়েছে

সাব্বির হোসেন
নারায়ণগঞ্জের ব্যস্ততম সড়কগুলোর মধ্যে অন্যতম ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ পুরনো সড়কের চাষাঢ়া থেকে পঞ্চবটি অংশটি বর্তমানে এক ভয়াবহ মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাব, টানা বর্ষণে সৃষ্টি হওয়া অসংখ্য খানাখন্দ এবং ভারী যানবাহনের অবিরাম চাপ—সব মিলিয়ে এই সড়কের অবস্থা এখন চরম নাজুক। প্রতিদিন হাজার হাজার শ্রমিক, সাধারণ যাত্রী ও পরিবহনচালক জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই সড়ক ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছেন।
সড়কের বিভিন্ন স্থানে পিচ উঠে গিয়ে বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। কোথাও কোথাও এই গর্ত এতটাই গভীর যে বৃষ্টির পানিতে ঢেকে গেলে তা চোখে পড়ে না। ফলে চলন্ত যানবাহন হঠাৎ করেই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনায় পড়ছে। ছোট যানবাহন থেকে শুরু করে বড় ট্রাক পর্যন্ত—সব ধরনের যানবাহনই হেলে দুলে ঝুঁকির মধ্য দিয়ে চলাচল করছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মাঝে মধ্যে ইটের সলিং ফেলে সাময়িক সংস্কারের চেষ্টা করা হলেও তা কয়েক দিনের মধ্যেই নষ্ট হয়ে যায়। ফলে সমস্যার কোনো স্থায়ী সমাধান হচ্ছে না। বরং প্রতিদিনই পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে।
চাষাঢ়া-পঞ্চবটি সড়কের দুই পাশে বিস্তৃত রয়েছে বিসিক শিল্পনগরী এবং অসংখ্য তৈরি পোশাক কারখানা। প্রতিদিন ভোর থেকে শুরু করে সকাল পর্যন্ত হাজার হাজার শ্রমিক এই সড়ক দিয়ে তাদের কর্মস্থলে যাতায়াত করেন। কিন্তু সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে তাদের ভোগান্তি যেন নিত্যদিনের বাস্তবতা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
শ্রমিক রাবেয়া আক্তার বলেন,প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে যাওয়া মানেই কষ্ট। বৃষ্টি হলে তো অবস্থা আরও খারাপ হয়। গাড়ি চলে না, অনেক সময় হেঁটে যেতে হয়। সময়মতো কাজে পৌঁছানো প্রায় অসম্ভব হয়ে যায়।
শুধু সময়মতো কাজে পৌঁছাতে দেরিই নয়, অনেক সময় দুর্ঘটনায় পড়ে আহত হওয়ার ঘটনাও ঘটছে। এতে শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে।
নারায়ণগঞ্জ দেশের অন্যতম শিল্পাঞ্চল। এখানকার তৈরি পোশাকসহ বিভিন্ন শিল্পপণ্য প্রতিদিন ঢাকা এবং দেশের অন্যান্য অঞ্চলে সরবরাহ করা হয় এই সড়ক ব্যবহার করে। কিন্তু সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে পণ্যবাহী ট্রাকগুলো প্রায়ই যানজটে আটকে পড়ছে।
ফলে নির্ধারিত সময়ে পণ্য গন্তব্যে পৌঁছাতে না পারায় রপ্তানিমুখী শিল্প খাত ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ছে। শিল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই সড়কের দুরবস্থার কারণে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে।
প্রতিদিন সকাল ও বিকেলে এই সড়কে তীব্র যানজট লেগেই থাকে। বিশেষ করে বৃষ্টির দিনে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। কোনো যানবাহন গর্তে আটকে গেলে কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়।
স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, অফিসগামী মানুষ এবং শ্রমজীবী জনগোষ্ঠী—সকলেই এই যানজটে পড়ে চরম ভোগান্তির শিকার হন। অনেক সময় জরুরি কাজে বের হওয়া মানুষ ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকেন সড়কে।
ট্রাফিক ইন্সপেক্টর হারুন অর রশীদ বলেন,বৃষ্টির কারণে সড়কে অনেক গর্ত তৈরি হয়েছে। এতে যানবাহন আটকে গিয়ে যানজট সৃষ্টি হয়। আমরা যানজট নিরসনে কাজ করছি, কিন্তু সড়কের অবস্থা ভালো না হলে সমস্যা পুরোপুরি সমাধান সম্ভব নয়।
সড়কের ধুলাবালি ও জমে থাকা পানির কারণে স্থানীয়দের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে। ধুলার কারণে শ্বাসকষ্ট, এলার্জি ও অন্যান্য বায়ুবাহিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন অনেকেই। শিশু ও বয়স্করা সবচেয়ে বেশি ভুগছেন।
অন্যদিকে, গর্তে জমে থাকা পানিতে মশার বংশবিস্তার বাড়ছে, যা ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়ার ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় চিকিৎসকরা।
ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ পুরনো সড়ক একসময় ছিল রাজধানীর সঙ্গে নারায়ণগঞ্জের প্রধান যোগাযোগ মাধ্যম। পাশাপাশি মুন্সীগঞ্জ জেলার মানুষও এই সড়ক ব্যবহার করে ঢাকায় যাতায়াত করতেন।
১৯৯৫ সালে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড চালু হওয়ার পর এই সড়কের ওপর যাত্রীচাপ কিছুটা কমে। তবে পরবর্তীতে আশপাশে শিল্পকারখানার সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় পণ্যবাহী যানবাহনের চাপ বহুগুণ বেড়ে যায়। কিন্তু সেই তুলনায় সড়কের উন্নয়ন হয়নি।
স্থানীয় বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে সড়ক সংস্কারের দাবি জানিয়ে আসছেন। কিন্তু প্রতিবারই আশ্বাস মিললেও বাস্তবে তেমন কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি।
স্থানীয় যুবক ইমরান হোসেন বলেন,প্রতিবার বৃষ্টি এলেই একই অবস্থা হয়। রাস্তা ডুবে যায়, নতুন গর্ত তৈরি হয়। নির্বাচনের আগে সবাই প্রতিশ্রুতি দেয়, কিন্তু পরে আর কেউ খোঁজ নেয় না।এই অবহেলার কারণে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দিন দিন বাড়ছে।
সড়ক প্রকৌশলী মোঃ আব্দুর রহিম জানান,আমরা আগে একাধিকবার এই সড়ক সংস্কার করেছি। কিন্তু ভারী যানবাহনের কারণে দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। এবার নতুন পরিকল্পনায় সংস্কার করা হবে, যাতে এটি দীর্ঘস্থায়ী হয়।
শুধু সাময়িক সংস্কার নয়—এই সড়কের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই পরিকল্পনা প্রয়োজন। ভারী যানবাহনের চাপ সহ্য করতে পারে এমন মানসম্পন্ন নির্মাণ না হলে পরিস্থিতির উন্নতি হবে না।
চাষাঢ়া-পঞ্চবটি সড়কটি শুধু একটি সাধারণ রাস্তা নয়; এটি নারায়ণগঞ্জের শিল্পাঞ্চলের প্রাণরেখা। প্রতিদিন লাখো মানুষের চলাচল এবং বিপুল পরিমাণ পণ্য পরিবহন এই সড়কের ওপর নির্ভরশীল।
কিন্তু দীর্ঘদিনের অবহেলায় এটি এখন জনদুর্ভোগ, দুর্ঘটনা ও অর্থনৈতিক ক্ষতির অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ না নিলে এই সড়ক ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের বিপর্যয়ের কারণ হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

ঢাকা-না.গঞ্জ পুরাতন সড়কে ভোগান্তি

আপডেট সময় ৬ ঘন্টা আগে

সাব্বির হোসেন
নারায়ণগঞ্জের ব্যস্ততম সড়কগুলোর মধ্যে অন্যতম ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ পুরনো সড়কের চাষাঢ়া থেকে পঞ্চবটি অংশটি বর্তমানে এক ভয়াবহ মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাব, টানা বর্ষণে সৃষ্টি হওয়া অসংখ্য খানাখন্দ এবং ভারী যানবাহনের অবিরাম চাপ—সব মিলিয়ে এই সড়কের অবস্থা এখন চরম নাজুক। প্রতিদিন হাজার হাজার শ্রমিক, সাধারণ যাত্রী ও পরিবহনচালক জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই সড়ক ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছেন।
সড়কের বিভিন্ন স্থানে পিচ উঠে গিয়ে বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। কোথাও কোথাও এই গর্ত এতটাই গভীর যে বৃষ্টির পানিতে ঢেকে গেলে তা চোখে পড়ে না। ফলে চলন্ত যানবাহন হঠাৎ করেই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনায় পড়ছে। ছোট যানবাহন থেকে শুরু করে বড় ট্রাক পর্যন্ত—সব ধরনের যানবাহনই হেলে দুলে ঝুঁকির মধ্য দিয়ে চলাচল করছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মাঝে মধ্যে ইটের সলিং ফেলে সাময়িক সংস্কারের চেষ্টা করা হলেও তা কয়েক দিনের মধ্যেই নষ্ট হয়ে যায়। ফলে সমস্যার কোনো স্থায়ী সমাধান হচ্ছে না। বরং প্রতিদিনই পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে।
চাষাঢ়া-পঞ্চবটি সড়কের দুই পাশে বিস্তৃত রয়েছে বিসিক শিল্পনগরী এবং অসংখ্য তৈরি পোশাক কারখানা। প্রতিদিন ভোর থেকে শুরু করে সকাল পর্যন্ত হাজার হাজার শ্রমিক এই সড়ক দিয়ে তাদের কর্মস্থলে যাতায়াত করেন। কিন্তু সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে তাদের ভোগান্তি যেন নিত্যদিনের বাস্তবতা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
শ্রমিক রাবেয়া আক্তার বলেন,প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে যাওয়া মানেই কষ্ট। বৃষ্টি হলে তো অবস্থা আরও খারাপ হয়। গাড়ি চলে না, অনেক সময় হেঁটে যেতে হয়। সময়মতো কাজে পৌঁছানো প্রায় অসম্ভব হয়ে যায়।
