ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নবীগঞ্জে রেলের জমিতে বানিজ্যিক স্থাপনা

  • ডেস্ক :
  • আপডেট সময় এক ঘন্টা আগে
  • ১ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার
বন্দরের রেলওয়ের জমির উপরে অবৈধ ভাবে গড়ে উঠেছে দোকানপাট। কতিপয় ভূমিদস্যুরা রেলওয়ের কিছু অসাধু কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে রাতারাতি রেলওয়ের জমি জবর দখল করে সেখানে অবৈধ স্থাপনা তৈরি করে আসছে। রেলওয়ের জমি লীজ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন যাবত উত্তেজনা চলে আসছে। এ জমি বরাদ্ধের অনিয়মের অভিযোগে দুদকে লিখিত আবেদনসহ হাইকোটে রীট পিটিশন রয়েছে পিটিশন নং ১৫১১৭। তার পরও সম্প্রতি একটি পক্ষ রেলের জমিতে বানিজ্যিক স্থান নির্মাণ করেছে। জানা গেছে, আওয়ামীলীগ আমলে বন্দরের নবীগঞ্জ বাস স্ট্যান্ডের পূর্ব পাশে রেলের জমিতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। পরে এ জমি কৃষি লীজ নেয় সোহেল নামের এক ব্যক্তি। অপরদিকে আরো এক ব্যক্তি নাজির হোসেনও রেলওয়ের জমি কৃষি লীজ নেয়। পরে দুই পক্ষই লীজ নেয়া জমি দখলে গেলে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে সোহেল আহত হয়। পরে এ জমি নিয়ে সৃষ্ট ঘটনায় থানায় মামলা না নেয়ায় সোহেল দুদকে আবেদন ও হাই কোটে রীট পিটিশন দায়ের কারেন যার শুনানী চলমান। এছাড়াও দুদকেও শুনানী চলছে। হাইকোটের রীট ও দুদকের শুনানী উপলক্ষে করে নাজির হোসেন ও তার সহযোগিরা কৃষি লীজকৃত রেলের জমিতে ঈদের ছুটিতে সরকারি অফিস বন্ধ থাকার সুযোগে অবৈধ ভাবে বানির্জিক স্থাপনা নির্মাণ করে আসছে। পরে রেলওয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা এসে বাধা দিলে স্থাপনা নির্মাণকারীরা কমলাপুর রেল স্টেশনে রেলের বিভাগীয় ভূমিকর্মকর্তা শিমুল কুমার সাহা, বন্দর এরিয়ার ফিল্ট কানুনগো ফারুক ও ঢাকা এরিয়ার ফিল্ট কানুনগো জিয়াউল হক জিয়াকে ম্যানেজ করে আসে বলে গুঞ্জন রয়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কমলাপুর কর্তরত রেলে এক কর্মকর্তা জানান, অবৈধ স্থাপনা নির্মাণকারীরা বিভাগীয় ভ’মি কর্মকর্তার সাথে সাক্ষাক করে গেছে। তারা নাকি এ ৩ কর্মকর্তাকে মোটা অংকের টাকা দিয়ে ম্যানেজ করেছেন। এদিকে রেলের জমিতে কৃষি লীজের নামে বানিজ্যিক স্থাপনা নির্মানের সুযোগ করে দেয়ার তদন্ত শুরু করেছে দুদক। ইতিমধ্যে দুদকের উপ পরিচালক সাবিকুন নাহার কর্মকতাকে দুদকে তলব করেছে। এ ব্যপারে রেলের বিভাগী ভ’মি কর্মকর্তা শিমুল কুমার সাহার কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বন্দরে রেলের জমিকে বানিজ্যিক স্থাপনা করার সুযোগ নেই। যদি কেহ করে থাকে তবে আমরা ব্যবস্থা নেব। আর ম্রানেজের বিষয়ে জানতে চাইল আমাদের কেহ ম্যানেজ করেনি বা আমরা সরকারি সম্পদ জবর দখলের সুযোগ নেই।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

