ঢাকা , শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যে মামলায় হাসিনাসহ ১২৪ জনকে অব্যাহতি

  • ডেস্ক :
  • আপডেট সময় ৫ ঘন্টা আগে
  • ২ বার পড়া হয়েছে

কেরানীগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে জিহাদ (১১) হত্যা মামলায় সাবেক স্বৈরশাসক শেখ হাসিনাসহ ১২৪ জনের অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত।

ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) এ অব্যাহতির আদেশ দেন। ঢাকার সিজেএম আদালতে ২০২৫ সালের ১১ আগস্ট তদন্ত শেষে পুলিশ এ প্রতিবেদন জমা দেন।

অব্যাহতির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন- আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, শেখ হাসিনার চাচাতো ভাই শেখ হেলাল, সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস ও সাবেক আইজিপি আব্দুল্লাহ আল মামুন।

শুক্রবার (২০ মার্চ) আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) আবদুল নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বিচারক আদেশে বলেছেন, মামলার এজাহার, চার্জশিট এবং ভুক্তভোগীদের জবানবন্দি থেকে জানা গেছে, এটি হত্যা মামলা হলেও ভুক্তভোগী জীবিত রয়েছে। তিনি শুধু জখমপ্রাপ্ত হয়েছেন। যা স্বয়ং নিজেই আদালতে স্বীকার করেছে। এ অবস্থায় কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় দায়ের করা মামলাটির চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে সব আসামিকে অব্যাহতি দেওয়া হলো।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শিশু জিহাদ নিহত হয়েছে— এমন অভিযোগে শেখ হাসিনা ও তার দলের ১২৩ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দেন বাবা জহিরুল ইসলাম রাজু।

তবে তদন্তে পুলিশ জেনেছে, জিহাদ মারা যায়নি; ‘বাসস্থান-আর্থিক লোভে’ পড়ে মামলায় তাকে মৃত দেখানো হয়েছে। এ কারণে মামলা থেকে শেখ হাসিনারা অব্যাহতি পেয়েছেন।

পুলিশ বলছে, তদন্তে গিয়ে ভুক্তভোগীকে জীবিত পাওয়া গেছে; ভিন্ন স্থানে ‘জখম হওয়ার’ ঘটনাকে কেরানীগঞ্জে ‘হত্যা’ সাজিয়ে দায়ের করা মামলায় ‘তথ্যগত ভুল’ প্রমাণিত হওয়ায় আসামিদের অব্যাহতির সুপারিশ করে গত বছরের ১১ অগাস্ট চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়। কেরানীগঞ্জ মডেল থানার এসআই বদিয়ার রহমানের দাখিল করা প্রতিবেদন গ্রহণ করে গত বছরের ৩০ অক্টোবর আসামিদের অব্যাহতি দেন জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম তামান্না।

আদেশে বলা হয়, মামলার এজাহার, অভিযোগপত্র এবং ভুক্তভোগীর জবানবন্দি থেকে জানা যায়, হত্যা মামলা হলেও ভুক্তভোগী জীবিত রয়েছে। তিনি কেবল জখম হয়েছেন, যা নিজেই আদালতে স্বীকার করেছেন। এমন অবস্থায় কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় করা মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে আসামিদের অব্যাহতি দেওয়া হলো।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

যে মামলায় হাসিনাসহ ১২৪ জনকে অব্যাহতি

আপডেট সময় ৫ ঘন্টা আগে

কেরানীগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে জিহাদ (১১) হত্যা মামলায় সাবেক স্বৈরশাসক শেখ হাসিনাসহ ১২৪ জনের অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত।

ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) এ অব্যাহতির আদেশ দেন। ঢাকার সিজেএম আদালতে ২০২৫ সালের ১১ আগস্ট তদন্ত শেষে পুলিশ এ প্রতিবেদন জমা দেন।

অব্যাহতির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন- আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, শেখ হাসিনার চাচাতো ভাই শেখ হেলাল, সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস ও সাবেক আইজিপি আব্দুল্লাহ আল মামুন।

শুক্রবার (২০ মার্চ) আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) আবদুল নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বিচারক আদেশে বলেছেন, মামলার এজাহার, চার্জশিট এবং ভুক্তভোগীদের জবানবন্দি থেকে জানা গেছে, এটি হত্যা মামলা হলেও ভুক্তভোগী জীবিত রয়েছে। তিনি শুধু জখমপ্রাপ্ত হয়েছেন। যা স্বয়ং নিজেই আদালতে স্বীকার করেছে। এ অবস্থায় কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় দায়ের করা মামলাটির চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে সব আসামিকে অব্যাহতি দেওয়া হলো।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শিশু জিহাদ নিহত হয়েছে— এমন অভিযোগে শেখ হাসিনা ও তার দলের ১২৩ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দেন বাবা জহিরুল ইসলাম রাজু।

তবে তদন্তে পুলিশ জেনেছে, জিহাদ মারা যায়নি; ‘বাসস্থান-আর্থিক লোভে’ পড়ে মামলায় তাকে মৃত দেখানো হয়েছে। এ কারণে মামলা থেকে শেখ হাসিনারা অব্যাহতি পেয়েছেন।

পুলিশ বলছে, তদন্তে গিয়ে ভুক্তভোগীকে জীবিত পাওয়া গেছে; ভিন্ন স্থানে ‘জখম হওয়ার’ ঘটনাকে কেরানীগঞ্জে ‘হত্যা’ সাজিয়ে দায়ের করা মামলায় ‘তথ্যগত ভুল’ প্রমাণিত হওয়ায় আসামিদের অব্যাহতির সুপারিশ করে গত বছরের ১১ অগাস্ট চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়। কেরানীগঞ্জ মডেল থানার এসআই বদিয়ার রহমানের দাখিল করা প্রতিবেদন গ্রহণ করে গত বছরের ৩০ অক্টোবর আসামিদের অব্যাহতি দেন জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম তামান্না।

আদেশে বলা হয়, মামলার এজাহার, অভিযোগপত্র এবং ভুক্তভোগীর জবানবন্দি থেকে জানা যায়, হত্যা মামলা হলেও ভুক্তভোগী জীবিত রয়েছে। তিনি কেবল জখম হয়েছেন, যা নিজেই আদালতে স্বীকার করেছেন। এমন অবস্থায় কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় করা মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে আসামিদের অব্যাহতি দেওয়া হলো।