নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ বলেছেন, এঘটনা যখন আমাদের দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান জেনেছেন তিনি আমাদের নির্দেশনা দিয়েছেন। তার নির্দেশনা অনুযায়ী ফতুল্লা থানা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে সটিক তথ্য জানতে পারি৷ ভুক্তভোগীরা আমাদের দলের নাম বলেছিল তবে আমরা জানতে পারি যে আমাদের দলের নাম বলেছিল সে আমাদের প্রাথমিক সদস্যও কখনও ছিল না।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে ফতুল্লায় বাড়িঘরে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনায় এক লক্ষ টাকা অনুদান প্রদান করা হয়। এসময় সাংবাদিকদের উদ্দ্যেশ্যে একথা বলেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, এ সমস্যাটা তাদের পারিবারিক। তারা আপন চাচাতো ভাই বোন। তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন এই বিরোধ চলমান ছিল। পনেরো বছর ধরে কোর্টে এ মামলা চলমান ছিল। তারপরেও একটি পক্ষ এখানে জোর করে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করেছে। আমরা এটিকে অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করোছি। প্রধানমন্ত্রী প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন জড়িতদের গ্রেপ্তার করার জন্য। ইতিমধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।
তিনি বলেন, আমরা ভুক্তভোগীদের পাশে দাঁড়িয়েছি। আমরা সেখানেই ঘোষণা দিয়েছি এই ভুক্তভোগী পরিবারকে আমরা এক লক্ষ টাকা অনুদান প্রদান করবো।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম টিটু,সাধারন সম্পাদক এডঃ বারী ভূইয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরী, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনি সহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা কর্মীরা।

স্টাফ রিপোর্টার 






















