ঢাকা , সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইরানে ২৪ দিনে ২১০ শিশু হত্যা করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল

  • ডেস্ক :
  • আপডেট সময় ৩ ঘন্টা আগে
  • ১ বার পড়া হয়েছে

ইরানের স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ-রেজা জাফারঘান্দি রোববার জানিয়েছেন, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলর হামলা শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ইরানে কমপক্ষে ২১০ শিশু নিহত হয়েছে এবং আরও ১ হাজার ৫১০ জন আহত হয়েছে। ইরানের বার্তা সংস্থা ইসনা এই তথ্য জানিয়েছে।

মোহাম্মদ-রেজা জাফারঘান্দি আরও জানান, একই সময়ে প্রায় ৩০০টি স্বাস্থ্য, চিকিৎসা ও জরুরি সেবাকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া প্রায় ৩০টি অ্যাম্বুলেন্স ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ব্যবহারের অনুপযুক্ত হয়ে গেছে।

২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের দক্ষিণের শহর মিনাবের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হামলায় ১৫০ জন ছাত্রী নিহত হয়। এই ঘটনা আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। দায় নিয়ে পরস্পরবিরোধী দাবি থাকলেও বেশিরভাগ বিশ্লেষণ বলছে, হামলাটি যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে হয়েছে।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রথমে এই হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা অস্বীকার করার চেষ্টা করেন। পরে যখন জানা যায় হামলায় মার্কিন সামরিক বাহিনীর ব্যবহৃত টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার হয়েছে, তখন তিনি কোনো প্রমাণ ছাড়াই দাবি করেন যে ইরানের কাছেও কিছু টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। এই হামলার তদন্ত এখনও চলছে।

২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলর যৌথ হামলা শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ইরানে ১ হাজার ৩০০-এরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনিও রয়েছেন। ইরান পাল্টা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল, জর্ডান, ইরাক এবং উপসাগরীয় দেশগুলোতে, যেখানে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। এতে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে, অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং বৈশ্বিক বাজার ও বিমান চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

ইরানে ২৪ দিনে ২১০ শিশু হত্যা করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল

আপডেট সময় ৩ ঘন্টা আগে

ইরানের স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ-রেজা জাফারঘান্দি রোববার জানিয়েছেন, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলর হামলা শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ইরানে কমপক্ষে ২১০ শিশু নিহত হয়েছে এবং আরও ১ হাজার ৫১০ জন আহত হয়েছে। ইরানের বার্তা সংস্থা ইসনা এই তথ্য জানিয়েছে।

মোহাম্মদ-রেজা জাফারঘান্দি আরও জানান, একই সময়ে প্রায় ৩০০টি স্বাস্থ্য, চিকিৎসা ও জরুরি সেবাকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া প্রায় ৩০টি অ্যাম্বুলেন্স ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ব্যবহারের অনুপযুক্ত হয়ে গেছে।

২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের দক্ষিণের শহর মিনাবের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হামলায় ১৫০ জন ছাত্রী নিহত হয়। এই ঘটনা আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। দায় নিয়ে পরস্পরবিরোধী দাবি থাকলেও বেশিরভাগ বিশ্লেষণ বলছে, হামলাটি যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে হয়েছে।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রথমে এই হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা অস্বীকার করার চেষ্টা করেন। পরে যখন জানা যায় হামলায় মার্কিন সামরিক বাহিনীর ব্যবহৃত টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার হয়েছে, তখন তিনি কোনো প্রমাণ ছাড়াই দাবি করেন যে ইরানের কাছেও কিছু টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। এই হামলার তদন্ত এখনও চলছে।

২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলর যৌথ হামলা শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ইরানে ১ হাজার ৩০০-এরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনিও রয়েছেন। ইরান পাল্টা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল, জর্ডান, ইরাক এবং উপসাগরীয় দেশগুলোতে, যেখানে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। এতে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে, অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং বৈশ্বিক বাজার ও বিমান চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে।