ঢাকা , শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিরাজ মন্ডল গ্রেফতার হলেও মিলন অধরা

  • ডেস্ক :
  • আপডেট সময় ৪ ঘন্টা আগে
  • ০ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের এসও এলাকায় একাধিক হত্যা মামলার আসামী আওয়ামী লীগ নেতা সিরাজ মন্ডল গ্রেফতার হলেও প্রকাশ্যে এলাকায় অবস্থান করছেন মিলন। তিনি নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের সহযোগী ও বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি সিরাজুল ইসলাম মন্ডলের ভায়রা। আওয়ামী ফ্যাসিবাদের দোসর বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মামলার আসামি প্রকাশ্যে হলেও এখনও গ্রেপ্তার হয়নি মিলন। এনিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে জনমনে। একাধিক বিএনপি নেতাকর্মী ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গণঅভ্যুত্থানের সময় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে ও নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় ছাত্র-জনতাকে প্রতিহত করতে মাস্টারমাইন্ড হিসেবে ভূমিকা পালন করেছেন সিরাজুল ইসলাম মন্ডল ও তার সহযোগী ভায়রা মিলন। তাঁদের নেতৃত্বে জেলার বিভিন্ন জায়গায় সাধারণ জনতা ও ছাত্রদের ওপর নির্বিচারে গুলি চালানো হয়। অনুসন্ধানে জানা গেছে, বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি ও নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর সিরাজুল ইসলাম মন্ডল হয়ে গত ১৭ বছরে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের সহযোগী হয়ে পুরো এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছেন সিরাজ মন্ডলের ভায়রা মিলন। সিরাজ মন্ডলের ছত্রছায়ায় ৬নং ওয়ার্ড এলাকার অপরাধের সামাজ্র গড়ে তুলেন। অভিযোগ রয়েছে, বিগত আওয়ামী স্বৈরাচার সরকারের আমলে বিভিন্ন মানুষকে জিম্মি করে ভয়ভীতি দেখিয়ে স্বর্বশান্ত করেছেন মিলন। তার বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা মারামারিসহ বিভিন্ন অপরাধে একাধিক মামলা রয়েছে। সে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গুলিতে মৃত্যুর ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। বিপুল অর্থ-বিত্তের মালিক বনে যাওয়া মিলন এখনো সক্রীয় দলের নেতাকর্মীদের সাথে। বহাল তবিয়তে থেকে সে তার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। বিষয়টি ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী ও বৈষম্য বিরোধী ছাত্রআন্দোলনকারীদের মাঝে। এদিকে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী জানান, মিলনের বিরুদ্ধে তদন্ত করে তাঁকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। খুব শীঘ্রই তাঁকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানান এসপি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

সিরাজ মন্ডল গ্রেফতার হলেও মিলন অধরা

আপডেট সময় ৪ ঘন্টা আগে

স্টাফ রিপোর্টার
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের এসও এলাকায় একাধিক হত্যা মামলার আসামী আওয়ামী লীগ নেতা সিরাজ মন্ডল গ্রেফতার হলেও প্রকাশ্যে এলাকায় অবস্থান করছেন মিলন। তিনি নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের সহযোগী ও বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি সিরাজুল ইসলাম মন্ডলের ভায়রা। আওয়ামী ফ্যাসিবাদের দোসর বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মামলার আসামি প্রকাশ্যে হলেও এখনও গ্রেপ্তার হয়নি মিলন। এনিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে জনমনে। একাধিক বিএনপি নেতাকর্মী ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গণঅভ্যুত্থানের সময় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে ও নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় ছাত্র-জনতাকে প্রতিহত করতে মাস্টারমাইন্ড হিসেবে ভূমিকা পালন করেছেন সিরাজুল ইসলাম মন্ডল ও তার সহযোগী ভায়রা মিলন। তাঁদের নেতৃত্বে জেলার বিভিন্ন জায়গায় সাধারণ জনতা ও ছাত্রদের ওপর নির্বিচারে গুলি চালানো হয়। অনুসন্ধানে জানা গেছে, বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি ও নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর সিরাজুল ইসলাম মন্ডল হয়ে গত ১৭ বছরে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের সহযোগী হয়ে পুরো এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছেন সিরাজ মন্ডলের ভায়রা মিলন। সিরাজ মন্ডলের ছত্রছায়ায় ৬নং ওয়ার্ড এলাকার অপরাধের সামাজ্র গড়ে তুলেন। অভিযোগ রয়েছে, বিগত আওয়ামী স্বৈরাচার সরকারের আমলে বিভিন্ন মানুষকে জিম্মি করে ভয়ভীতি দেখিয়ে স্বর্বশান্ত করেছেন মিলন। তার বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা মারামারিসহ বিভিন্ন অপরাধে একাধিক মামলা রয়েছে। সে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গুলিতে মৃত্যুর ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। বিপুল অর্থ-বিত্তের মালিক বনে যাওয়া মিলন এখনো সক্রীয় দলের নেতাকর্মীদের সাথে। বহাল তবিয়তে থেকে সে তার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। বিষয়টি ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী ও বৈষম্য বিরোধী ছাত্রআন্দোলনকারীদের মাঝে। এদিকে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী জানান, মিলনের বিরুদ্ধে তদন্ত করে তাঁকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। খুব শীঘ্রই তাঁকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানান এসপি।