ঢাকা , মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ১৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পাগলা-কুতবপুরে মাদকের বিশাল বাজার

  • ডেস্ক :
  • আপডেট সময় ৪৪ মিনিট আগে
  • ০ বার পড়া হয়েছে

সোজাসাপটা রিপোর্ট
জুলাই আন্দোলনে হাসিনা সরকারের পতনের পর কুতুবপুরবাসী ভেবেছিলো মাদকের ভয়াবহতা রক্ষা পাবে। কিন্তু পাগলা-কুতুবপুরে মাদকের বিস্তারে স্থানীয়রা হতাশ হয়েছেন। অতিতের যে কোন সময়ের চাইতে পাগলা-কুতবপুর এলাকা হয়ে উঠেছে মাদকের বিশাল বাজার।
অতিতের যে কোন সময়ের তুলনায় মাদকদ্রব্য হয়ে উঠছে সহজলোভ্য। মাদকের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রায় সময় ঘটে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা। শুধু তাই নয় গোলাগুলির ঘটনাও ঘটেছে।
তথ্য মতে পাগলা-কুতুবপুরের মাদক ব্যবসায়ীদের আলোচনা উঠলেই প্রথমঃত উঠে আসে আক্তার ওরফে কিলার আক্তার, লিখন, মিঠুন ও ডেভিডের নাম।
স্থানীয় একাধিক তথ্য মতে এদেরকে পর্দার অন্তরালে থেকে শেল্টার দিচ্ছে সরকারদলীয় স্থানীয় প্রভাবশালী মহল। সেই মহলের কাউকে কাউকে ম্যানেজ করার জন্য উপকৌঠন হিসেবে লক্ষাধিক টাকারও বেশী মূল্য মানের মোবাইল ফোন,গাড়ী ক্রয়ের ডাউনপেমেন্টের টাকা সহ নগদ লক্ষাধিক টাকা। এছাড়া মাসোহারাতো রয়েছেই। এ সকল উপকৌঠনের কারনে তারা পাগলা কুতুবপুরে বুক চেতিয়ে মাদক বাজারে নিজ নিজ প্রভান বজায় রেখে মাদক বিক্রি করে আসছে শির্ষ স্থানীয় মাদক কারবারি আক্তার ওরফে কিলার আক্তার, লিখন, মিঠুন ও ডেভিড সহ তাদের সহোযোগি মাদক কারাবারিরা।
জানা যায়, পাইকারি থেকে শুরু করে খুচড়া মাদক বিক্রিতে এদের রয়েছে শতাধিক মাদক সরবরাহকারী বা সেলস্ ম্যান। হেরোইম,ফেনসিডিল,ইয়াবা ট্যাবলেট,গাঁজা, দেশী-বিদেশী মদ আইচ সহ সকল প্রকার মাদক এদের মজুদ করা থাকে। প্রচার রয়েছে যে সারাদেশে মাদকের সরবরাহ না থাকলোও এদের নিকট কখনোই মাদকে ঘাটতি থাকেনা। পাগলা তালতলা নদীর ঘাট থেকে শুরু থেকে প্রতিটি অলি-গলিতেই হাত বাড়ালে মিলে সকল প্রকার মাদক। মাদক দ্রব্য সহজ লভ্য হয়ে উঠায় পাগলা-কুতুবপুরে দিনকে দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে মাদক সেবীদেরও সংখ্যা। সেই সাথে বৃদ্ধি পেয়েছে অপরাধ প্রবনতা।
