ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে গত ৭ মার্চ বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বনগাঁ এলাকা থেকে গ্রেফতার করে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বিশেষ টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)। ৩৭ বছর বয়সী ফয়সাল করিম মাসুদের বাড়ি পটুয়াখালীতে এবং ৩৪ বছর বয়সী আলমগীর হোসেনের বাড়ি ঢাকায়।
তারা দুজন অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করে পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁয় আত্মগোপন করেছিলেন। সুযোগ বুঝে ফের তারা বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টার অপেক্ষায় ছিল বলে জানায় এসটিএফ সূত্র।
রোববার (২২ মার্চ) বেলা ১২টার দিকে ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেন বিধাননগর বিশেষ আদালতে হাজির করা হয়।
এদিকে আদালতে তোলার সময় সাংবাদিকরা ফয়সালকে হাদি হত্যার বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি সাফ জানিয়ে দেন, ‘আমি এ কাজ করিনি। আমি এ ধরনের কোন কাজে ছিলাম না।’ তাকে এ ঘটনায় ফাঁসানো হয়েছে কিনা- এমন প্রশ্ন করা হলে অবশ্য কিছু বলতে রাজি হননি তিনি।
আদালত থেকে বের হওয়ার সময় ফের সাংবাদিকরা তাকে ঘরে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন। এসময় তিনি ফের খুনের অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, ‘আমি এসব কাজের সঙ্গে জড়িত না।’
পরে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন তুমি পালালে কেন। এ প্রশ্নের কোনো উত্তর দেননি ফয়সাল করিম মাসুদ।
ভিডিও বিষয়ে সাংকাদিকরা প্রশ্ন করেন- ভারতে বসে ভিডিও তুমি (ফয়সাল) দুবাইয়ের ভিডিও বানিয়েছিলে যে তুমি দুবাইয়ে আছো। এমন প্রশ্ন করা হলেও ফয়সাল কোনো কথা বলেনি।

ডেস্ক : 




