নবীগঞ্জে রেলের জমিতে বানিজ্যিক স্থাপনা

আপডেট সময় এক ঘন্টা আগে

স্টাফ রিপোর্টার
বন্দরের রেলওয়ের জমির উপরে অবৈধ ভাবে গড়ে উঠেছে দোকানপাট। কতিপয় ভূমিদস্যুরা রেলওয়ের কিছু অসাধু কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে রাতারাতি রেলওয়ের জমি জবর দখল করে সেখানে অবৈধ স্থাপনা তৈরি করে আসছে। রেলওয়ের জমি লীজ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন যাবত উত্তেজনা চলে আসছে। এ জমি বরাদ্ধের অনিয়মের অভিযোগে দুদকে লিখিত আবেদনসহ হাইকোটে রীট পিটিশন রয়েছে পিটিশন নং ১৫১১৭। তার পরও সম্প্রতি একটি পক্ষ রেলের জমিতে বানিজ্যিক স্থান নির্মাণ করেছে। জানা গেছে, আওয়ামীলীগ আমলে বন্দরের নবীগঞ্জ বাস স্ট্যান্ডের পূর্ব পাশে রেলের জমিতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। পরে এ জমি কৃষি লীজ নেয় সোহেল নামের এক ব্যক্তি। অপরদিকে আরো এক ব্যক্তি নাজির হোসেনও রেলওয়ের জমি কৃষি লীজ নেয়। পরে দুই পক্ষই লীজ নেয়া জমি দখলে গেলে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে সোহেল আহত হয়। পরে এ জমি নিয়ে সৃষ্ট ঘটনায় থানায় মামলা না নেয়ায় সোহেল দুদকে আবেদন ও হাই কোটে রীট পিটিশন দায়ের কারেন যার শুনানী চলমান। এছাড়াও দুদকেও শুনানী চলছে। হাইকোটের রীট ও দুদকের শুনানী উপলক্ষে করে নাজির হোসেন ও তার সহযোগিরা কৃষি লীজকৃত রেলের জমিতে ঈদের ছুটিতে সরকারি অফিস বন্ধ থাকার সুযোগে অবৈধ ভাবে বানির্জিক স্থাপনা নির্মাণ করে আসছে। পরে রেলওয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা এসে বাধা দিলে স্থাপনা নির্মাণকারীরা কমলাপুর রেল স্টেশনে রেলের বিভাগীয় ভূমিকর্মকর্তা শিমুল কুমার সাহা, বন্দর এরিয়ার ফিল্ট কানুনগো ফারুক ও ঢাকা এরিয়ার ফিল্ট কানুনগো জিয়াউল হক জিয়াকে ম্যানেজ করে আসে বলে গুঞ্জন রয়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কমলাপুর কর্তরত রেলে এক কর্মকর্তা জানান, অবৈধ স্থাপনা নির্মাণকারীরা বিভাগীয় ভ’মি কর্মকর্তার সাথে সাক্ষাক করে গেছে। তারা নাকি এ ৩ কর্মকর্তাকে মোটা অংকের টাকা দিয়ে ম্যানেজ করেছেন। এদিকে রেলের জমিতে কৃষি লীজের নামে বানিজ্যিক স্থাপনা নির্মানের সুযোগ করে দেয়ার তদন্ত শুরু করেছে দুদক। ইতিমধ্যে দুদকের উপ পরিচালক সাবিকুন নাহার কর্মকতাকে দুদকে তলব করেছে। এ ব্যপারে রেলের বিভাগী ভ’মি কর্মকর্তা শিমুল কুমার সাহার কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বন্দরে রেলের জমিকে বানিজ্যিক স্থাপনা করার সুযোগ নেই। যদি কেহ করে থাকে তবে আমরা ব্যবস্থা নেব। আর ম্রানেজের বিষয়ে জানতে চাইল আমাদের কেহ ম্যানেজ করেনি বা আমরা সরকারি সম্পদ জবর দখলের সুযোগ নেই।