জানা যায়,তালতলা নদীর পার বটতলার নিচে দেশীয় মদ, ইয়াবা ও গাজাঁ ব্যবসা করছে ডেভিড, পাগলার জেলেপাড়ার ইয়াবা, ফেনসডিল, গাঁজার মাদক বাজারের নিয়ন্ত্রক মিথুন, তার ভাই কাউসার, ড্রাইভার জাকির, জেলেপাড়ার শিলা, কলি কাউসার, পাগলা স্টুডিও এলাকার শাহ আলম, জাহাঙ্গীর, রবিন, দক্ষিণ নয়ামাটি এলাকার জিন্নাত আলীর ছেলে বাবু ওরফে কেতরা বাবু, নয়ামাটি এলাকার পিংকী, আবুইল্লা চোরার ছেলে সোর্স কামাল, বাতেন মিয়ার দুই ছেলে সুমন ওরফে গাঞ্জা সুমন ও কালা সুজন, নয়ামাটি এলাকার গ্রিল সুজন, পশ্চিম নয়ামাটি এলাকার জলিল ও তার দুই ছেলে ফরহাদ এবং হাফিজ, মামা মান্নান, মৃত গনি মিয়ার ছেলে রফিক, বরিশাইল্লা তানভীর, পাখি ও তার স্বামী নভেল, চিতাশাল এলাকার মজিবর ও তার স্ত্রী লাইলি এবং তার মেয়ে সনিয়া, পশ্চিম নন্দলালপুর এলাকার মৃত হযরত আলীর দুই ছেলে আসাদ ও জয়, মুনসুরের ছেলে ড্রাইভার রাকিব, সালামের ছেলে রনি ওরফে পেঁচা রনি তার স্ত্রী পপি ছেলে রাহাত, পশ্চিম নন্দলালপুর মসজিদ গলি এলাকার সাগর, মফিজ মিয়ার ছেলে প্রান্ত শেখ, শাহাদাত, খোরশেদ আলম, মাছ জুয়েল, টেডনা জাহাঙ্গীর, দেলোয়ার ও তার ছেলে শান্ত ওরফে নাডা শান্ত।
বৈরাগী বাড়ি বউবাজার এলাকার হাবিব ও কবির, আদর্শ নগর এবং শহীদ নগরের নিয়ন্ত্রক লিখন, ও সোহান, চিতাশাল নুরবাগ এলাকার নিয়ন্ত্রক বিল্লাল ও ফারুক, শাহিবাজার আমতলা এলাকার নিয়ন্ত্রক বাবুল মেম্বারের ভাই আবুল।
পাগলা শাহিবাজার এলাকায় রহিম, রকি, মিশাল, মোস্তফা,জুয়েল ক্যালেন পারের হযরত, আমির, নজির পাগলা আমতলায় লিটনের ভাই রিপন শরীফবাগে পাকনা শাকিল, রনি, ফয়সাল, নাঈম, পাকনা শাকিলের বডিগার্ড বাদশা, নিশ্চিন্তপুরের হিন্দু পাড়া শাহজাহানের ছেলে সজিব,আলী আরশাদের ভাতিজা সজল, রাজন,শাহজাহানের মেয়ের জামাই রিপন, রিকশা মজিবরের পোলা রানা, লিখনের শ্যালক আলমগীর, শাহীবাজার আইকনপট্টি ফর্মা ইমরান, সানজিদ, ফর্মা শান্ত, শরীফবাগ রনি, শাকিল, জমক মাহাবুবের শালা ইমন, ডিজে মাসুদ, শরীফ,রসুলপুরের হযরত, পশ্চিম নন্দলালপুর প্রাপ্তি সিটি এলাকার ইকবাল ও তার স্ত্রী আমেনা, জামাল মোল্লা ও তার স্ত্রী এবং মেয়েও হেরোইন, ইয়াবা ট্যাবলেট, ফেনসিডিল, দেশী বিদেশী মদ, আইচ সহ নানা মাদক বেচাকেনায় জড়িত।
একাধিক তথ্য মতে, পাগলা-কুতুবপুরের বিভিন্ন এলাকায় মাদক বাজারের সবচাইতে বড় পাইকার হলো আক্তার ওরফে কিলার আক্তার।
অপরদিকে হালের ক্রেজ মাদক অর্ধ কোটি টাকার “আইচ” সহ দেলপাড়া থেকে শির্ষ স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ী মহসিন ওরফে মাইচ্ছা মহসিন কে কয়েকজন সহোযোগি সহ গ্রেফতার করা হলে সে জামিনে বেরিয়ে এসে বর্তমানে সাইনবোর্ড এলাকায় ভাড়ায় বসবাস করে শয়তানের নিশ্বাস, আইচ, হেরোইন, গাঁজা, ফেনসিডিল পাইকারি ভাবে পাগলা, ফতুল্লা, মাসদাইর,ইসদাইর সহ বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করে আসছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