শুধু সময়মতো কাজে পৌঁছাতে দেরিই নয়, অনেক সময় দুর্ঘটনায় পড়ে আহত হওয়ার ঘটনাও ঘটছে। এতে শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে।
নারায়ণগঞ্জ দেশের অন্যতম শিল্পাঞ্চল। এখানকার তৈরি পোশাকসহ বিভিন্ন শিল্পপণ্য প্রতিদিন ঢাকা এবং দেশের অন্যান্য অঞ্চলে সরবরাহ করা হয় এই সড়ক ব্যবহার করে। কিন্তু সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে পণ্যবাহী ট্রাকগুলো প্রায়ই যানজটে আটকে পড়ছে।
ফলে নির্ধারিত সময়ে পণ্য গন্তব্যে পৌঁছাতে না পারায় রপ্তানিমুখী শিল্প খাত ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ছে। শিল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই সড়কের দুরবস্থার কারণে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে।
প্রতিদিন সকাল ও বিকেলে এই সড়কে তীব্র যানজট লেগেই থাকে। বিশেষ করে বৃষ্টির দিনে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। কোনো যানবাহন গর্তে আটকে গেলে কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়।
স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, অফিসগামী মানুষ এবং শ্রমজীবী জনগোষ্ঠী—সকলেই এই যানজটে পড়ে চরম ভোগান্তির শিকার হন। অনেক সময় জরুরি কাজে বের হওয়া মানুষ ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকেন সড়কে।
ট্রাফিক ইন্সপেক্টর হারুন অর রশীদ বলেন,বৃষ্টির কারণে সড়কে অনেক গর্ত তৈরি হয়েছে। এতে যানবাহন আটকে গিয়ে যানজট সৃষ্টি হয়। আমরা যানজট নিরসনে কাজ করছি, কিন্তু সড়কের অবস্থা ভালো না হলে সমস্যা পুরোপুরি সমাধান সম্ভব নয়।
সড়কের ধুলাবালি ও জমে থাকা পানির কারণে স্থানীয়দের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে। ধুলার কারণে শ্বাসকষ্ট, এলার্জি ও অন্যান্য বায়ুবাহিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন অনেকেই। শিশু ও বয়স্করা সবচেয়ে বেশি ভুগছেন।
অন্যদিকে, গর্তে জমে থাকা পানিতে মশার বংশবিস্তার বাড়ছে, যা ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়ার ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় চিকিৎসকরা।
ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ পুরনো সড়ক একসময় ছিল রাজধানীর সঙ্গে নারায়ণগঞ্জের প্রধান যোগাযোগ মাধ্যম। পাশাপাশি মুন্সীগঞ্জ জেলার মানুষও এই সড়ক ব্যবহার করে ঢাকায় যাতায়াত করতেন।
১৯৯৫ সালে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড চালু হওয়ার পর এই সড়কের ওপর যাত্রীচাপ কিছুটা কমে। তবে পরবর্তীতে আশপাশে শিল্পকারখানার সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় পণ্যবাহী যানবাহনের চাপ বহুগুণ বেড়ে যায়। কিন্তু সেই তুলনায় সড়কের উন্নয়ন হয়নি।
স্থানীয় বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে সড়ক সংস্কারের দাবি জানিয়ে আসছেন। কিন্তু প্রতিবারই আশ্বাস মিললেও বাস্তবে তেমন কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি।
স্থানীয় যুবক ইমরান হোসেন বলেন,প্রতিবার বৃষ্টি এলেই একই অবস্থা হয়। রাস্তা ডুবে যায়, নতুন গর্ত তৈরি হয়। নির্বাচনের আগে সবাই প্রতিশ্রুতি দেয়, কিন্তু পরে আর কেউ খোঁজ নেয় না।এই অবহেলার কারণে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দিন দিন বাড়ছে।
সড়ক প্রকৌশলী মোঃ আব্দুর রহিম জানান,আমরা আগে একাধিকবার এই সড়ক সংস্কার করেছি। কিন্তু ভারী যানবাহনের কারণে দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। এবার নতুন পরিকল্পনায় সংস্কার করা হবে, যাতে এটি দীর্ঘস্থায়ী হয়।
শুধু সাময়িক সংস্কার নয়—এই সড়কের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই পরিকল্পনা প্রয়োজন। ভারী যানবাহনের চাপ সহ্য করতে পারে এমন মানসম্পন্ন নির্মাণ না হলে পরিস্থিতির উন্নতি হবে না।
চাষাঢ়া-পঞ্চবটি সড়কটি শুধু একটি সাধারণ রাস্তা নয়; এটি নারায়ণগঞ্জের শিল্পাঞ্চলের প্রাণরেখা। প্রতিদিন লাখো মানুষের চলাচল এবং বিপুল পরিমাণ পণ্য পরিবহন এই সড়কের ওপর নির্ভরশীল।
কিন্তু দীর্ঘদিনের অবহেলায় এটি এখন জনদুর্ভোগ, দুর্ঘটনা ও অর্থনৈতিক ক্ষতির অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ না নিলে এই সড়ক ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের বিপর্যয়ের কারণ হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।