ঢাকা , রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গুপ্তধনের খবরে উৎসুক জনতার ভিড়

  • ডেস্ক :
  • আপডেট সময় ২ ঘন্টা আগে
  • ১ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার
নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় একটি বসতবাড়ির মাটির নিচ থেকে বিশাল আকৃতির একটি প্রাচীন মটকা উদ্ধার হয়েছে। মটকাটির ভেতরে গুপ্তধন থাকতে পারে—এমন গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং সেটি দেখতে ভিড় করেন শত শত মানুষ।
শনিবার (২৮ মার্চ) বিকেলে বন্দরের ২২ নম্বর ওয়ার্ডের বাবুপাড়া এলাকায় একটি বাড়িতে নির্মাণকাজের সময় মাটি খননের একপর্যায়ে মটকাটি বেরিয়ে আসে। পরে বিষয়টি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরকে জানানো হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মাটির বেশ গভীরে থাকা বড় আকৃতির পাত্রটি অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়। অতীতে মূল্যবান জিনিস সংরক্ষণের জন্য এ ধরনের পাত্র ব্যবহারের প্রচলন থাকায় গুপ্তধনের গুজব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
এ বিষয়ে ওই ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর সুলতান আহমেদ জানান, মটকাটি উদ্ধারের পর নিরাপত্তার স্বার্থে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনকে জানানো হয়েছে এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।
খবর পেয়ে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের সোনারগাঁয়ের পানাম সিটি দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা তানভীরুল ইসলাম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।
তিনি জানান, মটকাটি সম্ভবত শত বছরের পুরনো এবং অতীতে পানি বা ধান-চাল সংরক্ষণে ব্যবহৃত হতো। এটি একটি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরো জানান, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে এবং প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে মটকাটি সংরক্ষণের জন্য অধিদপ্তরের সংগ্রহে নেওয়া হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

গুপ্তধনের খবরে উৎসুক জনতার ভিড়

আপডেট সময় ২ ঘন্টা আগে

স্টাফ রিপোর্টার
নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় একটি বসতবাড়ির মাটির নিচ থেকে বিশাল আকৃতির একটি প্রাচীন মটকা উদ্ধার হয়েছে। মটকাটির ভেতরে গুপ্তধন থাকতে পারে—এমন গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং সেটি দেখতে ভিড় করেন শত শত মানুষ।
শনিবার (২৮ মার্চ) বিকেলে বন্দরের ২২ নম্বর ওয়ার্ডের বাবুপাড়া এলাকায় একটি বাড়িতে নির্মাণকাজের সময় মাটি খননের একপর্যায়ে মটকাটি বেরিয়ে আসে। পরে বিষয়টি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরকে জানানো হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মাটির বেশ গভীরে থাকা বড় আকৃতির পাত্রটি অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়। অতীতে মূল্যবান জিনিস সংরক্ষণের জন্য এ ধরনের পাত্র ব্যবহারের প্রচলন থাকায় গুপ্তধনের গুজব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
এ বিষয়ে ওই ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর সুলতান আহমেদ জানান, মটকাটি উদ্ধারের পর নিরাপত্তার স্বার্থে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনকে জানানো হয়েছে এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।
খবর পেয়ে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের সোনারগাঁয়ের পানাম সিটি দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা তানভীরুল ইসলাম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।
তিনি জানান, মটকাটি সম্ভবত শত বছরের পুরনো এবং অতীতে পানি বা ধান-চাল সংরক্ষণে ব্যবহৃত হতো। এটি একটি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরো জানান, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে এবং প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে মটকাটি সংরক্ষণের জন্য অধিদপ্তরের সংগ্রহে নেওয়া হবে।