ঢাকা , সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টিটুর সহযোগী রহিম কারাগারে

  • ডেস্ক :
  • আপডেট সময় ১৬ ঘন্টা আগে
  • ২ বার পড়া হয়েছে

সোজাসাপটা রিপোর্ট
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লার পাগলা দেলপাড়া এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ও ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম টিটুর ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত কুতুবপুর ইউনিয়ন ৫নং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি মোঃ রহিম বর্তমানে মাদক মামলায় কারাগারে রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।
র‌্যাব-১০ এর দায়ের করা একটি মামলায় রহিমকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। মামলার বাদী হয়েছেন র‌্যাব-১০, কেরানীগঞ্জ সদর কোম্পানির ডিএডি ও ওয়ারেন্ট অফিসার মোঃ মনিরুজ্জামান (সেনা)। মামলায় রহিম ছাড়াও অজ্ঞাতনামা আরও ২ থেকে ৩ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১২ এপ্রিল রাত আনুমানিক ১০টা ৫ মিনিটে র‌্যাব-১০ এর সদস্যরা পোস্তগোলা ব্রিজের নিচে টহল ডিউটিতে থাকা অবস্থায় গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারেন, নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার কদমতলী পাকার মাথা ওয়াসার রোড কবরস্থানের পাশে সততা ইলেক্ট্রিক ওয়ার্কসপের সামনে কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ী ইয়াবা ক্রয়-বিক্রয় করছে।
এমন তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব সদস্যরা রাত ১০টা ১৫ মিনিটে ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে রাত ১০টা ৪০ মিনিটে সেখানে পৌঁছায়। র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। এসময় দেলপাড়া ব্রাহ্মণগাঁও এলাকার হানিফ ব্যাপারীর ছেলে মোঃ রহিম (৪৭) একটি পলিথিনের ব্যাগ ফেলে পালিয়ে যায় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে ব্যাগটি তল্লাশি করে ৫টি জিপারযুক্ত পলিথিনে রাখা ৯৯৭ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২ লাখ ৯৯ হাজার ১শ টাকা বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
র‌্যাবের ভাষ্যমতে, রহিম ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে ফতুল্লাসহ ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিল। উদ্ধার হওয়া ইয়াবাগুলো বিক্রির উদ্দেশ্যে নিজেদের হেফাজতে রাখায় তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়।
মামলার তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রহিমের বিরুদ্ধে এলাকায় মাদক কারবার নিয়ন্ত্রণ, মাদক বিক্রির নেটওয়ার্ক পরিচালনা এবং স্থানীয় কিছু অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ আগে থেকেই ছিল। তবে এবার বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায় তার বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া আরও জোরদার হয়েছে।
এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মাহবুব আলম বলেন, “র‌্যাব ইয়াবা উদ্ধার করে মোঃ রহিমকে আসামি করে একটি মামলা করেছে। মামলার পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।”

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

টিটুর সহযোগী রহিম কারাগারে

আপডেট সময় ১৬ ঘন্টা আগে

সোজাসাপটা রিপোর্ট
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লার পাগলা দেলপাড়া এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ও ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম টিটুর ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত কুতুবপুর ইউনিয়ন ৫নং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি মোঃ রহিম বর্তমানে মাদক মামলায় কারাগারে রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।
র‌্যাব-১০ এর দায়ের করা একটি মামলায় রহিমকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। মামলার বাদী হয়েছেন র‌্যাব-১০, কেরানীগঞ্জ সদর কোম্পানির ডিএডি ও ওয়ারেন্ট অফিসার মোঃ মনিরুজ্জামান (সেনা)। মামলায় রহিম ছাড়াও অজ্ঞাতনামা আরও ২ থেকে ৩ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১২ এপ্রিল রাত আনুমানিক ১০টা ৫ মিনিটে র‌্যাব-১০ এর সদস্যরা পোস্তগোলা ব্রিজের নিচে টহল ডিউটিতে থাকা অবস্থায় গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারেন, নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার কদমতলী পাকার মাথা ওয়াসার রোড কবরস্থানের পাশে সততা ইলেক্ট্রিক ওয়ার্কসপের সামনে কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ী ইয়াবা ক্রয়-বিক্রয় করছে।
এমন তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব সদস্যরা রাত ১০টা ১৫ মিনিটে ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে রাত ১০টা ৪০ মিনিটে সেখানে পৌঁছায়। র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। এসময় দেলপাড়া ব্রাহ্মণগাঁও এলাকার হানিফ ব্যাপারীর ছেলে মোঃ রহিম (৪৭) একটি পলিথিনের ব্যাগ ফেলে পালিয়ে যায় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে ব্যাগটি তল্লাশি করে ৫টি জিপারযুক্ত পলিথিনে রাখা ৯৯৭ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২ লাখ ৯৯ হাজার ১শ টাকা বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
র‌্যাবের ভাষ্যমতে, রহিম ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে ফতুল্লাসহ ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিল। উদ্ধার হওয়া ইয়াবাগুলো বিক্রির উদ্দেশ্যে নিজেদের হেফাজতে রাখায় তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়।
মামলার তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রহিমের বিরুদ্ধে এলাকায় মাদক কারবার নিয়ন্ত্রণ, মাদক বিক্রির নেটওয়ার্ক পরিচালনা এবং স্থানীয় কিছু অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ আগে থেকেই ছিল। তবে এবার বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায় তার বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া আরও জোরদার হয়েছে।
এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মাহবুব আলম বলেন, “র‌্যাব ইয়াবা উদ্ধার করে মোঃ রহিমকে আসামি করে একটি মামলা করেছে। মামলার পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।”