ঢাকা , সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিএনপি, নেতাদের, শিশুসুলভ, আচরণ!

  • ডেস্ক :
  • আপডেট সময় ১১ ঘন্টা আগে
  • ২ বার পড়া হয়েছে

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":[],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":false,"containsFTESticker":false}

‎সোজাসাপটা রিপোর্ট
‎নারায়ণগঞ্জে বিএনপির দুই নেতার মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাল্টাপাল্টি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দলীয় অঙ্গনে সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা। বিষয়টি নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে যেমন অস্বস্তি তৈরি হয়েছে, তেমনি সাধারণ রাজনৈতিক সচেতন মহলেও দেখা দিয়েছে উদ্বেগ।
‎জানা গেছে, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপু-কে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করে ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন ১৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আলামিন প্রধান। গত ১০ এপ্রিল প্রকাশিত ওই পোস্টটি মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে এবং স্থানীয় রাজনীতিতে শুরু হয় তীব্র প্রতিক্রিয়া।
‎পোস্টে আলামিন প্রধান যে ভাষা ব্যবহার করেছেন, তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দলের অনেক নেতাকর্মী। তাদের অভিযোগ, একজন দায়িত্বশীল নেতার কাছ থেকে এমন আচরণ অপ্রত্যাশিত এবং দলীয় শৃঙ্খলার পরিপন্থী। বিষয়টি দ্রুতই ফেসবুকের বিভিন্ন গ্রুপ ও ব্যক্তিগত টাইমলাইনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়।
‎অন্যদিকে, এ ঘটনার জবাব দিতে দেরি করেননি আবু আল ইউসুফ খান টিপুও। তিনি নিজের ফেসবুক আইডিতে পাল্টা একটি পোস্ট দিয়ে আলামিন প্রধানের বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেন। এতে দুই নেতার মধ্যে প্রকাশ্য দ্বন্দ্ব আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে এবং বিষয়টি নতুন মাত্রা পায়।
‎দলীয় সূত্রে জানা যায়, এ ধরনের প্রকাশ্য বাকবিতণ্ডা সংগঠনের ভেতরে বিভাজন সৃষ্টি করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অনেকেই। বিশেষ করে তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা বিভ্রান্তিতে পড়ছেন কাদের অবস্থান সমর্থন করবেন, তা নিয়েই তৈরি হয়েছে দ্বিধা।
‎নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মহানগর বিএনপির একাধিক সিনিয়র নেতা বলেন, এ ধরনের আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যক্তিগত আক্রমণ করা শোভন নয়। এটি দলীয় ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে।অনেকেই এ ঘটনাকে শিশুসুলভ ও দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ বলেও মন্তব্য করেছেন।
‎বর্তমান সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম একটি শক্তিশালী মাধ্যম হলেও এর অপব্যবহার দলীয় ঐক্যকে নষ্ট করতে পারে। অভ্যন্তরীণ মতবিরোধ থাকলে তা সাংগঠনিকভাবে সমাধান করা উচিত, প্রকাশ্যে নয়।
‎মহানগর বিএনপি সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপু জানান,একজন শিষ্টাচার বহির্ভূত ব্যাক্তি কি বললো না বললো সেটা আমার দেখা বিষয় না। তবে আমাদের একজন কর্মীর বাবার টাকা মেরে দিয়ে না দেওয়ায় আমি তাকে এই বিষয়ে কথা বলায় সে আমার উপরে ক্ষিপ্ত হয়। এবং ফেসবুকে বিভিন্ন রকম বাজে মন্তব্য করছেন। আমার আসলে কিছু বলার নেই তবে সে যে কাজ করছে এই জন্য তার ক্ষমা নেই আমি দলের নেতাকর্মীর সাথে কথা বলেছি দ্রুত আমরা দলীয় ব্যস্থা নিব।
অন্যদিকে আলামিন প্রধানের সাথে একাধিকবার মুঠোফোন যোগাযোগ করে ব্যার্থ হলে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
‎সচেতন মহলের দাবি, দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। অন্যথায় এ ধরনের ঘটনা ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের বিভাজনের কারণ হতে পারে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

বিএনপি, নেতাদের, শিশুসুলভ, আচরণ!

