স্টাফ রিপোর্টার
যানজট ও জনভোগান্তি এড়াতে গত কয়েক বছরের মতো এবারও কোরবানি উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জ শহরের মূল অংশে কোনো পশুর হাট না বসানোর পরিকল্পনা করেছে নগর কর্তৃপক্ষ। ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে নগরীর ২৭টি ওয়ার্ডের কয়েকটি স্থানে হাট বসানোর প্রস্তাবনা এসেছে বলে জানিয়েছে সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
এগুলো যাচাই-বাছাইয়ের পর চূড়ান্তভাবে হাটের সংখ্যা নির্ধারণ করে তারপর দরপত্র আহ্বান করা হবে। পরে ইজারাদার নির্দিষ্ট সময়ের জন্য হাটগুলোতে কোরবানির জন্য পশু তুলে বেচা-কেনা করতে পারবেন। প্রতিটি হাটই হবে অস্থায়ী। নির্দিষ্ট সময়ের পর এগুলোর ইজারার মেয়াদ বাতিল হয়ে যাবে।
গত বছর নগরীর তিন অঞ্চল- শহর, সিদ্ধিরগঞ্জ ও কদমরসুলের সাতাশটি ওয়ার্ডে মোট ২২টি অস্থায়ী পশুর হাট বসানো হয়েছে। ওই বছর শহরের ভেতর হাট বসানো না হলেও কাছাকাছি ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের শহীদনগর ও আল আমিন নগরে দু’টি অস্থায়ী হাট বসানো হয়েছিল।
এবার হাটের সংখ্যা বাড়বে নাকি কমবে তা এখনো নির্দিষ্ট করে কিছু জানাতে পারেননি ইজারা প্রদানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নাসিকের কর্মকর্তারা।
জানতে চাইলে বাজার কর্মকর্তা জহিরুল আলম বলেন, হাটের তালিকা এখনো তৈরি হয়নি। কয়েকটি স্থানে অস্থায়ী হাট স্থাপনের জন্য জায়গার আবেদন সিটি কর্পোরেশনে জমা পড়েছে। এসব জায়গার মালিক বা আশেপাশের লোকজনের আপত্তি আছে কিনা তা যাচাই-বাছাই করে নিশ্চিত হবার পর তালিকা তৈরি করা হবে।
“আমাদের কোনো নিজস্ব জায়গা নেই হাট স্থাপনের জন্য। ফলে অন্যের খালি জায়গার উপর নির্ভর করে হাটগুলো দিতে হয়। দরপত্র আহ্বানের আগে আমাদের কাছে স্থানীয়রা তাদের খালি জমি হাটের জন্য দেওয়ার আবেদন করেন এবং পরে তা যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।”
কিছু আবেদন জমা পড়েছে জানিয়ে এ কর্মকর্তা বলেন, মঙ্গলবার থেকে এগুলো যাচাই-বাছাই শুরু হবে। এবং দ্রতই চূড়ান্ত একটি তালিকা প্রস্তুত করা হবে।
তবে, হাটের সংখ্যা যাই হোক না কেন, শহরের ভেতর জনভোগান্তি এড়াতে হাট না স্থাপনের সিদ্ধান্ত এবারো রয়েছে বলে জানিয়েছেন জহিরুল।
সংবাদ শিরোনাম ::
সিটি এলাকায় হাট, শহর থাকবে ফাঁকা
-
ডেস্ক : - আপডেট সময় ৩ ঘন্টা আগে
- ১ বার পড়া হয়েছে
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ




