পাগলা-কুতবপুরে মাদকের বিশাল বাজার

আপডেট সময় ৪৪ মিনিট আগে

সোজাসাপটা রিপোর্ট
জুলাই আন্দোলনে হাসিনা সরকারের পতনের পর কুতুবপুরবাসী ভেবেছিলো মাদকের ভয়াবহতা রক্ষা পাবে। কিন্তু পাগলা-কুতুবপুরে মাদকের বিস্তারে স্থানীয়রা হতাশ হয়েছেন। অতিতের যে কোন সময়ের চাইতে পাগলা-কুতবপুর এলাকা হয়ে উঠেছে মাদকের বিশাল বাজার।
অতিতের যে কোন সময়ের তুলনায় মাদকদ্রব্য হয়ে উঠছে সহজলোভ্য। মাদকের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রায় সময় ঘটে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা। শুধু তাই নয় গোলাগুলির ঘটনাও ঘটেছে।
তথ্য মতে পাগলা-কুতুবপুরের মাদক ব্যবসায়ীদের আলোচনা উঠলেই প্রথমঃত উঠে আসে আক্তার ওরফে কিলার আক্তার, লিখন, মিঠুন ও ডেভিডের নাম।
স্থানীয় একাধিক তথ্য মতে এদেরকে পর্দার অন্তরালে থেকে শেল্টার দিচ্ছে সরকারদলীয় স্থানীয় প্রভাবশালী মহল। সেই মহলের কাউকে কাউকে ম্যানেজ করার জন্য উপকৌঠন হিসেবে লক্ষাধিক টাকারও বেশী মূল্য মানের মোবাইল ফোন,গাড়ী ক্রয়ের ডাউনপেমেন্টের টাকা সহ নগদ লক্ষাধিক টাকা। এছাড়া মাসোহারাতো রয়েছেই। এ সকল উপকৌঠনের কারনে তারা পাগলা কুতুবপুরে বুক চেতিয়ে মাদক বাজারে নিজ নিজ প্রভান বজায় রেখে মাদক বিক্রি করে আসছে শির্ষ স্থানীয় মাদক কারবারি আক্তার ওরফে কিলার আক্তার, লিখন, মিঠুন ও ডেভিড সহ তাদের সহোযোগি মাদক কারাবারিরা।
জানা যায়, পাইকারি থেকে শুরু করে খুচড়া মাদক বিক্রিতে এদের রয়েছে শতাধিক মাদক সরবরাহকারী বা সেলস্ ম্যান। হেরোইম,ফেনসিডিল,ইয়াবা ট্যাবলেট,গাঁজা, দেশী-বিদেশী মদ আইচ সহ সকল প্রকার মাদক এদের মজুদ করা থাকে। প্রচার রয়েছে যে সারাদেশে মাদকের সরবরাহ না থাকলোও এদের নিকট কখনোই মাদকে ঘাটতি থাকেনা। পাগলা তালতলা নদীর ঘাট থেকে শুরু থেকে প্রতিটি অলি-গলিতেই হাত বাড়ালে মিলে সকল প্রকার মাদক। মাদক দ্রব্য সহজ লভ্য হয়ে উঠায় পাগলা-কুতুবপুরে দিনকে দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে মাদক সেবীদেরও সংখ্যা। সেই সাথে বৃদ্ধি পেয়েছে অপরাধ প্রবনতা।