আপডেট সময় ১১ ঘন্টা আগে

‎সোজাসাপটা রিপোর্ট
‎নারায়ণগঞ্জে বিএনপির দুই নেতার মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাল্টাপাল্টি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দলীয় অঙ্গনে সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা। বিষয়টি নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে যেমন অস্বস্তি তৈরি হয়েছে, তেমনি সাধারণ রাজনৈতিক সচেতন মহলেও দেখা দিয়েছে উদ্বেগ।
‎জানা গেছে, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপু-কে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করে ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন ১৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আলামিন প্রধান। গত ১০ এপ্রিল প্রকাশিত ওই পোস্টটি মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে এবং স্থানীয় রাজনীতিতে শুরু হয় তীব্র প্রতিক্রিয়া।
‎পোস্টে আলামিন প্রধান যে ভাষা ব্যবহার করেছেন, তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দলের অনেক নেতাকর্মী। তাদের অভিযোগ, একজন দায়িত্বশীল নেতার কাছ থেকে এমন আচরণ অপ্রত্যাশিত এবং দলীয় শৃঙ্খলার পরিপন্থী। বিষয়টি দ্রুতই ফেসবুকের বিভিন্ন গ্রুপ ও ব্যক্তিগত টাইমলাইনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়।
‎অন্যদিকে, এ ঘটনার জবাব দিতে দেরি করেননি আবু আল ইউসুফ খান টিপুও। তিনি নিজের ফেসবুক আইডিতে পাল্টা একটি পোস্ট দিয়ে আলামিন প্রধানের বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেন। এতে দুই নেতার মধ্যে প্রকাশ্য দ্বন্দ্ব আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে এবং বিষয়টি নতুন মাত্রা পায়।
‎দলীয় সূত্রে জানা যায়, এ ধরনের প্রকাশ্য বাকবিতণ্ডা সংগঠনের ভেতরে বিভাজন সৃষ্টি করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অনেকেই। বিশেষ করে তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা বিভ্রান্তিতে পড়ছেন কাদের অবস্থান সমর্থন করবেন, তা নিয়েই তৈরি হয়েছে দ্বিধা।
‎নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মহানগর বিএনপির একাধিক সিনিয়র নেতা বলেন, এ ধরনের আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যক্তিগত আক্রমণ করা শোভন নয়। এটি দলীয় ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে।অনেকেই এ ঘটনাকে শিশুসুলভ ও দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ বলেও মন্তব্য করেছেন।
‎বর্তমান সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম একটি শক্তিশালী মাধ্যম হলেও এর অপব্যবহার দলীয় ঐক্যকে নষ্ট করতে পারে। অভ্যন্তরীণ মতবিরোধ থাকলে তা সাংগঠনিকভাবে সমাধান করা উচিত, প্রকাশ্যে নয়।
‎মহানগর বিএনপি সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপু জানান,একজন শিষ্টাচার বহির্ভূত ব্যাক্তি কি বললো না বললো সেটা আমার দেখা বিষয় না। তবে আমাদের একজন কর্মীর বাবার টাকা মেরে দিয়ে না দেওয়ায় আমি তাকে এই বিষয়ে কথা বলায় সে আমার উপরে ক্ষিপ্ত হয়। এবং ফেসবুকে বিভিন্ন রকম বাজে মন্তব্য করছেন। আমার আসলে কিছু বলার নেই তবে সে যে কাজ করছে এই জন্য তার ক্ষমা নেই আমি দলের নেতাকর্মীর সাথে কথা বলেছি দ্রুত আমরা দলীয় ব্যস্থা নিব।
অন্যদিকে আলামিন প্রধানের সাথে একাধিকবার মুঠোফোন যোগাযোগ করে ব্যার্থ হলে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
‎সচেতন মহলের দাবি, দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। অন্যথায় এ ধরনের ঘটনা ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের বিভাজনের কারণ হতে পারে।