ঢাকা , সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৪ বছর পর ডাকাতি রহস্যের উদঘাটন

  • ডেস্ক :
  • আপডেট সময় এক ঘন্টা আগে
  • ০ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ২০২২ সালে সংঘটিত একটি বড় ডাকাতির ঘটনায় দীর্ঘ সময় পর গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি এসেছে। মামলায় জড়িত এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে তদন্ত সংস্থা, যিনি আদালতে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ৯ এপ্রিল দিবাগত রাত থেকে ১০ এপ্রিল ভোরের মধ্যে ১৫-২০ জনের একটি সশস্ত্র দল কাঞ্চন বাড়ৈইপাড়া এলাকায় ফারুক হাসানের বাড়িসহ আশপাশের কয়েকটি বাড়িতে ডাকাতি করে। এ সময় বাসার সদস্যদের জিম্মি করে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করা হয়। ডাকাতদের বাধা দিলে ফারুক হাসান, তার স্ত্রী, ভাই মাসুম ও চাচা গিয়াস উদ্দিন আহত হন; গুলিবিদ্ধ হন মাসুম। একই রাতে খায়রুল বাশার ও তমিজ উদ্দিনের বাড়িতেও লুটপাট হয়। সব মিলিয়ে প্রায় ২০ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে যায় ডাকাতরা।
ঘটনার পরদিন ফারুক হাসান বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় মামলা করেন। প্রথমে থানা পুলিশ তদন্ত করলেও পরে ২০২৩ সালের মার্চে মামলাটি পিবিআই নারায়ণগঞ্জে হস্তান্তর করা হয়।
তদন্তে প্রযুক্তিগত তথ্য ও গোয়েন্দা সূত্র ধরে হোসেন মিয়া (৩৫) নামে এক ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা শনাক্ত করা হয়। অন্য মামলায় আটক থাকা অবস্থায় তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয় এবং জিজ্ঞাসাবাদে তিনি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেন।
তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ২০২৬ সালের ৩০ এপ্রিল গভীর রাতে বরপা উত্তরপাড়া এলাকার বালুর মাঠ থেকে মো. আজিজুল হক ভূইয়াকে আটক করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ডাকাতির ঘটনায় নিজের সম্পৃক্ততা স্বীকার করেন এবং আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
জবানবন্দিতে তিনি জানান, সংঘবদ্ধ একটি পেশাদার দলের সদস্য হিসেবে পরিকল্পিতভাবে ওই রাতে একাধিক বাড়িতে হামলা চালিয়ে নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার লুট করেন তারা। এ ছাড়া দলের অন্যান্য সদস্য ও লুটের কৌশল সম্পর্কেও তথ্য দিয়েছেন তিনি। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের ধরতে অভিযান চলছে। তদন্তও অব্যাহত রয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

৪ বছর পর ডাকাতি রহস্যের উদঘাটন

আপডেট সময় এক ঘন্টা আগে

স্টাফ রিপোর্টার
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ২০২২ সালে সংঘটিত একটি বড় ডাকাতির ঘটনায় দীর্ঘ সময় পর গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি এসেছে। মামলায় জড়িত এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে তদন্ত সংস্থা, যিনি আদালতে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ৯ এপ্রিল দিবাগত রাত থেকে ১০ এপ্রিল ভোরের মধ্যে ১৫-২০ জনের একটি সশস্ত্র দল কাঞ্চন বাড়ৈইপাড়া এলাকায় ফারুক হাসানের বাড়িসহ আশপাশের কয়েকটি বাড়িতে ডাকাতি করে। এ সময় বাসার সদস্যদের জিম্মি করে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করা হয়। ডাকাতদের বাধা দিলে ফারুক হাসান, তার স্ত্রী, ভাই মাসুম ও চাচা গিয়াস উদ্দিন আহত হন; গুলিবিদ্ধ হন মাসুম। একই রাতে খায়রুল বাশার ও তমিজ উদ্দিনের বাড়িতেও লুটপাট হয়। সব মিলিয়ে প্রায় ২০ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে যায় ডাকাতরা।
ঘটনার পরদিন ফারুক হাসান বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় মামলা করেন। প্রথমে থানা পুলিশ তদন্ত করলেও পরে ২০২৩ সালের মার্চে মামলাটি পিবিআই নারায়ণগঞ্জে হস্তান্তর করা হয়।
তদন্তে প্রযুক্তিগত তথ্য ও গোয়েন্দা সূত্র ধরে হোসেন মিয়া (৩৫) নামে এক ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা শনাক্ত করা হয়। অন্য মামলায় আটক থাকা অবস্থায় তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয় এবং জিজ্ঞাসাবাদে তিনি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেন।
তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ২০২৬ সালের ৩০ এপ্রিল গভীর রাতে বরপা উত্তরপাড়া এলাকার বালুর মাঠ থেকে মো. আজিজুল হক ভূইয়াকে আটক করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ডাকাতির ঘটনায় নিজের সম্পৃক্ততা স্বীকার করেন এবং আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
জবানবন্দিতে তিনি জানান, সংঘবদ্ধ একটি পেশাদার দলের সদস্য হিসেবে পরিকল্পিতভাবে ওই রাতে একাধিক বাড়িতে হামলা চালিয়ে নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার লুট করেন তারা। এ ছাড়া দলের অন্যান্য সদস্য ও লুটের কৌশল সম্পর্কেও তথ্য দিয়েছেন তিনি। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের ধরতে অভিযান চলছে। তদন্তও অব্যাহত রয়েছে।