জানা যায়,তালতলা নদীর পার বটতলার নিচে দেশীয় মদ, ইয়াবা ও গাজাঁ ব্যবসা করছে ডেভিড, পাগলার জেলেপাড়ার ইয়াবা, ফেনসডিল, গাঁজার মাদক বাজারের নিয়ন্ত্রক মিথুন, তার ভাই কাউসার, ড্রাইভার জাকির, জেলেপাড়ার শিলা, কলি কাউসার, পাগলা স্টুডিও এলাকার শাহ আলম, জাহাঙ্গীর, রবিন, দক্ষিণ নয়ামাটি এলাকার জিন্নাত আলীর ছেলে বাবু ওরফে কেতরা বাবু, নয়ামাটি এলাকার পিংকী, আবুইল্লা চোরার ছেলে সোর্স কামাল, বাতেন মিয়ার দুই ছেলে সুমন ওরফে গাঞ্জা সুমন ও কালা সুজন, নয়ামাটি এলাকার গ্রিল সুজন, পশ্চিম নয়ামাটি এলাকার জলিল ও তার দুই ছেলে ফরহাদ এবং হাফিজ, মামা মান্নান, মৃত গনি মিয়ার ছেলে রফিক, বরিশাইল্লা তানভীর, পাখি ও তার স্বামী নভেল, চিতাশাল এলাকার মজিবর ও তার স্ত্রী লাইলি এবং তার মেয়ে সনিয়া, পশ্চিম নন্দলালপুর এলাকার মৃত হযরত আলীর দুই ছেলে আসাদ ও জয়, মুনসুরের ছেলে ড্রাইভার রাকিব, সালামের ছেলে রনি ওরফে পেঁচা রনি তার স্ত্রী পপি ছেলে রাহাত, পশ্চিম নন্দলালপুর মসজিদ গলি এলাকার সাগর, মফিজ মিয়ার ছেলে প্রান্ত শেখ, শাহাদাত, খোরশেদ আলম, মাছ জুয়েল, টেডনা জাহাঙ্গীর, দেলোয়ার ও তার ছেলে শান্ত ওরফে নাডা শান্ত।
বৈরাগী বাড়ি বউবাজার এলাকার হাবিব ও কবির, আদর্শ নগর এবং শহীদ নগরের নিয়ন্ত্রক লিখন, ও সোহান, চিতাশাল নুরবাগ এলাকার নিয়ন্ত্রক বিল্লাল ও ফারুক, শাহিবাজার আমতলা এলাকার নিয়ন্ত্রক বাবুল মেম্বারের ভাই আবুল।
পাগলা শাহিবাজার এলাকায় রহিম, রকি, মিশাল, মোস্তফা,জুয়েল ক্যালেন পারের হযরত, আমির, নজির পাগলা আমতলায় লিটনের ভাই রিপন শরীফবাগে পাকনা শাকিল, রনি, ফয়সাল, নাঈম, পাকনা শাকিলের বডিগার্ড বাদশা, নিশ্চিন্তপুরের হিন্দু পাড়া শাহজাহানের ছেলে সজিব,আলী আরশাদের ভাতিজা সজল, রাজন,শাহজাহানের মেয়ের জামাই রিপন, রিকশা মজিবরের পোলা রানা, লিখনের শ্যালক আলমগীর, শাহীবাজার আইকনপট্টি ফর্মা ইমরান, সানজিদ, ফর্মা শান্ত, শরীফবাগ রনি, শাকিল, জমক মাহাবুবের শালা ইমন, ডিজে মাসুদ, শরীফ,রসুলপুরের হযরত, পশ্চিম নন্দলালপুর প্রাপ্তি সিটি এলাকার ইকবাল ও তার স্ত্রী আমেনা, জামাল মোল্লা ও তার স্ত্রী এবং মেয়েও হেরোইন, ইয়াবা ট্যাবলেট, ফেনসিডিল, দেশী বিদেশী মদ, আইচ সহ নানা মাদক বেচাকেনায় জড়িত।
একাধিক তথ্য মতে, পাগলা-কুতুবপুরের বিভিন্ন এলাকায় মাদক বাজারের সবচাইতে বড় পাইকার হলো আক্তার ওরফে কিলার আক্তার।
অপরদিকে হালের ক্রেজ মাদক অর্ধ কোটি টাকার “আইচ” সহ দেলপাড়া থেকে শির্ষ স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ী মহসিন ওরফে মাইচ্ছা মহসিন কে কয়েকজন সহোযোগি সহ গ্রেফতার করা হলে সে জামিনে বেরিয়ে এসে বর্তমানে সাইনবোর্ড এলাকায় ভাড়ায় বসবাস করে শয়তানের নিশ্বাস, আইচ, হেরোইন, গাঁজা, ফেনসিডিল পাইকারি ভাবে পাগলা, ফতুল্লা, মাসদাইর,ইসদাইর সহ বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করে আসছে।