ঢাকা , বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানের গোয়েন্দা মন্ত্রী ইসমাইল খতিবকে হত্যার দাবি ইসরাইলের

  • ডেস্ক :
  • আপডেট সময় ০৮:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬
  • ১৬ বার পড়া হয়েছে

ইসরাইল দাবি করেছে, তারা ইরানের গোয়েন্দা মন্ত্রী ইসমাইল খতিবকে হত্যা করেছে। ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাৎজ এক বিবৃতিতে বলেন, গত রাতে ইরানের গোয়েন্দা মন্ত্রী খাতিবকেও নির্মূল করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি ইরান।

কে এই ইসমাইল খতিব?
ইসমাইল খাতিব ২০২১ সালে ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির মাধ্যমে দেশটির গোয়েন্দা মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পান। তিনি ইসলামী আইনশাস্ত্র বিষয়ে পড়াশোনা করেছেন এবং ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ একাধিক শীর্ষ ধর্মীয় নেতার অধীনে শিক্ষা গ্রহণ করেন।

খাতিব ইরানের গোয়েন্দা মন্ত্রণালয় এবং সর্বোচ্চ নেতার কার্যালয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২২ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগ তাকে নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনে। অভিযোগ ছিল, তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের বিরুদ্ধে সাইবার কার্যক্রম পরিচালনায় জড়িত ছিলেন। এছাড়া ধারণা করা হয়, ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পরপরই ১৯৮০ সালে তিনি ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসে (আইআরজিসি) যোগ দেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

আবু সাউদ মাসুদ

হ্যালো আমি আবু সাউদ মাসুদ। সম্পাদক হিসেবে কাজ করছি।

ইরানের গোয়েন্দা মন্ত্রী ইসমাইল খতিবকে হত্যার দাবি ইসরাইলের

আপডেট সময় ০৮:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬

ইসরাইল দাবি করেছে, তারা ইরানের গোয়েন্দা মন্ত্রী ইসমাইল খতিবকে হত্যা করেছে। ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাৎজ এক বিবৃতিতে বলেন, গত রাতে ইরানের গোয়েন্দা মন্ত্রী খাতিবকেও নির্মূল করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি ইরান।

কে এই ইসমাইল খতিব?
ইসমাইল খাতিব ২০২১ সালে ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির মাধ্যমে দেশটির গোয়েন্দা মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পান। তিনি ইসলামী আইনশাস্ত্র বিষয়ে পড়াশোনা করেছেন এবং ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ একাধিক শীর্ষ ধর্মীয় নেতার অধীনে শিক্ষা গ্রহণ করেন।

খাতিব ইরানের গোয়েন্দা মন্ত্রণালয় এবং সর্বোচ্চ নেতার কার্যালয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২২ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগ তাকে নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনে। অভিযোগ ছিল, তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের বিরুদ্ধে সাইবার কার্যক্রম পরিচালনায় জড়িত ছিলেন। এছাড়া ধারণা করা হয়, ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পরপরই ১৯৮০ সালে তিনি ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসে (আইআরজিসি) যোগ দেন।